গ্রামে ঢুকতেই তৃণমূল নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি, খুনের চেষ্টার চাঞ্চল্যকর ঘটনার নেপথ্যে কি গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব
গ্রামে ঢুকতেই তৃণমূল নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি চলল। তৃণমূল নেতা হাসিফুল মণ্ডল গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনা ঘটছে নদিয়ার থানারপাড়া পিয়ারপুরে। তৃণমূল নেতাকে খুনের চেষ্টার ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে ৯ জনকে।
গ্রামে ঢুকতেই তৃণমূল নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি চলল। তৃণমূল নেতা হাসিফুল মণ্ডল গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনা ঘটছে নদিয়ার থানারপাড়া পিয়ারপুরে। তৃণমূল নেতাকে খুনের চেষ্টার ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে ৯ জনকে। এই ঘটনায় উদ্ধার হয়েছে ৯ এমএম পিস্তল। গুলিবিদ্ধ তৃণমূল নেতাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

নদিয়ার থানারপাড়া পিয়ারপুর এলাকায় তৃণমূলের গোষ্ঠীসংঘর্ষের জেরেই এই গুলি-কাণ্ড বলে অভিযোগ। যিনি গুলিবিদ্ধ হয়েছেন তিনি তৃণমূলের প্রাক্তন পঞ্চায়েত সদস্য। পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে একটি নাইন এমএম পিস্তল উদ্ধার করা হয়েছে। বাড়িতে বন্দুক রাখার কোনও লাইসেন্স নেই বলে জানা গিয়েছে।
তৃণমূল নেতাকে খুনের চেষ্টার ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়ছে ৯ জনকে। তাঁদের মধ্যে তিনজন তৃণমূলের সদস্য বলে পরিচিত। তৃণমূল নেতাকে খুনের চেষ্টার ঘটনায় অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের সদস্যদের বিরুদ্ধেই। আবার নাম জড়িয়েছে পঞ্চায়েত প্রধানেরও। ফলে এই ঘটনায় তৃণমূলে গোষ্ঠাদ্বন্দ্বের অভিযোগ ওঠে। যদিও তৃণমূল গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে। তৃণমূল নেতৃত্বের তরফে জানানো হয়েছে কোনও গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ঘটনা নয়, ব্যক্তিগত শত্রুতা থাকতে পারে এই ঘটনায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার সূত্রপাত থানারপাড়া এলাকায় গণস্বাক্ষর কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে। এখানে সই কারচুপির অভিযোগে দু-পক্ষের মধ্যে বচসা বাধে। তার জেরে গ্রামে ঢুকতেই তৃণমূল নেতা হাসিফুল মণ্ডলের উপর হামলা চালায় এক পক্ষ। তৃণমূল নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় একদল। গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে লাগে তাঁর পায়ে। অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান তিনি।
এরপর তঁকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে জেলা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয় তাঁকে। সেখানে অস্ত্রোপচার করে গুলি বের করেন চিকিৎসকরা। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, কোনও প্রাণ সংশয় নেই। তিনি বিপদমুক্ত। তাঁকে একদিন অবজার্ভেশনে রেখে ছেড়ে দেওয়া হবে।
এদিকে পুলিশ এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। পুলিশ খতিয়ে দেখছে, কারা এই ঘটনার পিছনে রয়েছে। হামলার কারণও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এই ঘটনার পিছনে কোনও রাজনৈতিক কারণ রয়েছে কি না, নাকি ব্যক্তিগত শত্রুতার জেরেই এই ঘটনা, তা তদন্ত করে দেখছে পুলিশ। পুলিশ প্রত্যক্ষদর্শী ও এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানার চেষটা করছে, এই ঘটনার পিছনে কাদের যোগ রয়েছে এবং কাদের ইন্ধন থকাতে পারে। পঞ্চায়েত প্রধানের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এবং ন-জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করে আর কারা জড়িয়ে রয়েছে তাঁদের নাম জানার চেষ্টা চলছে।












Click it and Unblock the Notifications