History Of Tricolour: ভারতের গৌরবময় ত্রিবর্ণ জাতীয় পতাকার নকশা কে করেছিলেন জানেন?
মানচিত্রের বাইরে যে কোনও দেশের প্রথম পরিচিতি হল তার জাতীয় পতাকা। আর ভারতের গৌরবময় জাতীয় পতাকা ঘিরে রয়েছে না জানি কত কাহিনী। বীর স্বাধীনতা সংগ্রামীরা নিজেদের রক্ত ঝরিয়েছেন এই পতাকার সম্মান রক্ষা করতে। শুধু তাই নয়, দেশের জাতীয় পতাকা উড়তে দেখলেই গর্বে ভোরে ওঠে সকলের বুক।
কিন্তু ভারতের জাতীয় পতাকা কী হবে তা নিয়ে ছিল একাধিক মতপার্থক্য। শেষ পর্যন্ত স্বাধীন ভারতের জাতীয় পতাকা ত্রিবর্ণ, তিরঙ্গা বা ট্রাই কালারের নকশা তৈরী করেছিলেন ভারতেরই এক বীর স্বাধীনতা সংগ্রামী পিঙ্গালি ভেঙ্কাইয়া।

পতাকা ও ইতিহাস
১৯৪৭ সালের ১৫ অগাস্ট, ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদকে তাড়িয়ে স্বাধীনতার স্বাদ পেয়েছিল ভারত। ঠিক মধ্যরাত অর্থাৎ ১২টায় তোলা হয় স্বাধীন ভারতের প্রথম জাতীয় পতাকা। তবে এই পতাকার ইতিহাস আর ঐতিহ্য সাক্ষী থেকেছে দেশকে একটু একটু করে পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে বের করে আনার অদম্য চেষ্টা আর হাজার বীর সন্তানদের আত্মবলিদানের।
তাই দেশের জাতীয় পতাকায় লেখা আছে ত্যাগ, সৌভ্রাতৃত্ব ও শান্তির কথা। ভারতের জাতীয় পতাকার যাত্রাপথ ছিল সুদীর্ঘ। আগেকার দিনে বিভিন্ন প্রদেশের রাজারা নিজেদের আলাদা আলাদা পতাকা ব্যবহার করতেন। কিন্তু গোটা দেশের একটি পতাকার ধারণা প্রথম মাথায় আসে পিঙ্গালি ভেঙ্কাইয়ার। এবং পরবর্তীতে তাঁর হাত ধরেই সৃষ্টি হয় ইতিহাস।
পিঙ্গালি ভেঙ্কাইয়া ও জাতীয় পতাকা
১৯২১ সালের ৩১ মার্চ, জাতীয় কংগ্রেসের এক সম্মেলনে প্রথমবার ভারতের ত্রিবর্ণ পতাকার ধারণা দিয়েছিলেন পিঙ্গালি ভেঙ্কাইয়া। মহাত্মা গান্ধী বিজয়ওয়াড়ায় ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের সভায় একটি নকশা অনুমোদন করেন। আজ আমরা যে জাতীয় পতাকা দেখি তা ছিল তার নকশার উপর ভিত্তি করে তৈরী করা। এরপর ১৯৩১ সালে চূড়ান্ত স্বীকৃতি পায় এই পতাকা, তবে তখন পতাকায় অশোক চক্রের বদলে ছিল চক্র।
ভারতের জাতীয় পতাকার নকশা তৈরির জন্য বিশ্বের ৩০টি দেশের জাতীয় পতাকা সম্পর্কে গবেষণা করেন ভেঙ্কাইয়া। ভারতের জাতীয় পতাকার তিনটি রং থাকার জন্য একে ত্রিবর্ণ বা তিরঙ্গা বলা হয়ে থাকে। সবার উপরে গেরুয়া, যা ত্যাগ ও সহনশীলতার প্রতীক। মাঝে সাদা শান্তির প্রতীক ও নীচে সবুজ সমৃদ্ধি ও সৌভ্রাতৃত্বের প্রতীক। সাদার মাঝে রয়েছে অশোক চক্র, যা দেশের প্রগতির প্রতীক হিসেবে চিহ্নিত হয়।

কে ছিলেন পিঙ্গালি ভেঙ্কাইয়া?
১৮৭৬ সালের ২ অগাস্ট অন্ধ্রপ্রদেশের মছলিপত্তনমের নিকটে ভাটলাপেনুমারুতে এক সাধারণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছিলেন পিঙ্গালি ভেঙ্কাইয়া। ছোট থেকেই তাঁর স্বপ্ন ছিল পরাধীনতার বন্ধন থেকে ভারতকে মুক্ত করার। মাত্র ঊনিশ বছর বয়সে ব্রিটিশ ইন্ডিয়ান আর্মিতে যোগদান করেন তিনি। মছলিপত্তনমের উচ্চ বিদ্যালয়ে স্কুল জীবন শেষ করে উচ্চ শিক্ষার জন্য কলম্বো যান। দেশে ফিরে তিনি প্রথমে রেলের চাকরিতে যোগ দেন।
পরবর্তীতে তিনি একজন সক্রিয় বিপ্লবী হিসেবে দেশকে স্বাধীন করার মহান ব্রত পালন করেন। ১৯৬৩ সালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ভারতের এই বীর সন্তান। তাঁকে সম্মান জানাতে ২০০৯ সালে একটি ডাকটিকিট প্রকাশিত হয়েছিল। এছাড়াও, ২০১৪ সালে অল ইন্ডিয়া রেডিওর বিজয়ওয়াড়া স্টেশনের নামকরণ করা হয়েছিল তাঁর নামে।
-
ইডেনে প্রথম জয়ের সন্ধানে কেকেআর-সানরাইজার্স, দুই দলের একাদশ কেমন হতে পারে? -
কেন্দ্রের তরফে আমলাদের রদবদল, প্রায় তিন ডজন শীর্ষ আধিকারিকের নতুন দায়িত্ব ঘোষণা -
ইরান নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন ঘোষণা, কী ইঙ্গিত দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট? -
কালিয়াচক কাণ্ডের পর ফের অশান্তি! অমিত শাহ-র রোড শো ঘিরে ভবানীপুরে ধুন্ধুমার, হাতাহাতি তৃণমূল-বিজেপির -
কালবৈশাখীর দাপট অব্যাহত! বৃষ্টির সঙ্গে ধীরে ধীরে বাড়ছে গরম, কেমন থাকবে আজকের আবহাওয়া? জানুন -
২৯৪ আসনেই প্রার্থী ঘোষণা করল কংগ্রেস, শ্রীরামপুরে লড়ছেন শুভঙ্কর সরকার -
এবার একটা বড় খেলা হবে, নানুরে মন্তব্য মমতার -
ইরান যুদ্ধের মাঝেই ফের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ নিয়ে পর্যালোচনা বৈঠক করলেন নরেন্দ্র মোদী, কী নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী? -
NASA-র বড় পরিকল্পনা! ৫০ বছর পর ফের চাঁদের পথে মানুষ, কেন এত গুরুত্বপূর্ণ এই নতুন মিশন? জানুন -
'১৫ দিন বাংলায় থাকব', ভবানীপুরে মমতাকে হারানোর ডাক, শাহের চ্যালেঞ্জে তপ্ত রাজনীতি -
মমতা বনাম শুভেন্দু লড়াইয়ে যোগ শাহের, ভবানীপুরে বাড়ছে রাজনৈতিক চাপানউতোর -
কালিয়াচকে প্রশাসনিক গাফিলতি? জেলাশাসক, পুলিশ সুপারকে শোকজ, CBI অথবা NIA তদন্তের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট












Click it and Unblock the Notifications