ওয়ানইন্ডিয়ার খবরের জের! অশ্লীল শব্দের বিজ্ঞাপন সরাল পুরসভা
সাংস্কৃতিক পীঠস্থান হিসেবে পরিচিত রয়েছে বাঁকুড়া শহরের। আর সেই শহরের বুকেই 'অশ্লীল' শব্দ যুক্ত বিজ্ঞাপনী হোর্ডিং লাগানোকে কেন্দ্র করে তৈরি হয় বিতর্ক। এক নয়, শহরের একাধিক জায়গাতে এই হোডিংগুলি লাগানো হয়। যা দেখে অনেকেই প্রশ
বড়সড় সাফল্য 'ওয়ান ইণ্ডিয়া বাংলা'র। সাংস্কৃতিক পীঠস্থান হিসেবে পরিচিত রয়েছে বাঁকুড়া শহরের। আর সেই শহরের বুকেই 'অশ্লীল' শব্দ যুক্ত বিজ্ঞাপনী হোর্ডিং লাগানোকে কেন্দ্র করে তৈরি হয় বিতর্ক। এক নয়, শহরের একাধিক জায়গাতে এই হোডিংগুলি লাগানো হয়। যা দেখে অনেকেই প্রশ্ন তুলতে শুরু করে।

আর এরপরেই এই খবর প্রকাশিত হয় 'ওয়ান ইণ্ডিয়া বাংলা'য়। কীভাবে সাংস্কৃতিক পীঠস্থান হিসেবে পরিচিত এমন এক শহরে এই বিজ্ঞাপনগুলি লাগানো হল সেই প্রশ্ন তোলে ওয়ান ইন্ডিয়া বাংলা!
আর তারপরেই নড়েচড়ে বসে প্রশাসন ও বাঁকুড়া পুরসভা। খবর প্রকাশের মাত্র কয়েক ঘন্টার মধ্যেই প্রশাসনিক তৎপরতা শুরু হয়ে যায়। 'অশ্লীল' শব্দ যুক্ত বেনামী বিজ্ঞাপনী হোর্ডিংগুলি রাতারাতি খুলে ফেলা'র কাজ শুরু হল। কিন্তু প্রশ্ন হল কীভাবে নজর এড়িয়ে এই হোডিংগুলি লাগানো হল? তবে শুধু বাঁকুড়া শহরই নয়, বাংলার বিভিন্ন জায়গাতে এহেন হোডিং লাগানো হয়েছে । তবে কোন সংস্থার এই হোডিং তা এখনও স্পষ্ট নয়।

প্রসঙ্গত, বাঁকুড়া'র লখ্যাতড়া শ্মশান, কোর্ট কম্পাউণ্ডের সামনের রাস্তা, তামলিবাঁধ, কেরানীবাঁধ, ভৈরবস্থানের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা গুলির পাশে অশ্লীল বাক্য যুক্ত একাধিক হোর্ডিং ঝোলানো হয়। খবর সামনে আসতেই তা প্রথম তুলে ধরে একমাত্র ওয়ান ইন্ডিয়া বাংলা। তারপরই এর তীব্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয় শহরজুড়ে। লাল ব্যানারের উপর সাদা হরফে লেখা এই সব শব্দ যুক্ত বিজ্ঞাপনে।
একি শুধুই বিজ্ঞাপনী চমক? নাকি অশ্লীল শব্দ প্রয়োগ করে সাধারণ মানুষের নজর টানতে বিজ্ঞাপনী চমক! নানা মহলে তা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। বাঁকুড়ার মতো শিক্ষা, সংস্কৃতিতে একেবারে প্রথম সারীতে থাকা বাঁকুড়া শহরে এই বিজ্ঞাপনী চমকের আড়ালে অশ্লীল শব্দের ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন আমজনতা।
এ প্রসঙ্গে বাঁকুড়া সদর মহকুমাশাসক সুশান্ত কুমার ভক্ত গোটা ঘটনার নিন্দা করে উপযুক্ত পদক্ষেপের কথা জানান। তিনি এই বিষয়ে বলেন, কে বা কারা এই হোর্ডিং লাগিয়েছে জানা যায়নি। এই ধরণের শব্দ ব্যবহার ঠিক হয়নি। সেইসঙ্গে কে বা কারা এরকম কুরুচিকর বিজ্ঞাপনী হোর্ডিং লাগিয়েছিল তা পুলিশকে তদন্ত করে দেখতে বলা হয়েছে বলে তিনি জানান।
অন্যদিকে বাঁকুড়া পুরসভা'র উপপুর প্রধান হীরালাল চট্টরাজ জানিয়েছেন, এরকম কুরুচিকর বিজ্ঞাপন লাগাতে নাকি পৌরসভার কোনও অনুমতিই নেওয়া হয়নি। কুরুচিকর ঐ শব্দ ব্যবহারকে কখনওই তাঁরা সমর্থন করেন না। তবে কে বা কারা কী উদ্দেশ্য নিয়ে এহেন কথা দিয়ে এই ব্যাপারগুলো টানিয়েছিল তা নিয়ে শুরু হয়েছে বিস্তারিত তদন্ত।












Click it and Unblock the Notifications