সপ্তমীর সকালে কালচিনিতে লোকালয়ে ছুটছে বিশাল গজরাজ, কী হল তারপর
সাত সকাল। লোকজনের ঘুম ভেঙে গিয়েছে আগেই। অনেকেই কাজকর্ম শুরু দিয়েছে। কিন্তু এ যে বড় আতঙ্কের দিন। গজরাজ ঘুরে বেড়াচ্ছে এলাকায়। আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে মানুষের মধ্যে।
কালচিনি ব্লকের বাসরা নদী সংলগ্ন এলাকা। খানিক দূরেই বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের জঙ্গল। ফলে বন্য পশুর লোকালয়ে চলে আসার আতঙ্ক থাকেই। তেমনই ঘটনা দেখা গেল শনিবার সকালে। পেল্লায় এক হাতি বন থেকে বেরিয়ে লোকালয়ে ঢুকে পড়ে।

সকালে মানুষজন কাজকর্মে বেরিয়েছিলেন। রাস্তা দিয়ে তখন সেই হাতি ঘুরে বেড়াচ্ছে। বিস্তীর্ণ এলাকা কার্যত হাতিটি চষে ফেলেছে। হাতি লোকালয়ে ঢোকার খবর ছড়িয়ে পড়ে সাধারণ বাসিন্দাদের মধ্যে। উৎসুক মানুষরা হাতি দেখতে বাইরে বেরিয়েছিল। কিন্তু পরে তারাও বাড়ির ভিতর চলে যায়।
সকালের বেশ কিছুটা সময় হাতিটি লোকালয়ে ছিল। কখন নিজের মনের ছুটেছে কোনও রাস্তায়। আবার কখনও শান্তিভাবেই হাঁটাহাঁটি করেছে সে। এক ব্যক্তি হাতির চলার পথে সামনে চলে এসেছিল। হাতিটি তার দিকে তেড়ে যায়। যদিও কোনও ক্ষতি হয়নি। ওই ব্যক্তি দ্রুত পালাতে সক্ষম হয়। হাতিটিও আর বেশি দূর ছুটে যায়নি।
বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের জঙ্গল থেকে বেরিয়ে লোকালয়ে এসেছিল হাতিটি। কালচিনি ব্লকের বাসরা নদী সংলগ্ন এলাকার ঘটনা। নদীতে জল খুবই কম। সেজন্য অনেক সহজেই জঙ্গল থেকে এপাড়ে চলে আসা সহজ। হাতিটি লোকালয়ে প্রবেশ করলে খবর ছড়িয়ে যায়। কিন্তু লোকালয়ে ঢুকে হাতিটি কোনও ক্ষতি করেনি।
হাতিটি কোনও বাড়িতেই হামলা চালায়নি। নিজের মতোই এলাকায় ছোটাছুটি করে কিছু সময়। কিছু সময় পরে ফের বাসরা নদী পেরিয়ে ফিরে যায় জঙ্গলে। হাতিকে দেখতে ভিড় জমান উৎসুক জনতারা। হাতির ভিডিও মোবাইল ফোন বন্দিও করেন।
জানা গিয়েছে, প্রায়ই বক্সার জঙ্গল থেকে এভাবে লোকালয়ে চলে আসে হাতি। বাসিন্দারাও আতঙ্কে ভোগেন।












Click it and Unblock the Notifications