একই ব্যক্তিকে পরপর তিনবার করোনার ভ্যাকসিন দিলেন মোবাইলে ব্যস্ত নার্স! ভয়ঙ্কর এক ছবি বাংলাতে
রাজ্যে ঠিক মতো ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে না। এমনকি অপচয় করা হচ্ছে বলে বারবার দাবি তোলা হয়েছে বিজেপির তরফে। কার্যত এহেন অভিযোগের মধ্যেই ভয়ঙ্কর এক ছবি উঠে এল বাংলাতে। চূড়ান্ত গাফিলতির অভিযোগ কর্তব্যরত এক নার্সের বিরুদ্ধে।
রাজ্যে ঠিক মতো ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে না। এমনকি অপচয় করা হচ্ছে বলে বারবার দাবি তোলা হয়েছে বিজেপির তরফে। কার্যত এহেন অভিযোগের মধ্যেই ভয়ঙ্কর এক ছবি উঠে এল বাংলাতে। চূড়ান্ত গাফিলতির অভিযোগ কর্তব্যরত এক নার্সের বিরুদ্ধে।

এক ব্যক্তিকে একবার নয়, তিনবার টিকা দেওয়ার অভিযোগ। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে মালবাজার মহকুমার নাগরাকাটা ব্লকে। জানা গিয়েছে, একসঙ্গে তিনবার ভ্যাকসিন নেওয়ার পর গুরুতর অসুস্থ ওই ব্যক্তি। স্থানীয় এক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে তাঁকে।
অন্যদিকে ঘটনার পর ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেণ জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিকরা। শুধু তাই নয়, ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে ডাক্তারদের। ওই ব্যক্তির উপর এই মুহূর্তে নজরদারি চালানো হচ্ছে। কোনও শারীরিক সমস্যা হচ্ছে কিনা সেটাও নজর রাখা হচ্ছে। অন্যদিকে অভিযুক্ত ওই নার্সকে আপাতত সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
কীভাবে একসঙ্গে তিনটি ভ্যাকসিন দিলেন উনি সে বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, অসুস্থ ওই ব্যক্তির নাম পরিতোষ রায়। মালবাজার মহকুমার আঙ্গড়া ভাষা দুই নাম্বার গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকাতে থাকেন ওই ব্যক্তি।
স্থানীয় এক স্বাস্থ্য কেন্দ্রেরর পাশে স্কুল ভাড়া নিয়ে চলছিল করোনার ভ্যাকসিন দেওয়ার কাজ। ডাক্তার থেকে শুরু করে সরকারি নার্সদের তত্ত্বাবধানে এই কাজ চলছিল। সেখানেই আজ শুক্রবার করোনার প্রথম ডোজ নিতে চান পরিতোষ রায়। আর প্রথমবারেই বিপত্তি।
পরিতোষবাবুর অভিযোগ, যখন তিনি ডোজ নিতে যান সেই সময় কর্তব্যরত ওই নার্স কার্যত ফোনের মধ্যে ডুবে ছিলেন। কানে ফোন নিয়ে একের পর এক ভ্যাকসিন দেওয়ার কাজ। প্রথমবার টিকা দেওয়ার পরে দু'বার ওই ব্যক্তি বুঝতে পারেন তাঁকে ইনজেকশন দেওয়া হয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে পরিতোষবাবু জিজ্ঞেস করেন কেন এতবার ভ্যাকসিন দেওয়া হল।
আর সেই উত্তরে তাঁকে ওই নার্স জানিয়েছিলেন এতে কোনও সমস্যা হবে না। এমনকি বিষয়টি কাউকে না জানানোর জন্যেও নাকি পরিতোষবাবুকে অনুরোধ করে অভিযুক্ত ওই মহিলা। কিন্তু বাড়ি যাওয়ার পর হঠাত করে অসুস্থ হয়ে পড়েন পরিতোষবাবু। মাথা ঘুরতে থাকে, সঙ্গে আরও বেশ কিছু শারীরিক সমস্যা দেখা দিয়েছে ওই ব্যক্তির।
তাঁর পরিবারের তরফে জানানো হয়েছে যে, একসঙে তিনটি ভ্যাকসিন নেওয়ার পর থেকে নাকি আর কানে শুনতে পাচ্ছেন না ওই ব্যক্তি। এছাড়াও বেশ কিছু সমস্যা হচ্ছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। একই ভাবে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে এই ঘটনার পর। আপাতুত ওই এলাকাতে বন্ধ রাখা হয়েছে সমস্ত রকম ভ্যাকসিন দেওয়ার কাজ।
উল্লেখ্য ভ্যাকসিন দেওয়াকে কেন্দ্র করে একের পর এক অস্বস্তি বাড়ছে রাজ্য সরকারের। গত কয়েকদিন আগে ভ্যাকসিন দেওয়াকে কেন্দ্র করে ধুপগুড়িতে পদপৃষ্ট হতে হয় ৫০ জন মানুষকে। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের আরও এক কেলেঙ্কারি।












Click it and Unblock the Notifications