গ্রাম জুড়ে রাস্তার মোড়ে মোড়ে ঝুলছে বিশাল বিশাল ঘণ্টা, হাতি তাড়াতে অভিনব কৌশল আদিবাসীদের
সাম্প্রতিক কয়েক বছরে দলমার দামালদের যাতায়াত বেড়েছে বাঁকুড়া-পশ্চিম মেদিনীপুর সীমান্তের সিমলাপালের দুবরাজপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এরাকার গ্রাম গুলিতে। খাদ্যের টানে গ্রামে ঢুকে পড়া হাতির হানায় বাড়ি ঘর ভাঙ্গচুরের পাশাপাশি প্রাণ হানির মতোও ঘটনা ঘটেছে।
এই অবস্থায় রাতের অন্ধকারে গ্রামে ঢুকে পড়া হাতির উপস্থিতি টের পেতে অভিনব কৌশল নিয়েছেন আদিবাসী প্রধান নেকড়াতাপল গ্রামের মানুষ। গ্রামের বিভিন্ন প্রান্তে দড়ি বেঁধে নিজেদের হাতে তৈরী ঘন্টা, স্থানীয়ভাবে পরিচিত 'ঠরকা' ঝুলিয়ে রেখেছেন। ওই ঠরকা বিশালাকার হাতির শরীরে লেগে বেজে উঠবে। ফলে গ্রামের মানুষ সতর্ক হওয়ার সুযোগ পাবেন। এর ফলে হাতির হানায় বাড়ি বা সম্পত্তি হানির ঘটনা ঘটলেও প্রাণ হানির আশঙ্কা অনেকখানি কমানো সম্ভব বলে বলে ওই গ্রামের মানুষ জানিয়েছেন।

তবে আসন্ন শারদোৎসবের দিন গুলির কথা ভেবে চিন্তিত গ্রামবাসী মিনতি হাঁসদা, কেশরী হাঁসদারা। তারা বলেন, একটি আবাসিক হাতি এই এলাকায় রয়েছে। তবে বিগত একমাস তার দেখা নেই, পূজোর দিন গুলোতে হাতির আক্রমণের আশঙ্কা করছেন। নিজেদের নিরাপত্তার স্বার্থে গ্রাম জুড়ে তারা 'ঠরকা' বেঁধেছেন বলে জানান।

বনদপ্তরে দুবরাজপুর বীট অফিসার বৈদ্যনাথ টুডু বলেন, ইতিমধ্যে হাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্তরা সরকারী নিয়মানুযায়ী ক্ষতিপূরণ পেয়েছেন। নতুন করে আবেদনকারীরাও ক্ষতিপূরণ পাবেন। তবে শারদোৎসবের দিন গুলোতে হাতির আক্রমণ ঠেকাতে তাঁরা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছেন বলে তিনি জানান।












Click it and Unblock the Notifications