বাঁকুড়ার রানিবাঁধ এলাকা উচ্ছেদ নোটিশ, পুনর্বাসনের দাবিতে আন্দোলন
পুনর্বাসনের ব্যবস্থা না করে উচ্ছেদ করা যাবে না। এই দাবিতে বাঁকুড়ার জঙ্গলমহলে সোচ্চার হল সিপিআইএম। দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য দেবলীনা হেমব্রম, বাঁকুড়া জেলা সম্পাদক অজিত পতিরা আন্দোলনে নেমেছেন। তাদের উপস্থিতিতে রানিবাঁধের ঝিলিমিলি এলাকার পড়াডি মোড়ে মিছিল ও পথসভা হয়েছে।
রাজ্যের অন্যতম পর্যটন ক্ষেত্র হিসেবেই পরিচিত বাঁকুড়ার ঝিলিমিলি। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের টানে এই এলাকায় বছর ভর পর্যটকদের আনাগোনা লেগেই থাকে। রানিবাঁধ থেকে ঝিলিমিলি ঢোকার আগে পড়াডি মোড় রয়েছে। ওই জায়গা বন দফতরের।

সেই জায়গার উপর কয়েক দশক ধরে স্থায়ীভাবে ব্যবসা করছেন মানুষজন। ওই জায়গা এবার ফাঁকা করে দিতে হবে। সেই সব ব্যবসায়ীকে উচ্ছেদের নোটিশ দেওয়া হয়েছে। ফলে ব্যবসায়ীদের মধ্যে শুরু হয়েছে দুশ্চিন্তা। মনে তৈরি হয়েছে ক্ষোভ। এই অবস্থায় সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের পাশে দাঁড়াতে আন্দোলনে নেমেছে সিপিএম।
ওই এলাকার ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, বাপ-ঠাকুর্দার আমল থেকে সেখানে ব্যবসা করা হচ্ছে। এখন হঠাৎ করে উঠে যেতে বলা হছে। কোথায় যাবেন তারা? সিপিএমের বাঁকুড়া জেলা কমিটির সম্পাদক অজিত পতি বলেন, এভাবে উচ্ছেদ করা যায় না। আগে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসন দেওয়া হোক। পরে উচ্ছেদ করা হবে। তা যদি না করা হয়, বৃহত্তর আন্দোলনে তাঁরা যাবেন। এই কথাও জানানো হয়েছে।
এই বিষয়ে স্থানীয় তৃণমূল নেতা ও জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ চিত্ত মাহাতো মন্তব্য করেছেন। বন দফতর স্বাধীনভাবে কাজ করে। জঙ্গল কমে আসছে। এভাবে বনভূমি দখল করা যায় না। বিগত ৩৪ বছরে সিপিএম কিছুই করেনি। ওই জায়গায় বসবাসকারীরা আবেদন করলে পাট্টা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে রাজ্যজুড়ে শুরু হয়েছে উচ্ছেদ অভিযান। নোটিশ দেওয়া হচ্ছে দখলদারদের। সরকারি জমি বেআইনিভাবে দখল করে রাখা যাবে না। এই কথা পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications