নদীর জলে সেতু ভেসে গিয়েছে, প্রতিদিন বাঁকুড়ায় রেল ব্রিজ দিয়ে ঝুঁকির যাতায়াত

নীচ দিয়ে বয়ে চলেছে দ্বারকেশ্বর নদ। পাশে রেললাইন। রেলসেতুর উপর দিয়েই ঝুঁকির যাতায়াত গ্রামের বাসিন্দাদের। কিন্তু কেন?

বর্ষায় নদীর জলের গতিতে প্রায় প্রতি বছর কজওয়ে সেতু ভেঙে ভেসে যায়। ফলে দুই পারের বাসিন্দারা যাতায়াত করতে পারেন না। অনেক ঘুরে যাতায়াত করতে হয়৷ সেজন্য ঝুঁকি থাকলেও রেলসেতুর উপর দিয়েই নদী পারাপার করে গ্রামের লোকজন। এই ঘটনা বাঁকুড়ার ওন্দা ব্লক এলাকার।

রেল দফতরের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তবু সেই সব অমান্য করে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করেন রেল ব্রিজ দিয়েই। বাঁকুড়া ২ ব্লক এলাকার দ্বারকেশ্বর নদীর ভাদুল - সূর্পানগর রেল ব্রিজ আতঙ্কের কারণ।

এই সেতু দিয়ে যাতায়াত না করলে ওপারের ওন্দা ব্লক এলাকার অন্তত ৩০ টি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ সমস্যার সামনে পড়ে যাবে। ধলডাঙা মোড় দিয়ে প্রায় ১২ কিলোমিটার ঘুরে বাঁকুড়া শহরে আসতে হবে। প্রতি দিন এভাবে যাতায়াত করা কার্যত অসম্ভব। সময় ও অর্থ দুইই খরচ হয় এর ফলে।

ফি বছর এই রেল ব্রিজে দুর্ঘটনা ঘটে। এবারও যে কোনও সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। দ্রুত গতিতে চলে আসতে পারে ট্রেন। সেই সব জেনে বুঝেও একমাত্র রুটিরুজির টানে মাত্র কয়েক কিলোমিটার দূরের বাঁকুড়া শহরে এই রেল ব্রিজ দিয়েই যাতায়াত করতে হচ্ছে একটা বড় অংশের মানুষদের। ওই তালিকা থেকে বাদ যাননি ওই এলাকার সাধারণ পড়ুয়াও।

প্রসঙ্গত, এলাকার মানুষের দাবি মেনে ২০১৬ সালে প্রায় কোটি টাকা খরচ করে দ্বারকেশ্বর নদীর উপর কজওয়ে তৈরি করা হয়। কিন্তু ফি বছর বর্ষায় সেই কজওয়ে জলের তোড়ে ভেঙে পড়ে। জোড়াতালি দিয়ে সারাইয়ের কাজ হয়। বর্ষার দিনে কোনওমতেই যাতায়াত করা যায় না। ফলে যাতায়তের ভরসা বলতে সবেধন নীলমনি ওই রেল ব্রিজ।

স্থানীয়দের দাবি, কজওয়ে তৈরির সময় স্থায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছিল। পরে সেতু তৈরির প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। উদ্বোধনের আগেই জলের তোড়ে ভেঙে যায় নবনির্মিত কজওয়ে। প্রথম কয়েক বছর বর্ষার পর সংস্কার হয়েছিল। গত বছর থেকে আর তাও হয়নি। ফলে জীবন জীবিকার স্বার্থে বর্ষার দিন গুলিতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই রেল ব্রিজই একমাত্র ভরসা। এমনই জানিয়েছেন বাসিন্দারা।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+