যৌন হেনস্তায় অভিযোগকারিণীকে সাহায্যে নামে প্রতারণার অভিযোগ! বিস্ফোরক অভিযোগ কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বিরুদ্ধে
তাঁকে ঘিরে একের পর এক বিতর্ক! গত কয়েকদিন আগেই উত্তরবঙ্গ ভাগের দাবিতে সরব হয়েছিলেন। তিনি বিজেপি সাংসদ জন বার্লা। তাঁর রাজ্য ভাগের মন্তব্য ঘিরে ব্যাপক সোরগোল বেঁধে যায়। চরম অস্বস্তিতে পড়তে হয় বিজেপি নেতৃত্বকে। সাংসদের বিতর
তাঁকে ঘিরে একের পর এক বিতর্ক! গত কয়েকদিন আগেই উত্তরবঙ্গ ভাগের দাবিতে সরব হয়েছিলেন। তিনি বিজেপি সাংসদ জন বার্লা। তাঁর রাজ্য ভাগের মন্তব্য ঘিরে ব্যাপক সোরগোল বেঁধে যায়। চরম অস্বস্তিতে পড়তে হয় বিজেপি নেতৃত্বকে। সাংসদের বিতর্কিত মন্তব্যে একের পর এক থানাতে সাংসদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়।

সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই মারাত্মক অভিযোগ কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বিরুদ্ধে। এক আদিবাসী মহিলাকে সাহায্যের নামে আর্থিক প্রতারণা করা হয়েছে বলে অভিযোগ। আর তাতে জড়িত কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বার্লা। আর এই অভিযোগ সামনে আসতেই চরম অস্বস্তিতে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব।
তবে জন বার্লার দাবি, কোনও দিন অন্যায় কাজ করেনি করব না। মিথ্যা অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধ তোলা হচ্ছে বলেও দাবি তাঁর।
তবে এক সংবাদমাধ্যমকে কেন্দ্রীয় সংখ্যালঘু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, গত কয়েক বছর আগে এক আদিবাসী মহিলা তাঁর কাছে এসেছিলেন। তবে বাউন্স চেক নিয়ে এসেছিলেন। কি করবে সে বুঝতে পারছিলেন না। তাঁকে টাক পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিলাম। তাও রাজনীতির কোনও ক্ষমতা কাজে লাগাননি বলে দাবি মন্ত্রীর। এখানে প্রতারণা কীভাবে হল? প্রশ্ন বার্লার।
সূত্রের খবর, ওই আদিবাসী মহিলা যৌন হেনস্তার বুচার চাইতে ওই বিজেপি সাংসদের দ্বারস্থ হন। আর সেই সময় সহযোগিতা না করে আর্থিক ভাবে ওই মহিলার সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে বলে মারাত্মক অভিযোগ। অভিযোগের তির বিজেপি সাংসদ জন বার্লার বিরুদ্ধে। আর এই ঘটনাতে ইতিমধ্যে পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন ওই আদিবাসী মহিলা।
ওই মহিলা জলপাইগুড়ির বানারহাটের বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে। সাংসদের বিরুদ্ধে পুলিশের দ্বারস্থ ওই মহিলা। ঘটনায় অভিযোগের বিরুদ্ধে যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে দেখছে পুলিশ প্রশাসন। অভিযোগকারিণীর দাবি, জয়চাঁদ আগরওয়াল নামে স্থানীয় এক ব্যবসায়ী তাঁকে যৌন নির্যাতন করে। দিনের পর দিন তাঁর সঙে এই কাজ করা হয় বলে অভিযোগ ওই মহিলার। মারাত্মক এই ঘটনার বিচার চেয়েই ওই মহিলা স্থানীয় বিজেপি সাংসদ জন বার্লার দ্বারস্থ হন।
মহিলার অভিযোগ, সেই সময় তাঁকে কোনও সাহায্য করা হয়নি। বরং সমস্যা মেটাতে টাকা চাওয়া হয় বলে অভিযোগ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্রমশ উত্তেজনার পারদ চড়ছে উত্তরের রাজনীতিতে। এই ঘটনায় ইতিমধ্যে মুখ খুলছে তৃণমূল।
তাঁদের দাবি, মা বোনেদের সম্মান দেয় না বিজেপি। বারবার সেই বিষয়টি দেশের একাধিক ঘটনায় প্রমাণিত। এবার বাংলাতেও বিজেপি সাংসদের কেলেঙ্কারি ফাঁস হচ্ছে। নিশ্চিয় পুলিশ ব্যবস্থা নেবে বলে দাবি স্থানীয় তৃণমূলের।
পাল্টা বিজেপির দাবি, ভোটের পর থেকে নেতা-কর্মীদের কীভাবে মিথ্যা মামলাতে ফাঁসানো যায় সেই চেষ্টা করছে পুলিশ। এই ঘটনাও তা বলে দাবি স্থানীয় এক নেতার।












Click it and Unblock the Notifications