চিকিৎসার গাফিলতিতে মারা গেলেন প্রসূতি? দুর্গাপুরের হাসপাতালের সামনে তুলকালাম
রোগীর বাড়ির আত্মীয়রা সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে হামলা চালিয়েছিল৷ তার জেরে সোমবার থেকে ফের কর্মবিরতিতে যাচ্ছেন সরকারি হাসপাতালের জুনিয়র চিকিৎসকরা। এদিকে শনিবার রাতে তুলকালাম দুর্গাপুরের এক বেসরকারি হাসপাতালের সামনেও।
চিকিৎসার গাফিলতিতে রোগীনির মৃত্যুর অভিযোগ। তার জেরে হাসপাতালের বাইরে বিক্ষোভ, অবস্থান চলল। মৃত্যুর দায় কে নেবে? ছোট সন্তান আছে মৃতার। তাদের আগামী দিনে কী হবে? সেই প্রশ্ন উঠল। প্রসবের সময় ভুল হয়েছে চিকিৎসকদের। এমনই অভিযোগ রোগীর বাড়ির লোকেদের।

প্রসবের সময় কাটল প্রসূতির মূত্রথলি। ফলে মৃত্যু হল প্রসূতি মহিলার। এই অভিযোগ তুলে দুর্গাপুরের শোভাপুরের বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সামনে বিক্ষোভ। ক্ষোভে ফেটে পড়ল পরিবার-পরিজনেরা। শনিবার আনুমানিক রাত সাড়ে দশটায় এই উত্তেজনা শুরু হয়।
মূল প্রবেশদ্বার বন্ধ করে শুরু হয় বিক্ষোভ। ছড়িয়ে পড়ে উত্তেজনা। পরিস্থিতি সামাল দিতে পৌঁছায় দুর্গাপুর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী এবং কমব্যাট ফোর্স। মৃতা প্রসূতির নাম ইসরাত জাহান (২৮)। বেনাচিতির মসজিদ মহল্লায় এলাকার বাসিন্দা।
পরিবার পরিজনদের অভিযোগ, চলতি মাসের ২০ তারিখ সন্তান প্রসবের জন্য শোভাপুরের বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় ইসরাত জাহানকে। ২১ তারিখ সন্তান প্রসবের জন্য অস্ত্রপ্রচার করা হয়। তখনই ভুল অস্ত্রোপচার করে ইসরাতের মূত্রথলি কেটে দেন চিকিৎসকরা।
সন্তান সুস্থ থাকলেও শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে ইসরাতের। তারপর থেকে টালবাহানা করতে থাকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। ইসরাতের কিডনি ফেল করে। সুগার, প্রেশার বেড়ে গিয়েছে বলা হয়। শনিবার সন্ধ্যায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলে ইসরাতের মৃত্যু হয়েছে।
ভুল চিকিৎসা করে কেন মেরে দেওয়া হল ইসরাতকে? তার জবাব দিতে হবে। ইসরাতের আরও দুই সন্তান রয়েছে। তাদের ভবিষ্যতের জন্য পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি তোলা হয়। তুমুল বিক্ষোভে নামেন পরিবার - পরিজনেরা এবং এলাকাবাসীরা। পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।












Click it and Unblock the Notifications