দেশকে রাস্তা দেখাক বাংলা! উত্তরবঙ্গ থেকে নাম না করে বিজেপিকে নিশানা রাহুল গান্ধীর
রাগ ও ঘৃণা হিংসার দিকে নিয়ে যায়। বিদ্বেষ ও হিংসা দিয়ে কোনও দেস এগিয়ে যেতে পারে না। এদিন উত্তরবঙ্গে এমনটাই মন্তব্য করলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রার পনেরোতম দিনে জনসমাবেশে ভাষণ দিতে গিয়ে রাহুল গান্ধী বাংলার জনগণকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় তাঁরা যেভাবে দেশকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, সেইভাবেই এগিয়ে আসুন। ঘৃণার বিরুদ্ধে লড়াই করুন এবং দেশকে ঐক্যবদ্ধ করুন।
যারা এক ধর্মের মানুষকে অন্য ধর্মের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে লিপ্ত করছেন কিংবা এক ভাষার লোকেদের অন্য ভাষার বিরুদ্ধে কিংবা এক রাজ্যের সঙ্গে অন্য রাজ্যের লড়াই লাগিয়ে দিচ্ছেন, সেই শক্তিগুলির বিরুদ্ধে লড়াই করতে জনগণের ঐক্যের আহ্বান জানিয়েছেন রাহুল গান্ধী।

তরুণদের মধ্যে হতাশা ও দুর্দশার কথা বলতে গিয়ে রাহুল গান্ধী বলেছেন, তাদের স্বপ্ন ও আকাঙ্খা পূরণ না হলে রাগ, ঘৃণা ও হিংসার দিকে নিয়ে যেতে পারে। সেই জন্য তরুণদের ন্যায় বিচার দেওয়া জরুরি। তিনি অভিযোগ করেছেন, দেশের বর্তমান সরকার শুধুমাত্র কয়েকজন বড় শিল্পপতির জন্য কাজ করছে। তিনি সমবেত জনগণের উদ্দেশে বলেন, তাঁরা নিশ্চয়ই দেখেছেন, বন্দর, বিমানবন্দর, খনি, পরিকাঠামো এবং অন্য জিনিসের মালিক একই ব্যক্তি।
রাহুল গান্ধী এদিন তরুণদের কথা বলতে গিয়ে অগ্নিপথ প্রকল্প চালু করার জন্য বিজেপি সরকারের সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, আগে যুবকরা স্থায়ী চাকরি ও কল্যাণ নিশ্চিত করে সেনাবাহিনীতে যোগদানের আকাঙ্খা পূরণ করত। দেশের জন্য কেউ প্রাণ বিসর্জন দিলে, তাদের পরিবারকে দেখা হত। কিন্তু অগ্নিপথ প্রকল্প চালু হওয়ার পর থেকে এর কোনও নিশ্চয়তা নেই। তিনি বলেন, অগ্নিপথ প্রকল্পে যাঁদের নিয়োগ করা হয়, তাঁদের মধ্যে ৭৫ শতাংশকে চার বছরের মধ্যে ফেরত পাঠানো হচ্ছে।
রাহুল গান্ধী অভিযোগ করেছেন, প্রায় দেড় লক্ষ যুবককে অগ্নিপথ প্রকল্প চালু হওয়ার আগে সেনাবাহিনীর জন্য নির্বাচিত করা হয়েছিল। কিন্তু অগ্নিপথ প্রকল্প চালু হওয়ার পরে তাঁদের আর পরিষেবায় যোগ দিতে দেওয়া হয়নি। এটা সেইসব যুবকদের সঙ্গে চরম অবিচার করা হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
রাহুল গান্ধী এদিন বাংলার মানুষদের সম্পর্কে বিশেষ করে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, বাংলা একটি বিশেষ জায়গা, সেখানে এসে তিনি আনন্দিত বোধ করছেন। তিনি বলেন, বাংলার মানুষ স্বাধীনতা সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছিল। তিনি বলেন, বাংলা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, সুভাষচন্দ্র বসু এবং স্বামী বিবেকানন্দের মতো মহান নেতা ও চিন্তাবিদদের জন্ম দিয়েছে। এঁদের নাম বলে শেষ করা যাবে না।
তিনি বলেন, বাংলার মানুষের পথ দেখানোর সামর্থ রয়েছে। তা যদি তারা না করেন, তাহলে দেশ তাদের ক্ষমা করবে না। তিনি বলেন, বাংলার জনগণের কর্তব্য বিদ্বেষের বিরুদ্ধে লড়াই করে দেশকে ঐক্যবদ্ধ করা। তিনি আরও বলেন, বাংলার জনগণ যে মেধা ও শক্তির অধিকারী তা দিয়ে বিদ্বেষের বিরুদ্ধে লড়াই করে দেশকে ঐক্যবদ্ধ করতে হবে।
-
'১৫ দিন বাংলায় থাকব', ভবানীপুরে মমতাকে হারানোর ডাক, শাহের চ্যালেঞ্জে তপ্ত রাজনীতি -
কালিয়াচকে প্রশাসনিক গাফিলতি? জেলাশাসক, পুলিশ সুপারকে শোকজ, CBI অথবা NIA তদন্তের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট -
ভবানীপুরে আজ শক্তি প্রদর্শনে বিজেপি, শুভেন্দুর মনোনয়নে সঙ্গী অমিত শাহ -
'খুব দ্রুত যুদ্ধ শেষ করব'! ইরান ইস্যুতে কড়া বার্তা মার্কিন প্রেসিডেন্টের, কী বললেন? -
কয়লা কেলেঙ্কারির তদন্ত! দেশের বিভিন্ন শহরে আই-প্যাকের দফতর ও ডিরেক্টরের বাসভবনে ইডি তল্লাশি -
কালিয়াচক কাণ্ডে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের! 'রাজনীতি নয়, বিচারকদের নিরাপত্তাই...', কী কী বলল শীর্ষ আদালত? -
কালিয়াচক কাণ্ডে উত্তেজনা চরমে! বিচারকদের ঘেরাও-ভাঙচুরে তৃণমূলকে নিশানা সুকান্তর, কী বললেন দিলীপ? -
মালদহের অশান্তি নিয়ে বিজেপিকে কাঠগড়ায় তুলল মমতা, সুতির সভা থেকে শান্তির বার্তা -
৫৪ বছর পর চাঁদের পথে মানুষ, ৪ মহাকাশচারী নিয়ে নাসার 'আর্টেমিস ২'-এ ইতিহাসের নতুন অধ্যায় -
বসন্তের শেষে বাড়ছে পারদ! গরমে কী নাজেহাল হবে শহরবাসী? কী জানাচ্ছে হাওয়া অফিস? জানুন -
মালদহের ঘটনার তদন্তভার নিল সিবিআই, মমতার তোপে কমিশন -
ভোটার তালিকা ইস্যুতে ফের অগ্নিগর্ভ মালদহ, সকালে ফের অবরোধ












Click it and Unblock the Notifications