বাংলাতেও রাম মন্দির? প্রতিষ্ঠিত হল রামচন্দ্র, লক্ষ্মণ, সীতা ও হনুমানের বিগ্রহ?
সরযূ নদীর তীরে রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা হল৷ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই প্রাণ প্রতিষ্ঠা করলেন। এদিকে বাংলাতেও রাম মন্দির খুলে দেওয়া হল সাধারণ মানুষের জন্য। শ্রীরামচন্দ্র, লক্ষ্মণ, সীতা ও হনুমানের বিগ্রহের প্রাণ প্রতিষ্ঠা হল।
কোথায় হল এমন ঘটনা? গোটা ভারতবর্ষই রাম মন্দির উদ্বোধনে উদ্বেল হয়েছে। সনাতনী হিন্দুরা আনন্দিত। বাংলাতেও একই ছবি দেখা গিয়েছে। কিন্তু রাম মন্দির এখানেও উদ্বোধন হল? প্রাণ প্রতিষ্ঠা হল রামচন্দ্রের?

প্রায় ৮০০ কিলোমিটার দূরে সরযূ তীরে অযোধ্যায় রামলালার বিগ্রহ প্রাণ প্রতিষ্ঠা ঘিরে রাম ভক্তদের উন্মাদনা তুঙ্গে। ঠিক তখনই বাঁকুড়ার প্রত্যন্ত জঙ্গল মহলেও একই ছবি। সোমবার রাইপুরের সিমলিতেও শ্রীরামচন্দ্র, লক্ষ্মণ, সীতা ও হনুমানের বিগ্রহের প্রাণ প্রতিষ্ঠা হল। পাশাপাশি মন্দিরের দরজাও সর্ব সাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হল।
স্থানীয় সূত্রে খবর, বেশ কয়েক বছর গ্রামে সুদূর অযোধ্যা থেকে এক সাধু রাইপুরের সিমলি গ্রামে এসেছিলেন। ২০০৯ সালে তাঁর উপস্থিতিতে স্থানীয়দের উদ্যোগে গ্রামে রাম মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়। কিন্তু মন্দিরটি প্রতিষ্ঠিত হয়নি বলে জানা গিয়েছে।
অবশেষে অযোধ্যায় রাম মন্দিরের প্রতিষ্ঠার দিনটিকেই বেছে নেওয়া হল। রাজস্থান থেকে নিয়ে আসা হয়েছে রাম, লক্ষ্মণ, সীতা ও হনুমানের মূর্তি। সেই সব মূর্তি স্থাপন করা হয়। তারপর হল প্রাণ প্রতিষ্ঠা।
শ্রীরামচন্দ্রের মন্দির প্রতিষ্ঠা ঘিরে উৎসবের আবহ গ্রাম জুড়ে। কংসাবতী নদীর স্থানীয় কালাঘাট থেকে খোল করতাল যোগে ১০৮ টি মঙ্গল ঘট নিয়ে আসা হয়। এরপর মন্দিরে বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণ, হোমযজ্ঞের মাধ্যমে বিগ্রহের প্রাণ প্রতিষ্ঠা করা হয়। সঙ্গে উপস্থিত কয়েক হাজার মানুষের জন্য অন্নভোগের আয়োজন তো ছিলই।
বাঁকুড়ায় রাম মন্দির উদ্বোধন ঘিরে উচ্ছ্বাস চোখে পড়েছে। বিভিন্ন জায়গায় পুজো হচ্ছে। বাঁকুড়া জেলায় মানুষের উচ্ছ্বাস। তৃণমূলকে কটাক্ষ করলেন বিজেপি সাংসদ সুভাষ সরকার। সতীঘাট মন্দিরে পুজোর আয়োজন করা হয়। চণ্ডিপাঠ হয়েছে। এছাড়াও জায়ান্ট স্ক্রিনে অযোধ্যার রাম মন্দির উদ্বোধনও দেখানোর ব্যবস্থা ছিল।












Click it and Unblock the Notifications