Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

"বাপকে গিয়ে বল এফআইআর করতে"! কালনার চেয়ারম্যান আনন্দের বক্তব্যে অস্বস্তিতে তৃণমূল, প্রকাশ্যে আরও গুরুতর অভিযোগ

Kalna Incident: কালনা পুরসভার চেয়ারম্যান আনন্দ দত্তের জন্য অস্বস্তি বাড়ছে তৃণমূলের। রাজবাড়িতে কর্তব্যরত নিরাপত্তারক্ষীর উপর হামলা চালানো ও গালাগালাজের অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়রা যখন নম্রভাবে মানুষের পাশে থেকে জনপ্রতিনিধিদের কাজ করার নির্দেশ দিচ্ছেন, সেখানে আনন্দ দত্ত হাঁটছেন উল্টোপথে।

Kalna Incident

লোকসভা নির্বাচনের আগে কালনায় দলের সাংগঠনিক বৈঠকে অভিষেক বলে গিয়েছিলেন, দলকে লিড দিতে না পারলে বোর্ড ভেঙে দেবেন। পুরসভায় কাজে গাফিলতি-সহ আনন্দ দত্তের বিরুদ্ধে একঝাঁক অভিযোগ গিয়েছে তৃণমূলের শীর্ষস্তরে। লোকসভা ভোটে কালনায় ব্যাপক লিড পায় বিজেপি।

তাতেও যে আনন্দ দত্ত দমেননি, নিজেকে শোধরাননি তার প্রমাণ উল্টোরথের দিন কালনা রাজবাড়ির ঘটনা। লালজি মন্দিরে ভোগ খাওয়ানোর বন্দোবস্ত ছিল। সেখানেই টোটো করে জল ঢোকাতে যান আনন্দ। ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণের নিয়ম ভেঙে। তাতে বাধা দেন নিরাপত্তারক্ষীরা।

এরপরই আনন্দ নিরাপত্তারক্ষীকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন। তাঁকে মারধর করতে যান। ভাইরাল ভিডিওতে তা দেখা গিয়েছে। অনুগামীদের নিয়ে আনন্দ মোবাইলে তোলা বেশ কিছু ফুটেজ ডিলিট করান বলে অভিযোগ। এরই মধ্যে আজ সামনে এলো আরেকটি ভাইরাল ভিডিও।

এই ভিডিওটিতে (যার সত্যতা ওয়ানইন্ডিয়া বাংলা যাচাই করেনি) আনন্দ আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়ার এক আধিকারিককে বলেন, বাপকে গিয়ে বল আমার নামে থানায় এফআইআর করতে! এমন বক্তব্যে প্রভাবশালী আনন্দ বোঝাতে চেয়েছেন, পুলিশ কী করবে তাও তিনিই নিয়ন্ত্রণ করেন।

ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণের তরফে গোটা ঘটনাটি জানানো হয়েছে পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসককে। কালনা থানাতেও পুরপ্রধানের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। পুরপ্রধানের আচরণের দায় দল নেবে না বলে জানিয়ে দিয়েছেন বিধায়ক দেবপ্রসাদ বাগ।

আনন্দ দত্তের আচরণ দেখে দলের শীর্ষস্তরের নির্দেশের অপেক্ষায় রয়েছেন তৃণমূলের জেলা সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়। আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়া সূত্রে খবর, সমস্ত নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে আনন্দ রাজবাড়ির ঠিক পাশেই বেআইনি নির্মাণ করেছেন- এই অভিযোগে আগেও থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছিল।

শুধু তাই নয়, লালজি মন্দিরে নিকাশি ব্যবস্থার সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে মন্দিরকে রক্ষা করতে ২০১৩-১৪ অর্থবর্ষে কালনা পুরসভাকে এএসআই ২৮ লক্ষ টাকা দিয়েছিল। কিন্তু যেভাবে নিকাশি ব্যবস্থা তৈরির দরকার ছিল তা হয়নি বলে অভিযোগ।

যার ফলে জল জমলে তা বের হতে পারে না। তাতে মন্দিরের দেওয়াল, অলঙ্করণের ক্ষতি হচ্ছে। এমনকী ওই ২৮ লক্ষ টাকার ৮০ শতাংশ খরচের হিসেব এএসআইকে দেওয়া হলেও ২০ শতাংশের হিসেব এখনও দেওয়া হয়নি বলে খবর। আনন্দ দত্তকে তা জানিয়ে লাভ হয়নি বলেও দাবি এএসআই সূত্রের।

এএসআই কর্তাদের সাফ কথা, মন্দিরে পুজো-পাঠের বিরোধিতা আমরা করি না। কিন্তু যেভাবে একজন পুরসভার চেয়ারম্যান নিয়ম ভাঙলেন এবং তাতে বাধা দিতে গিয়ে নিগৃহীত হতে হলো নিরাপত্তারক্ষীকে তা কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। থানায় গিয়ে এফআইআর করলেও যে কিছুই হবে না, আনন্দের এই মনোভাবের পর দল কিংবা পুলিশ কোন পদক্ষেপ করে সেদিকেই তাকিয়ে সকলে। পুরপ্রধানের এই ভূমিকায় দল অযথা বিড়ম্বনায় পড়ছে বলে মনে করছেন নীচুতলার কর্মী-সমর্থক, এমনকী কাউন্সিলররাও।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+