Bankura: ভয়াবহ ভাঙন শিলাবতীর পাড়ে, অবৈধ বালি উত্তোলন নিয়ে শাসকদলকে দুষছে বিজেপি
Bankura: ক্রমশ এগিয়ে আসছে শিলাবতী (Shilabati River)। ভয়াবহ নদী ভাঙনের (Erosion) মুখে বাঁকুড়ার সিমলাপালের আঁকড়-সাইড়ি-সহ বেশ কয়েকটি গ্রাম। নদীগর্ভ থেকে ধারাবাহিকভাবে বালি উত্তোলনের জেরেই এই ভাঙন বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। ভাঙনের জেরে আতঙ্কের প্রমাদ গুনছেন তারা।
স্থানীয় সূত্রে খবর, শিলাবতী নদীর পাড় বরাবর সিমলাপালের (Simlapal) আঁকড়-সহ সাইড়ি, পুইপাল, নতুনগ্রাম, রঘুনাথপুর, মাদারিয়া, ঝমকা, বাগান, পিঠাবাকড়া, পুটিয়াদহ, জামবনী সহ বেশ কয়েকটি গ্রাম রয়েছে। বিগত কয়েকবছর ধরে নদী ভাঙনের ফলে চরম সমস্যায় ওই এলাকার মানুষ। ইতিমধ্যে সাইড়ি ও আঁকড় গ্রামের মধ্যবর্তী অংশের রাস্তার একাংশ নদীগর্ভে তলিয়ে গিয়েছে।

এদিকে, ভাঙন মোকাবিলায় নিজেরাই উদ্যোগ নিয়ে বাঁশের বেড়া দিয়ে রেখেছেন বলে দাবি গ্রামবাসীদের। স্থানীয় বাসিন্দা সুশোভন সৎপতি, বিশ্বজিৎ সৎপতিরা বলেন, "গত কয়েক বছর আগেও আমাদের গ্রাম থেকে নিরাপদ দূরত্বে শিলাবতী নদীর অবস্থান ছিল। তবে নদী থেকে ধারাবাহিকভাবে বালি উত্তোলনের ফলে ক্রমশ পাড় ভাঙতে শুরু করেছে।"
মানুষের যাতায়াতের রাস্তার একাংশ নদী গিলে ফেলেছে বলে দাবি তাদের। যান চলাচল তো দূর অস্ত, হাঁটাচলাও অসাধ্য হয়ে পড়েছে। অবিলম্বে নদীর পাড় বাঁধানোর উদ্যোগ না নিলে পৃথিবীর মানচিত্র থেকে তাঁদের আঁকড় গ্রাম মুছে যাবে বলে দাবি গ্রামবাসীদের।
এনিয়ে বাঁকুড়া জেলা পরিষদের সভাধিপতি অনসূয়া রায়কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, "আপনাদের কাছেই বিষয়টি জানলাম। এবিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের মন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করব। বালি উত্তোলনের বিষয়টি জানা নেই। তবে গ্রামবাসীদের সমস্যার সমাধান করতে পারলে ভালো লাগবে।"
এদিকে, ভাঙন নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক চাপানউতোর সৃষ্টি হয়েছে। ভাঙনের জন্য শাসকদল তৃণমূল ও প্রশাসনের একাংশ দায়ী বলে দাবি বিজেপির। দলের বাঁকুড়া জেলার সভাপতি সুনীল রুদ্র মণ্ডল বলেন,"তৃণমূলের মদতে ওই এলাকায় অবৈধ বালি কারবারিদের রমরমা হয়েছে। ফলে নদীর গতীপথ পরিবর্তন হচ্ছে।" বিজেপির তরফে গ্রামবাসীদের নিয়ে সিমলাপাল বিএলআরও, বিডিও এবং থানা ঘেরাও করা হবে বলে জানান তিনি।












Click it and Unblock the Notifications