পাহাড়ের মেয়ে হবে বন্দ্যোপাধ্যায় পরিবারের বউ! দার্জিলিং-এর সভায় বললেন মমতা
মাস কয়েক আগে কার্শিয়ং-এ গেলেও দার্জিলিং (Darjeeling)-এ যাননি প্রায় দুবছর। তবে এবার গিয়েই বলেছেন পাহাড় হাসছে। মানুষকে সেখানকার লাড্ডু খাওয়ার আহ্বান জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (mamata banerjee) পাহাড়কে
মাস কয়েক আগে কার্শিয়ং-এ গেলেও দার্জিলিং (Darjeeling)-এ যাননি প্রায় দুবছর। তবে এবার গিয়েই বলেছেন পাহাড় হাসছে। মানুষকে সেখানকার লাড্ডু খাওয়ার আহ্বান জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (mamata banerjee) পাহাড়কে (hill) আরও কাছে টেনে নিয়ে জানিয়েছেন এবার পাহাড়ি পরিবারের মেয়েকে পরিবারের বউ (daighter in law) করতে চলেছেন।

পাহাড়ের মানুষের পাশে তৃণমূল সরকার
পাহাড়ের মানুষের পাশে যে তৃণমূল সরকার রয়েছে, তা এদিন ফের একবার বুঝিয়ে দিতে চাইলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি এদিন দার্জিলিং-এর সভা থেকে সেখানকার মানুষদের জন্য প্রকল্পগুলির কতথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, এই সরকারের আগে চা শ্রমিকদের মজুরি ছিল ৬৭ টাকা। বর্তমানে তা বেড়ে হয়েছে ২০২ টাকা। তিনি বলেন, আগে বাগান বন্ধ হলে ছয়মাস পরে ৫০০ টাকা করে পেতেন সেখানকার কর্মীরা। কিন্তু বর্তমান সময়ে দুমাসের মধ্যে দেড় হাজার টাকা করে পান । এছাড়াও বিনামূল্যে রেশন ও বিদ্যুৎ দেওয়া হয়। তাদের জন্য রয়েছে হেলথ কার্ড। তিনি বলেন, পাহাড়ে চা শ্রমিকদের একাংশ তনু বাড়ি পেয়েছেন। সেখানকার ২১ লক্ষ বিধবাকে ভাতা দেওয়া হচ্ছে। ছাত্রছাত্রীদের জন্য স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড রয়েছে।

পাহাড়ে প্রতিশ্রুতি
প্রায় ২৫০ টি চা বাগানের তিন হাজারের বেশি পরিবারকে চা সুন্দরী প্রকল্পে বাড়ি বানিয়ে দেওয়া হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিন মুখ্যমন্ত্রী পাহাড়ে বিশ্ববিদ্যালত তৈরির কথা ঘোষণা করেন। যা নিয়ে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে কথা বলা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

দিল্লির লাড্ডুর প্রয়োজন নেই
মুখ্যমন্ত্রী এদিন কেন্দ্রের বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকারে তীব্র সমালোচনা করেন। পাহাড়ে কেন্দ্রীয় বঞ্চনার অভিযোগ করেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, দার্জিলিং যখন হাসে, সেই সময় একটি দল ভুল বুঝিয়ে ভোট নিয়ে চলে যায়। তিনি বলেন, পাহাড়ের মানুষের দিল্লির লাড্ডুর প্রয়োজন নেই। তাদের দরকার দার্জিলিং, মিরিক এবং কালিম্পং-এর লাড্ডু। সেখানে তার অভাব নেই বলেও মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, পাহাড়ের মানুষ শিক্ষা সংস্কৃতিতে এগিয়ে।

পাহাড়ের হাসি কাঞ্চনজঙ্ঘার মতো
মুখ্যমন্ত্রী এদিন পাহাড়ের মানুষের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, তিনি সেখানকার ৪ টি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। তাদেরকে বলেছেন, পরবর্তী ১০ বছর ঝগড়া না করতে। ঝগড়া না করলে পাহাড়ের উন্নয়ন হবে। মহিলাদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, বাড়ির মহিলারা খুশি থাকলে পরিবারও খুশি থাকবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, পাবাড়ের মেয়েদের হাসি কাঞ্চনজঙ্ঘার হাসির মতো।

পাহাড়ের মেয়ে বন্দ্যোপাধ্যায় বাড়ির বৌমা
দার্জিলিং-এর প্রকৃতি এবং সেখানকার মানুষের প্রশংসা করতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন জানান, পাহাড়ের মেয়েকে বন্দ্যোপাধ্যায় বাড়ির বৌ করে আনছেন। তিনি বলেন, পাহাড়ের পরিবারের একটি মেয়ের সঙ্গে তাঁদের (বন্দ্যোপাধ্যায়) পরিবারের একজনের বিয়ে ঠিক হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, পাহাড়কে ভালবাসেন, তাই পাহাড়ের মেয়েকে বউ করে আনছেন। তিনি বলেন, আপনাদের বাড়ি আমার বাড়ি এখন আমার বাড়ি, আপনাদের বাড়িতে পরিণত হবে। তবে বন্দ্যোপাধ্যায় পরিবারের কোন সদস্যের সঙ্গে পাহাড়ের কন্যার বিয়ে ঠিক হয়েছে, তা মুখ্যমন্ত্রী এদিন পরিষ্কার করেননি।
(ছবি সৌজন্য: ফেসবুক)












Click it and Unblock the Notifications