পানীয় জল, রাস্তা কিছুই নেই, তালডাংরার গ্রামে ভোট বয়কটের ডাক
শাসক দল দাবি করে উন্নয়ন হয়েছে। কাজ নামমাত্র বাকি। এদিকে সাধারণ মানুষরা ক্ষুব্ধ৷ তাদের কথায়, আছের থেকে নেইয়ের আধিক্যই বেশি। সাধারণ জীবন ধারণের পরিশ্রুত পানীয় জলও পাওয়া যায় না গ্রামে। তাই এবার ভোট বয়কটের ডাক দিয়েছেন গ্রামের মানুষরা।
আগামী ১৩ নভেম্বর তালডাংরা বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচন। ওই কেন্দ্রে আগাগোটা বাঁকুড়ার তৃণমূলের জেলা সভাপতি অরূপ চক্রবর্তী জিতে এসেছেন। তিনি এবার লোকসভা ভোটে জিতে সাংসদ। ওই কেন্দ্রে তাই এবার উপনির্বাচন।

ওই বিধানসভা এলাকায় তো উন্নয়ন হওয়ার কথা। তাহলে এত ক্ষোভ কেন? রাস্তা থেকে পানীয় জল। জীবন ধারণের জন্য অপরিহার্য বিষয়গুলিরই দেখা পাওয়া যায় না। এই অভিযোগ সাধারণ মানুষের। তাই এবার একজোট হয়েছেন গ্রামের মানুষজন।
আগে থেকেই পানীয় জল, রাস্তা ও অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে সহায়িকা নিয়োগের দাবি জানান হচ্ছে। এবার ভোট বয়কটের ডাক দিলেন হাড়মাসড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের ৮ নম্বর সংসদ এলাকার বোড়দা গ্রামের মানুষ।
বাসিন্দাদের দাবি, এই গ্রামে উন্নয়নের ছিঁটেফোঁটাও পৌঁছয়নি। গ্রামে একটি মাত্র টিউবওয়েল। সেই টিউবওয়েল দিয়ে সব সময় জল পাওয়া সমস্যার। ফলে অনেকেই নদীর জল পান করতে বাধ্য হচ্ছেন। পানীয় জলের প্রবল সমস্যা রয়েছে গ্রামে।
রাস্তা ঘাটের অবস্থাও তথৈবচ। মাঠ পেরিয়ে ভোটকেন্দ্রে পৌঁছতে হবে ভোট দিলে হলে। ধান জমির মধ্যে দিয়ে এক কিলোমিটার হেঁটে ভোট দিতে যেতে হবে। এই সময় চন্দ্রবোড়া সাপের উৎপাত। ভোট দিতে যাওয়ার পথে কোনও অঘটন ঘটলে, তার দায় কে নেবেন? প্রশ্ন তুলেছেন বাসিন্দারা।
এমনকী অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র নিয়েও অভিযোগ রয়েছে ওই গ্রামে। অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে কোনও সহায়িকা নেই। তাই পরিষেবা তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। ভোট আসে, ভোট যায়। রাজনৈতিক দলের নেতারা উন্নয়নের কথা বলেন ভোটের আগে। কিন্তু ভোট মিটে গেলে যে কে সেই।
এই অবস্থায় ভোট বয়কট ছাড়া কোনও পথ খোলা নেই।
গ্রামবাসীদের তরফে দাবি করা হয়েছে এই কথাই। তারা এবার এই বিষয়ে যথেষ্ট একজোট হয়েছেন। হাতে লাল কালিতে লিখে দেওয়ালে পোস্টারও টাঙিয়ে দেওয়া হয়েছে গ্রামে।












Click it and Unblock the Notifications