Panchayat Election Results 2023: একা কুম্ভ শুভেন্দু! নন্দীগ্রামে প্রেস্টিজ ফাইটে কি স্বস্তি পেল বিজেপি
পঞ্চায়েত নির্বাচনে গোটা রাজ্যে তৃণমূলের জয়জয়কার। তার মধ্যে বিজেপির কাছে কিছুটা স্বস্তি নন্দীগ্রাম। একা শুভেন্দু গড় রক্ষা করলেন। তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল কাজে লাগিয়ে গ্রাম পঞ্চায়েত ও পঞ্চায়েত সমিতি স্তরে টেক্কা দিলেন তৃণমূলকে। কিন্তু জেলা পরিষদে বিজেপির থেকে এগিয়ে রইল তৃণমূলই।
গোটা রাজ্যের সঙ্গে পূর্ব মেদিনীপুরেও তৃণমূল ঝড় তুলেছে পঞ্চায়েত নির্বাচনে। তার মধ্যে শুধু বিজেপির আশার আলো নন্দীগ্রাম। শুভেন্দু একা কুম্ভ হয়ে লড়ে নিজের গড় রক্ষা করেছেন। বিজেপি নন্দীগ্রামে তৃণমূলকে সেয়ানে সেয়ানে টক্কর দিয়েছে। গ্রাম পঞ্চায়েত ও পঞ্চায়েত সমিতিতে টেক্কা দিয়েছে। পিছিয়ে পড়েছে জেলা পরিষদে।

নন্দীগ্রামে ভোটের ফলাফলের পরিসংখ্যানের দিকে তাকালে দেখা যাবে নন্দীগ্রাম বিধানসভার অন্তর্গত দুটি পঞ্চায়েত সমিতি। নন্দীগ্রাম ১ পঞ্চায়েত সমিতিতে তৃণমূলের প্রাধান্য আর নন্দীগ্রাম ২ পঞ্চায়েত সমিতিতে বিজেপির প্রাধান্য গত বিধানসভা নির্বাচন থেকেই লক্ষ্যণীয়।
এবার পঞ্চায়েতে দেখা গিয়েছে শুভেন্দু অধিকারী এক নম্বর পঞ্চায়েত সমিতিতেও কড়া টক্কর দিয়েছেন। সেই হেতু এই পঞ্চায়েত সমিতির ১০টি গ্রাম পঞ্চায়েত তৃণমূল আর বিজেপি পেয়েছে পাঁচটি করে। পঞ্চায়েত সমিতির ৩০টি আসনেও ১৫টি করে পেয়েছে দুই দল। যদিও তৃণমূল দাবি করছে এই পঞ্চায়েত সমিতিতে তাঁরাই জয়ী হয়েছেন।
আবার নন্দীগ্রাম দু-নম্বর পঞ্চায়েত সমিতিতে বিজেপি জয়ী হয়েছে। নন্দীগ্রাম দু-নম্বরে সিট সংখ্যা ২১। তৃণমুল পেয়েছে ৭টি ও বিজেপি পেয়েছে ১৪টি। একইসঙ্গে এই সমিতির অন্তর্গত সাতটি গ্রাম পঞ্চায়েত। বিজেপি চারটি পঞ্চায়েতে জয়ী হয়েছে। আর তৃণমূল পেয়েছে দুটি। একটি ত্রিশঙ্কু হয়েছে। এক্ষেত্রেও তৃণমূল দাবি করেছে এই পঞ্চায়েতে তারা জয়ী।

কিন্তু জেলা পরিষদে নন্দীগ্রাম এক নম্বর নন্দীগ্রামে জেলা পরিষদে এক নম্বর ব্লকে তিনটি আসনে জয়ী হয়েছে তৃণমূল। দু-নম্বর ব্লকে দুটি আসনে জয়ী হয়ছে বিজেপি। জেলা পরিষদের সার্বিক ফলে নিরিখে নন্দীগ্রামে তৃণমূল টেক্কা দিয়ে বিজেপিকে। তবে আদতে যে শুভেন্দু নিজের গড়ে প্রভাব জারি রেখেছেন তা বলাই যায়।
যদিও নন্দীগ্রামের পাঁচ জেলা পরিষদ আসনে ফলাফলের নিরিখে নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূল কংগ্রেস ১০ হাজারেরও বেশি ভোটে লিড পেয়েছে বলে দাবি করেন দলের মুখপাত্র তথা নন্দীগ্রাম দলের দায়িত্বে থাকা কুণাল ঘোষ। তিনি এই মর্মে শুভেন্দু অধিকারীকে কটাক্ষ করেন। তিনি বলেন, শুভেন্দুর লোডশেডিং করে ফল পাল্টে ১৯৫৬-র গল্প এবার বাতিল।
তবে তাতে শুভেন্দু অধিকারীর লড়াই খর্ব হয়ে যায় না। যা পারেননি বিজেপির প্রাক্তন ও বর্তমান রাজ্য সভাপতি নিজের কেন্দ্রে তা করে দেখিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। বিজেপিকে আগামী ২০২৪-এর লক্ষ্যে এবার যে শুভেন্দুকেই বেশি গুরুত্ব দিতে হবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। কারণ শুভেন্দু বুঝিয়ে দিয়েছেন তিনিই বিজেপির একা কুম্ভ।












Click it and Unblock the Notifications