৪৫ দিন পর বাড়ি ফিরলেন অনুব্রত! বাড়ির সামনে মঞ্চ বেঁধে রাজকীয় অভ্যর্থনা
গরু পাচার মামলায় তাঁকে তলব করেছিল সিবিআই। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার মুখোমুখি হতে ৪৫ দিন আগে তিনি বোলপুরের বাড়ি ছেড়ে পাড়ি দিয়েছিলেন কলকাতার উদ্দেশে।
গরু পাচার মামলায় তাঁকে তলব করেছিল সিবিআই। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার মুখোমুখি হতে ৪৫ দিন আগে তিনি বোলপুরের বাড়ি ছেড়ে পাড়ি দিয়েছিলেন কলকাতার উদ্দেশে। কিন্তু সিবিআই দফতরে না গিয়ে শারীরিক সমস্যায় এসএসকেএম হাসপাতালে ঠাঁই হয়েছিল অনুব্রত মণ্ডলের। শেষে বৃহস্পতিবার সিবিআইয়ের মুখোমুখি হওয়ার পর শুক্রবার তিনি বাড়ি ফিরলেন।

শুক্রবার তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল বীরভূমের বোলপুরের বাড়িতে ফেরার পথে রাস্তার দুধারে ছিল অগণিত মানুষের ভিড়। তৃণমূল-কর্মী সমর্থকরা তাঁর নামে জয়ধ্বনি দিতে শুরু করেন। তাঁদের নেতা বাড়ি ফিরেছেন। তাঁকে রাজকীয় অভ্যর্থনা জানানো হয়। বোলপুর শহরজুড়ে তৃণমূলের পতাকায় মুড়ে দেওয়া হয় রাস্তা-ঘাট। তাঁর বাড়ির সামনে তৈরি মঞ্চে দাঁড়িয়ে তিনি কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে জানালেন সত্যের পথে থকাতে, মানুষের জন্য জীবন উৎসর্গ করতে। তিনি সবাইকে শান্তিপূর্ণভাবে বাড়ি ফিরে যাওয়ার বার্তা দেন।
গরুপাচার মামলায় বীরভূমের বেতাজ বাদশা অনুব্রত মণ্ডলকে একাধিকবার তলব করে সিবিআই। কিন্তু বারবার সিবিআই জেরা এড়িয়ে গিয়েছেন তিনি। শেষে দেড়মাস আগে পঞ্চমবার তলবের পর তিনি সিবিআই দফতরে হাজিরা দেওয়ার জন্য বের হন। কিন্তু হাজিরা দেওয়ার পরিবর্তে রাজারহাটের বাড়ি থেকে বেরিয়ে তিনি সটান চলে যান এসএসকেএম হাসপাতালে।
১৭ দিন পর এসএসকেএম হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে তিনি চলে যান রাজারহাটে চিনার পার্কের বাড়িতে। তারপর সেখানে একাধিক মামলায়. তাঁকে তলব করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। কিন্তু শারীরিক সমস্যার কারণ দর্শিয়ে তিনি জেরা এড়িয়ে যান। গরু পাচার ও ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় তাঁকে সিবিআই তলব করেছিল।
শেষে তিনি নিজেই গেলেন সিবিআই দফতরে। বৃহস্পতিবার সটান সিবিআই দফতরে হাজির হয়ে তিনি সমস্ত প্রশ্নের মুখোমুখি হন। তারপর সিবিআই দফতর থেকে বেরিয়ে গাড়েত করে সোজা চলে যান এসএসকেএমে। সেখানে তাঁকে জরুরি বিভাগে পরীক্ষা করা হয়। রুটিন চেক-আপের পর তাঁকে উডবার্ন ব্লকে নিয়ে যাওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার ১০টার মধ্যে তিনি পৌঁছে যান নিজাম প্যালেসে। তারপর ২০ মিনিট তিনি অপেক্ষা করেন গেস্ট রুমে। ১০টা ১০ থেকে অনুব্রত মণ্ডলকে জেরা করা হয়। সাত পাতায় ৩৬টি প্রশ্ন বাণ নিয়ে বসেন সিবিআই তদন্তকারী অফিসাররা। উল্লেখ্য গরু পাতার মামলায়. এনামুল হককে গ্রেফতারের পর জেরায় উঠে আসে অনুব্রত মণ্ডলের নাম।












Click it and Unblock the Notifications