Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

রাজ্যের জলাধারের ছাড়া জলের তলায় বিঘার পর বিঘা জমির ফসল! কৃষকদের কাঠগড়ায় মমতার সরকার

কংসাবতী জলাধার থেকে ছাড়া জলে নষ্ট হতে বসেছে বিঘার পর বিঘা চাষের জমি, চরম সমস্যার মুখে রাইপুর ব্লক এলাকার কাঁটাপাল, পাটমৌলি, বাঁদরবনি, আমলাপাল গ্রাম এলাকার মানুষ। এই রায়পুর ব্লক পিছিয়ে পড়া হিসেবে পরিচিত জঙ্গলমহলের অংশ।

প্রায় শিল্পবিহীন, কৃষি নির্ভর জেলা হিসেবেই পরিচিত বাঁকুড়া। চাষাবাদ করেই সংসার চলে এখানকার একটা বড় অংশের মানুষ। সাম্প্রতিক প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে ক্ষতি যা হওয়ার হয়েছে, এবার কংসাবতী জলাধার থেকে অতিরিক্ত জল ছাড়ার ফলে বিঘার পর বিঘা ধান, সরষে, আলু, মুসুর সহ অন্যান্য মরশুমী ফসল নষ্ট হতে বসেছে বলে ওই এলাকার কৃষিজীবি মানুষরা অভিযোগ করেছেন।

 Bankura

কাঁটাপাল গ্রামের বাসিন্দা, পেশায় কৃষক চন্দন পাল, নব সর্দাররা বলেন, দীর্ঘ দিন কংসাবতী সেচ খালের সংসার হয়নি। সরকারি আধিকারিক এবং শাসকদলকে জানিয়েও কোনও ফল পাওয়া যায়নি। ফলে ওই মজে যাওয়া সেচ খাল দিয়ে আসা জলে ডুবে যাচ্ছে প্রায় ৩০০ বিঘা জমির ধান, আলু, সরষে, মুসুর, বাদাম-সহ অন্যান্য সব্জি। এই অবস্থায় দ্রুততার সঙ্গে কংসাবতী সেচ প্রকল্প থেকে জল ছাড়ার পরিমাণ না কমালে ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়বে বলেই তারা জানিয়েছেন।

যদিও এবিষয়ে কংসাবতী সেচ প্রকল্পের আধিকারিকদের কোন প্রতিক্রিয়া মেলেনি। বর্ষার সময় মুখ্যমন্ত্রী জল ছাড়ার জন্য ডিভিসিকে দায়ী করেন। কিন্তু রাজ্য সরকারের অধীনে থাকা কংসাবতী জলাধার থেকে ছাড়া জলে কৃষকদের ক্ষতি নিয়ে তৃণমূলেরও কোনও প্রতিক্রিয়া আপাতত পাওয়া যায়নি।

প্রসঙ্গত উল্লেখ করা প্রয়োজন পিছিয়ে পড়া এই এলাকার মানুষেরা সাধারণভাবে ঋণ করে চাষআবাদ করেন। এরপর ফসল বিক্রি করে সেই ঋণের টাকা শোধ করেন। সেই পরিস্থিতিতে যদি জলের তলায় পড়ে ফসল নষ্ট হয়, তাহলে মানুষগুলির সামনে না খেতে পেয়ে মরা ছাড়া কোনও রাস্তাই আর খোলা থাকে না।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+