আবাস যোজনায় কেন মোদীর ছবি? কেন্দ্রীয় সরকারকে আক্রমণে মমতা
কোচবিহারের সভা থেকেও কেন্দ্রীয় বঞ্চনার কথা তুলে ধরলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথাতে উঠে এল সিএএ প্রসঙ্গ। তিনি থাকতে কোনও মানুষকেই রাজ্য থেকে সরানো যাবে না। তাদের নাগরিকত্ব কাড়া যাবে না। এমনই বার্তা দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। বিজেপি যাতে এবার জিততে না পারে। সেজন্য ভোটের আহ্বানও করলেন মমতা।
বিজেপি কেন্দ্রে সরকারে আসার পর থেকেই বাংলার উপর অত্যাচার হচ্ছে। বাংলার মানুষের জীবনযাত্র নষ্ট করে দিতে চাইছে। রাজ্যের থেকে ৬ লক্ষ ৮০ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব বিজেপি সরকার এখন অবধি নিয়েছে। বাংলা কেন্দ্রের কাছ থেকে এক লক্ষ ৭০ হাজার টাকা পায়। কিন্তু সেই টাকা কেন্দ্র দিচ্ছে না। আরও একবার এই অভিযোগ করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

কোচবিহারের মঞ্চ থেকে আক্রমণাত্মক বক্তব্য রাখলেন তৃণমূল নেত্রী। আবাস যোজনায় কেন্দ্রীয় সরকার ৬০ শতাংশ দেয়। রাজ্য সরকার ৪০ শতাংশ টাকা দেয়, জায়গায় দেয়। তাহলে কেন প্রধানমন্ত্রীর ছবি থাকবে? প্রশ্ন তোলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধু তাই নয়, রেশনের সামগ্রী রাজ্য সরকার দেয়। সেখানেও প্রধানমন্ত্রীর ছবি থাকবে! সেই বিষয় নিয়ে রীতিমতো ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তৃণমূল নেত্রী।
আবাস যোজনার টাকা আটকে রাখা হয়েছে। রাস্তার টাকা বন্ধ। একশো দিনের কাজের পাওয়া টাকা কেন্দ্রীয় সরকার দিচ্ছে না। বাংলার প্রতি বঞ্চনা দিন দিন বাড়ছে। বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন চলবেই। সে কারণেই বিজেপিকে ভোট না দেওয়ার কথা বলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
আরও একবার সিএএ বিষয় নিয়ে প্রতিবাদ করেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। তিনি কিছুতেই রাজ্যে এই আইন চালু করতে দেবেন না। যারা নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করবেন। তারা সমস্যায় পড়বেন। নাগরিকের অধিকার থেকে তাদের বঞ্চিত করা হবে। আধার কার্ড কাজ করবে না। সরকারি পরিষেবা থেকে তারা বঞ্চিত হবেন। শুধু তাই নয়, রাজ্যের বিভিন্ন প্রকল্প লক্ষ্মীর ভান্ডার, কন্যাশ্রী, যুবশ্রী থেকেও বঞ্চিত হবেন সাধারণ মানুষ।
সাধারণ মানুষের পাশে সব সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রয়েছেন। "সুখের দিনে কুহু কুহু করি না। দুঃখের দিনে সঙ্গে থাকি।" এমনই বার্তা দিয়েছেন মমতা সিএএর পরে এনআরসি আসবে। সিএএ মাথা হলে, এনআরসি ল্যাজা। এমনই কটাক্ষ করেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications