৩০-৩৫ লক্ষ গাছ লাগানো হবে বাঁকুড়ায়, গরম কমাতে উদ্যোগ?
গরম কমাতে, পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে গাছ লাগাতে হবে। গাছের কোনও বিকল্প নেই। সেই উদ্যোগ নেওয়া হল বন বিভাগের পক্ষ থেকে। মুখ্য বনপাল (মধ্য) নিজে এই কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন। বাঁকুড়া জেলায় ৩০ থেকে ৩৫ লক্ষ গাছ লাগানো হবে। এই কথা জানালেন তিনি।
জ্বালা ধরানো গ্রীষ্ম বাংলার দক্ষিণবঙ্গ দেখেছে এবার। বাঁকুড়া জেলায় তীব্র তাপপ্রবাহ চলেছে দিনের পর দিন। ৪০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডের উপর দীর্ঘ সময় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা গ্রীষ্মকালে বাঁকুড়ার থেকেছে। সেজন্য রাঢ় বাংলার জনজীবন কার্যত অসহায় হয়ে পড়েছিল। বৃষ্টির দেখা খুব একটা মেলেনি।

বাঁকুড়ার আবহাওয়া বদল করতে প্রচুর পরিমাণে বড় গাছ লাগাতে হবে। এই দাবি উঠছিল বিভিন্ন মহলে। এবার সেই উদ্যোগ শুরু হল৷ স্কুল কলেজ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে গাছ লাগানো হবে। এছাড়াও সাধারণ জনবসতিপূর্ণ এলাকাতেও গাছের চারা লাগানো হচ্ছে।
বন মহোৎসব কর্মসূচি চলছে বাঁকুড়ায়। সোমবার রবীন্দ্রভবনে প্রদীপ জ্বালিয়ে এই কর্মসূচির সূচণা করেন রাজ্যের মন্ত্রী জ্যোৎস্না মাণ্ডি। উপস্থিত ছিলেন জেলাশাসক সিয়াদ এন, পুলিশ সুপার বৈভব তিওয়ারি, বন দফতরের মধ্য চক্রের মুখ্য বনপাল এস. কুলান ডাইভাল, জেলা পরিষদের সভাধিপতি অনসূয়া রায় সহ অন্যান্যরা।
এদিন অনুষ্ঠান শুরুর আগে স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়। একই সঙ্গে এদিন মন্ত্রী জ্যোৎস্না মাণ্ডি ও মধ্য চক্রের মুখ্য বনপাল এস. কুলান ডাইভাল আলাদা আলাদাভাবে দু'টি চারা গাছ রোপন করেন।
বন দফতর মধ্য চক্রের মুখ্য বনপাল এস. কুলান ডাইভাল বলেন, সবুজ বাঁকুড়া তৈরির লক্ষ্য রয়েছে। চলতি বছরে জেলা জুড়ে ৩০ থেকে ৩৫ লক্ষ চারা গাছ লাগানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়াও বন দফতরের পক্ষ থেকে জেলার মানুষের হাতে গাছ তুলে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
অনেক জায়গাতেই গাছ নষ্ট করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সেই সব যাতে না হয়, এ জন্য সাধারণ মানুষকে বোঝানো হয়েছে। গাছের প্রয়োজনীয়তা সাধারণ মানুষ উপলব্ধি করেছে। এ কথাও জানানো হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications