elephant: ৬৯ টি হাতি দাপিয়ে বেড়াচ্ছে বাঁকুড়ার বেলিয়াতোড়ে, বিঘের পর বিঘে ফসলের খেত নষ্ট
এ এক ভয়ানক দৃশ্য। কখনও রাস্তার উপর দিয়ে হেঁটেচলে বেড়াচ্ছে। আবার বেশিরভাগ সময়েই হানা দিচ্ছে খেতের ফসলে। জঙ্গল থেকে দলে দলে বেরিয়ে এসেছে তারা। হাতির পাল নিয়ে এখন কার্যত আতঙ্কে বাঁকুড়ার বেলিয়াতোড় রেঞ্জ এলাকার বাঁদরকোন্দা গ্রামে।
একটি দুটি নয়, গোটা এলাকা জুড়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ৬৯ টি হাতি। একাধিক দলে ভাগ হয়ে আছে তারা। যা ইচ্ছে তাই করে বেড়াচ্ছে, এই দামাল হাতিরা। খেতের ফসল পাড়িয়ে, খেয়ে নষ্ট করছে৷ হানা দিচ্ছে লোকালয়েও। ফলে আতঙ্কে কাটাচ্ছেন গ্রামের বাসিন্দারা।

সোমবার সকালে সাধারণ মানুষ রাস্তায় নেমেছেন। বাঁকুড়া - বর্ধমান ভায়া সোনামুখী - বেলিয়াতোড় রাস্তা অবরোধ করেন তারা। হাতির হানা রুখতে হবে প্রশাসন ও বন দফতরকে। এই দাবি করা হয়েছে। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে প্রশাসন সেখানে যায়। বন দফতরের আধিকারিকরাও অবরোধকারীদের সঙ্গে কথা বলেন।
সাধারণ মানুষের বক্তব্য, বন দফতর হাতি তাড়ানোয় কোনও ব্যবস্থাই করছে না। প্রশাসনও নির্বিকার৷ মানুষজনের ক্ষতিতে মাথায় হাত পড়ছে। এদিকে তারা কোনওভাবেই হাতি তাড়ানোয় ব্যবস্থা নিচ্ছে না। এদিন প্রশাসন ও বন দফতর আশ্বাস দেয়। এরপরেই অবরোধ তোলে সাধারণ মানুষ।
বন দফতর সূত্রে খবর, এই মুহূর্তে বড়জোড়া রেঞ্জের পাবয়া মৌজায় ৪৩ টি, সাহারজোড়ায় ১ টি, বেলিয়াতোড় রেঞ্জের সরগড়াতে ২৫ টি মিলিয়ে মোট ৬৯ টি হাতি রয়েছে। এই ৬৯ টি হাতি গোটা এলাকা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। জঙ্গল ছেড়ে তারা বেরিয়ে পড়ছে এলাকায়। রাস্তা দিয়ে হেঁটেচলে বেড়াচ্ছে।
হানা দিচ্ছে ফসলের খেতে। বিঘের পর বিঘে ফসল রয়েছে মাঠে। সেখানে দল বেঁধে নেমে পড়ছে। বাচ্চা- বুড়ো, মেয়ে-মরদ প্রায় সব বয়সের হাতিই আছে সেখানে। মাঠের ফসল খেয়ে ফাঁক করছে। ছড়িয়ে নষ্ট করছে। এই এলাকার বাসিন্দারা মূলত চাষাবাদের সঙ্গে যুক্ত। ফলে এমন ঘটন্য তারাও প্রবল সমস্যায়। অনেকটাই আর্থিক ক্ষতি হবে তাদের।
শুধু তাই নয়, হাতির দল গ্রামে হানা দিতে পারে। সেই আশঙ্কাতেও রাতে ঘুম ছুটেছে বাসিন্দাদের। বন দফতর কোনও ব্যবস্থাই নিচ্ছে না বলে অভিযোগ। যদিও এবার পুলিশ - প্রশাসন আশ্বাস দিয়েছে। কিন্তু এত হাতিকে কোথায় কীভাবে তাড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হবে? সেই প্রশ্নও উঠছে।












Click it and Unblock the Notifications