'নারী শক্তি'র সাক্ষী হবে কর্তব্যপথ! পা মেলাবেন বাংলার মধুরিমাও! বিস্তারিত জানলে গর্বিত হবেনই
Republic Day 2024: সাধারণতন্ত্র দিবসে রাইফেল হাতে কর্তব্যপথে প্যারেডে অংশ নিচ্ছেন বাঁকুড়ার মধুরিমা কর্মকার। ছাতনার শুশুনিয়ার বাসিন্দা, বাঁকুড়া সম্মিলনী কলেজের দ্বিতীয় সেমেস্টারের ছাত্রী মধুরিমা গত কয়েকদিন আগেই দিল্লি পৌঁছে গিয়েছেন। সেখানে আরও অনেকের সঙ্গেই পা মেলাবেন বলে জানা গিয়েছে।
দিল্লীর কর্তব্যপথে সাধারণতন্ত্র দিবসের (Republic Day 2024) প্যারেডে মেয়ের অংশগ্রহণে খুশি পরিবার থেকে এলাকার মানুষ প্রত্যেকেই। কলেজ সূত্রে খবর, মধুরিমা কর্মকার এনসিসি বিভাগ থেকে প্যারেডের জন্য সুযোগ পেয়েছেন।

খুবই উদ্যমী ও পরিশ্রমী মধুরিমা দিল্লীর কর্তব্য পথে এস.এল.আর রাইফেল হাতে প্যারেড (Republic Day 2024) করার সুযোগ পেয়েছে। বিষয়টি কলেজের কাছেও অত্যন্ত গর্বের। একই সঙ্গে কলেজ সূত্রে আরও জানানো হয়েছে, এবারের সাধারণতন্ত্র দিবসের প্যারেডের অংশগ্রহণকারীদের বাছাই প্রক্রিয়া ২০২৩ সালের জুন মাস নাগাদ শুরু হয়।
৫৬ নম্বর বেঙ্গল ব্যাটালিয়নের সদস্যা হিসেবে মধুরিমা খড়্গপুরে প্যারেডের (Republic Day 2024)জন্য গ্রুপ সিলেকশনে যোগ দেন। পরে কল্যাণীতে চূড়ান্ত পর্বের সিলেকশন হয়। সেখানেও উত্তীর্ণ হয়ে দিল্লির উদ্দেশে পাড়ি দেন মধুরিমা। এলাকার মানুষ জানিয়েছেন, ছাতনার শুশুনিয়া থেকে দিল্লির কর্তব্যপথ পর্যন্ত এই সফর মোটেই সহজ ছিলনা মধুরিমার কাছে। তাঁর বাবা সন্তোষ কর্মকার পেশায় একজন পাথর শিল্পী।
মা চুমকি কর্মকার গৃহবধূ। সন্তোষ কর্মকার পাথর খোদাই করে নানা সামগ্রী তৈরি করেন, আর তা দিয়েই তাঁদের সংসার চলে। কলেজে ভর্তি হওয়ার পর একেবারে প্রথম দিকে মধুরিমা বাড়ি থেকে বাঁকুড়ায় যাতায়াত করতেন। পরের দিকে পড়াশোনার চাপ ও এনসিসির জন্য বাঁকুড়া শহরেই মেসে থাকতে শুরু করেন।
মধুরিমার বাবা সন্তোষ কর্মকার বলেন, মেয়ে তার মায়ের সহযোগিতায় দিল্লি প্যারেডে গিয়েছে। ওর সাফল্যের জন্য একদিকে যেমন আনন্দিত, অন্যদিকে তেমনি গর্বিতও। শুধুমাত্র নিজের চেষ্টাতে আর কলেজের সহযোগীতায় এতদূর পৌঁছে গেছে। আগামী দিনেও যাতে সাফল্য পায় সেই জন্য প্রত্যেকের সহযোগিতা প্রয়োজন বলে তিনি জানান।
দিল্লিতে থাকায় এন.সি.সি ক্যাডার মধুরিমা কর্মকারের প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে সেখানে সরকারী ব্যবস্থাপনায় সেখানে তিনি থাকছেন বলে জানা গিয়েছে। ৭৫ তম প্রজাতন্ত্র দিবসে কর্তব্যপথে এবার রাজ করবেন মহিলারা। এই প্রথম দেশের তিন বাহিনীতে থাকা মহিলারা অংশ নেবেন।
এমনকি বিমানবাহিনীর মহিলারা পাইলটরাও অংশ নেবেন। আর সেখানে বাংলার মুখ উজ্জল করবেন বাঁকুড়ার মধুরিমা। যা সমস্ত পশ্চিমবঙ্গের মানুষের কাছে গর্বের বলেই মনে করা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications