শুভেন্দু অধিকারীর জয়ের পরেও ঘনিষ্ঠ নেতার পদত্যাগ, জল্পনা তুঙ্গে
শুভেন্দু অধিকারীর জয়ের পরেও ঘনিষ্ঠ নেতার পদত্যাগ, জল্পনা তুঙ্গে
রাজ্যের বিভিন্ন জায়গার সঙ্গে পূর্ব মেদিনীপুরও হিংসার থেকে বাদ যায়নি। হিংসার ঘটনা শুভেন্দু অধিকারীর (suvendu adhikari) নন্দীগ্রামেও। এই পরিস্থিতিতে দলের কর্মীদের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন তিনি। তবে এরই মধ্যে শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ নেতা দিবাকর জানার (dibakar jana)পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার ঘটনায় জল্পনা তৈরি হয়েছে।

দিবাকর জানাকে তৃণমূল থেকে বহিষ্কার
দলবিরোধী কাজের অভিযোগে ১৩ মার্চ দিবাকর জানা, রঘুনাথপুর-২ পঞ্চায়েতের প্রধান শিলাদিত্য আদক-সহ মোট ১০ জন নেতা-নেত্রীকে তিন বছরের জন্য সাসপেন্ড করার কথা জানিয়েছিলেন পূর্ব মেদিনীপুর জেলা তৃণমূলের সভাপতি সৌমেন মহাপাত্র। ৮ এপ্রিল শিলাদিত্য আদকের বিরুদ্ধে অনাস্থা এনেছিল তৃণমূল।

অনাস্থা আনা হয়েছে দিবাকর জানার বিরুদ্ধেও
গতমাসে দিবাকর জানার বিরুদ্ধে অনাস্থা এনেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। শহিদ মাতঙ্গিনী পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি তিনি। বিজেপিতে যোগ না দিয়েও কাজ করেছিলেন তিনি, এমনটাই অভিযোগ। দিবাকর জানা জেলার রাজনীতিতে শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত। ১২ এপ্রিল পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি শোভা সাউ-সহ ২৫ জন সদস্য তমলুকের মহকুমাশাসকের অফিসে অনাস্থা জমা দেন।

মহকুমা শাসকের কাছে ইস্তফা
ভোটের ফলাফলের পরেই শহিদ মাতঙ্গিনী পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা জমা দিয়েছেন তমলুকের মহকুমা শাসকের কাছে। সেখানে তিনি পদত্যাগের কারণ হিসেবে অসুস্থতার কারণ দেথিয়েছেন। যদিও এই পদত্যাগ নিয়ে কটাক্ষ করেছে তৃণমূল। তাদের দাবি, বিজেপি ভোটে হেরে যাওয়াতেই পদত্যাগ করেছেন দিবাকর জানা।

ইস্তফার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন অর্জুন সিংও
এর আগে ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, যদি হিংসা থেকে দলের কর্মীদের বাঁচাতে না পারি, তাহলে এমপির পদে থাকার কোনও মানে হয় না। সেই ঘটনা মিটতে না মিটতেই শুভেন্দু অধিকারী ঘনিষ্ঠ নেতার পদত্যাগ। যদি জেলার রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনাস্থায় পরাজিত হওয়ার থেকে পদত্যাগ সম্মানের তাই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন দিবাকর জানা। কেননা তিনি শুভেন্দু অধিকারীকে ছেড়ে যাওয়ার কথা জানাননি এখনও।












Click it and Unblock the Notifications