Bankura: শাড়িতে রামায়ণ, পুজো স্পেশাল বিষ্ণুপুরের স্পেশাল বালুচরীর দাম কত জানেন?
শারদোৎসবে শাড়ি ছাড়া বঙ্গ ললনার সাজ যেন অসম্পূর্ণ। তবে পূজো পার্বণে শাড়িপ্রেমীদের অন্যতম পছন্দ বিষ্ণুপুরের বালুচরী। এর আগে শিল্পী অমিতাভ পাল বালুচরী শাড়ির মধ্যে আদিবাসী সংস্কৃতি, শকুন্তলার কাহিনী তুলে ব্যাপক সাফল্য পেয়েছেন, এবার তাঁরই হাত ধরে বিষ্ণুপুরের ঐতিহ্যবাহি সেই বালুচরী শাড়িতে ফুটে উঠলো 'সাতকাণ্ড' রামায়ণ।
বিষ্ণুপুর শহরের কৃষ্ণগঞ্জের বাসিন্দা, বালুচরী শিল্পী ও এই কাজের স্রষ্টা অমিতাভ পাল জানিয়েছেন, এক একটি শাড়ি তৈরী করতে সময় লেগেছে অন্তত ৩০ থেকে ৩৫ দিন। ফলে দামও বেড়েছে বেশ খানিকটা। প্রতিটি শাড়ির দাম রেখেছেন ৩৫ হাজার টাকা।

কিন্তু কি রয়েছে এবারের এই শাড়িতে? এর উত্তরে শিল্পী অমিতাভ বলেন, জটায়ুর প্রতিচ্ছবির পাশাপাশি তাড়কা রাক্ষসী বধ, খঞ্জনী বাজাচ্ছেন বীর হনুমান, রামের হরধনু ভঙ্গ ও সীতার অগ্নি পরীক্ষা রয়েছে শাড়ির গায়ে। এছাড়াও আঁচলে রয়েছে লব কুশের দ্বারা যজ্ঞের ঘোড়া আটকানো ও তাদের পঠন পাঠন। দু'পাশের কল্গাতে রয়েছে, রামের বনবাস ও সীতা হরণের ছবি, মাঝখানে বড় আকারে রয়েছে সীতা হরণের সময় রাবনের দ্বারা জটায়ুর ডানা কাটার দৃশ্য।
তবে বালুচরীর এই ঘুরে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে তন্তুজের ভূমিকার কথা কৃতজ্ঞ চিত্তে স্মরণ করেন তিনি। তাঁর কথায়, তন্তুজ এভাবে পাশে না দাঁড়ালে কখনোই এই কাজ সম্ভব হতোনা। একটা সময় যাঁরা এই কাজ থেকে সরে বিকল্প পেশায় গিয়েছিলেন, এখন তারাই ফের এই কাজে ফিরছেন। এমনকি দক্ষ শিল্পীর উদ্দেশ্যে বিষ্ণুপুর কেজি ইঞাজিনিয়ারিং কলেজে ডিজাইন সেন্টার খোলা হয়েছে বলে তিনি জানান।
এবার শিল্পী অমিতাভ পাল সাত কাণ্ড রামায়ণের ছবি সম্বলিত পাঁচটি ভিন্ন রঙের শাড়ি থৈরী করেছেন। যার মধ্যে ৪ টি শাড়ি ইতিমধ্যে তিনি বিক্রি করে দিয়েছেন। একটি শাড়ি এখনও তাঁর কাছে রয়েছে বলেই খবর।












Click it and Unblock the Notifications