কেন্দ্রীয় বাহিনীর টহল, সঙ্গে থাকলেন জলপাইগুড়ি কোতোয়ালি থানার আইসি
নিজের ভোট নিজে দিতে পারেন কি? গতবার ভোটের সময় ভোটের কি কেউ ধমক চমক দিয়েছিল? এবার ভোটে কেউ কি ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে?
নির্বাচন কমিশনের উপর আস্থা ফেরাতে কেন্দ্রীয় বাহিনী সঙ্গে নিয়ে গ্রামে ঘুরলেন আইসি। গ্রামবাসীদের কাছে এই প্রশ্নই করে বেড়ালেন জলপাইগুড়ি কোতোয়ালি থানার আই সি সঞ্জয় দত্ত।

পঞ্চায়েত ভোটে বুথ দখল, ছাপ্পা ভোট, মারপিট ইত্যাদি দেখে বিষিয়ে গিয়েছিল বহু সাধারণ মানুষের মন। আস্থা ফেরাতে কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে গ্রামে গ্রামে টহল দিলেন খোদ আই সি। এবার ভোটের আগে আশ্বস্ত করলেন সাধারণ মানুষকে।
আর কয়েক মাস পরেই লোকসভা নির্বাচন। এই মার্চ মাসের মাঝামাঝি নির্বাচনের দিনক্ষণও ঘোষণা হয়ে যাবে। রাজ্যে নির্বাচন কমিশনের বেঞ্চ আসছে। এদিক কেন্দ্রীয় বাহিনীর কিছু অংশ এসে গিয়েছে বাংলায়। এবারের লোকসভা নির্বাচনে যাতে কোনও হিংসা না হয়, সেজন্য আগাম ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। রাজ্যের একাধিক জেলায় এসে গিয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী।
জলপাইগুড়ি জেলাতেও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন হয়েছে। তারা রুটমার্চ শুরু করে দিয়েছে। রবিবার সকালেও কোতোয়ালি থানা এলাকায় বাহিনী টহল দিতে বেরোয়। আর সেখানে নিজে উপস্থিত ছিলেন থানার আইসি
সঞ্জয় দত্ত। মানুষের আস্থা রাখার চেষ্টা হয়। জন সংযোগ করা হয় সাধারণ মানুষের সঙ্গে।
গ্রামের সাধারন মানুষের সঙ্গে মিশে গিয়ে জানবার চেষ্টা করলেন তাঁদের মনের কথা। একসঙ্গে এত পরিমাণ কেন্দ্রীয় বাহিনী দেখে মনে সাহস এল গ্রামবাসীদের। তাঁরাও মন খুলে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলে। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে মারপিট, বুথ দখল, ছাপ্পা ভোট ইত্যাদি দেখে ভয়ভীতি ছিলো মানুষের মনে। সেই কথা জানানো হয়।
গৌতম দে নামে এক গ্রামবাসী জানালেন, গত পঞ্চায়েত নির্বাচন দেখে মনে ভয় ছিল। কিন্তু এবার ভোট ঘোষনার এত আগে থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর তৎপরতা দেখে মনে সাহস পেলাম। এবার মনে হচ্ছে লোকসভা ভোট আসন্ন। ভোট শান্তিপূর্ণ হবে।
ভবানী শীল নামে অপর এক গ্রামবাসী জানালেন, পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর লোকেরা এসেছিল। আমাদের প্রশ্ন করল।জিজ্ঞেস করল, আমরা কি আগের বার নিজের ভোট নিজে দিতে পেরেছিলাম? এবার কেউ কি ভয় দেখাচ্ছে? খুব ভালো লাগলো। আমরাও আমাদের মনের কথা খুলে বললাম। সব দেখে মনে হচ্ছে এবার শান্তিপূর্ণ ভোট হবে।












Click it and Unblock the Notifications