"মিথ্যা লগ্ন আর দুর্নীতি রাশিতে ওই দলটার জন্ম ", বিষ্ণুপুরে তৃণমূলকে খোঁচা মিঠুনের
" মিথ্যা লগ্ন আর দুর্নীতি রাশিতে ওই দলটার জন্ম।" নাম না করে ঠিক এই ভাষাতেই রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলকে আক্রমণ করলেন মিঠুন চক্রবর্তী। প্রচারের প্রায় শেষ লগ্নে বুধবার বিষ্ণুপুর লোকসভা কেন্দ্রে যান মিঠুন। বিজেপি প্রার্থী সৌমিত্র খাঁর সমর্থনে ওন্দার রানসাগর ফুটবল মাঠে নির্বাচনী সভা করেন তিনি।
এদিন সকালেই মহাগুরুর বিষ্ণুপুরে আসার কথা ছিল। রোড শো, সভা হওয়ার কথা ছিল।
কিন্তু তাঁর কপ্টার গোলোযোগ হয়। এছাড়াও খারাপ আবহাওয়া ছিল। এই দুই কারণে কপ্টার উড়তে পারেনি কলকাতা থেকে। জানা গিয়েছে, কলকাতা বিমানবন্দর থেকে মিঠুনের কপ্টার করে বিষ্ণুপুরে যাওয়ার কথা ছিল।

দুপুরের পরে বিষ্ণুপুরে এসে পৌঁছান মিঠুন। সৌমিত্র খাঁকে পাশে নিয়ে মঞ্চে বক্তব্য রাখেন তিনি। নাগরিকত্ব আইন থেকে একশো দিনের কাজের টাকা, একাধিক বিষয়ে এদিন বক্তব্য রাখেন তিনি।
সিএএ প্রসঙ্গে মিঠুন বলেন, " এই আইন নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার আইন নয়। নাগরিকত্ব দেওয়ার আইন। আপনাদের ভুল বোঝানো হচ্ছে। শুধু একটি বিশেষ ধর্ম নয়। সব ধর্মের মানুষের জন্যই এই আইন। স্বীকৃত আধার কার্ড থাকলেই এদেশের নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার অধিকার কারও নেই।"
রাজ্যের পাওনা টাকা সম্পর্কে মিঠুন বলেন, " বিজেপির কোনও ক্ষমতা নেই ওই প্রাপ্য টাকা আটকে রাখার। রাজ্য সরকার ২ লক্ষ ৩০ হাজার কোটি টাকার হিসেব না দেওয়াতেই 'ক্যাগে'র নির্দেশেই এই টাকা আটকে আছে।" এজন্য তৃণমূল সরকারকেই দায়ী করেছেন তিনি।
এদিন সকালে বিষ্ণুপুরে পৌঁছাতে পারেননি মিঠুন। সৌমিত্র খাঁ সেজন্য বেলাতেই কর্মী - সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চান। টোটোয় মাইক নিয়ে বেরিয়েছিলেন তিনি৷ মিঠুনের জন্য ব্যান্ড পার্টি ভাড়া করা হয়েছিল। বাজনদাররা বাজনা বাজাচ্ছিলেন। তাদের উদ্দেশ্যে সৌমিত্র বলেন, " বাজনা যারা বাজাচ্ছেন, দয়া করে বন্ধ করুন।"
কর্মী - সমর্থকদের মধ্যে হতাশা দেখা গিয়েছিল সেই সময়। পরে মিঠুন সভায় উপস্থিত হন। বিজেপি কর্মী - সমর্থক, সাধারণ মানুষ ভিড় করেছিলেন সভায়। তাদের অনুরোধে মহাগুরু সিনেমার ডায়ালগ বলেন। গানও করেন।












Click it and Unblock the Notifications