চিন্তা বাড়াচ্ছে অরক্ষিত সীমান্ত, বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশ আটকানো কতটা সম্ভব হবে?
ক্রমশ কি দুশ্চিন্তা বাড়াচ্ছে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি? ভারতের উপর কতটা চাপ বাড়তে পারে? সীমান্ত সুরক্ষিত করতে বিএসএফ পদক্ষেপ করছে। সীমান্তে কড়া নজরদারিও রয়েছে। তবে তার মধ্যেও দুশ্চিন্তা বাড়াচ্ছে অরক্ষিত সীমান্ত৷
বাংলাদেশ আতঙ্কিত নাগরিকরা গতকাল জলপাইগুড়ির বেরুবাড়ি এলাকা দিয়ে ভারতে ঢোকার চেষ্টা করে। এই অনুপ্রবেশের চেষ্টা গতকাল রুখে দিয়েছে বিএসএফ। কিন্তু এই অনুপ্রবেশই এখন ভাবাচ্ছে ভারতকে। অরক্ষিত সীমান্ত দিয়ে যে কোনও সময় কাতারে কাতারে মানুষ চলে আসতে পারে এই দেশে!

ভারত - বাংলাদেশ সীমান্তের একটা বড় অংশ পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে পড়ে। সেই পশ্চিমবঙ্গের উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গের সুন্দরবন পর্যন্ত বিস্তীর্ণ অঞ্চল এই বাংলাদেশ সীমান্ত৷ ফুলবাড়ি, হিলি থেকে মালদহ, উত্তর ২৪ পরগনা, সুন্দরবনের এলাকায় পড়ে এই সীমান্ত। আর এই সীমান্তের অনেক জায়গাতেই নেই কাঁটাতারের বেড়া।
কাঁটাতারের বেড়া না থাকায় মাঝেমধ্যেই চোরাচালান চলে৷ বিএসএফ দুষ্কৃতীদের পাকড়াও করে। কিন্তু এখন পরিস্থিতি সম্পূর্ণ অন্য রকম। তার উপর গতকালের অনুপ্রবেশের চেষ্টার ঘটনা আরও দুশ্চিন্তা তৈরি করল৷ বাংলাদেশে হিংসা চলছে৷ অত্যাচারে ঘর ছাড়ছে হচ্ছে সেই দেশের বহু সংখ্যালঘু পরিবারকে৷ প্রাণ বাঁচাতে পালাচ্ছেন আওয়ামী লিগের কর্মী- সমর্থক, নেতারা। সেক্ষেত্রে অনুপ্রবেশের চাপ কতটা আসতে পারে বাংলার উপর? সেই ভাবনা রয়েছে দিল্লির৷
শুধু তাই নয়, বাংলাদেশের জামাত সংগঠন ভারত বিদ্বেষী৷ অনেক জামাত নেতা জেল থেকে ছাড়া পেয়েছেন। বাংলাদেশের জেল ভেঙে পালিয়েছেন অনেক দুষ্কৃতী৷ ফলে তাদের এই দেশে চলে আসার ক্ষেত্রেও দুশ্চিন্তা রয়েছে। বাংলায় কি তাহলে সীমান্ত পেরিয়ে জঙ্গি অনুপ্রবেশ ঘটতে পারে?
বনগাঁ, বসিরহাট, সুন্দরবন, মালদহ, দক্ষিণ দিনাজপুর, ফুলবাড়ির বিস্তীর্ণ এলাকায় এখনও কাঁটাতারের বেড়া নেই। সম্পূর্ণ অরক্ষিত হয়ে পড়ে আছে সীমান্ত৷ সেখানে কীভাবে সম্ভব কড়া নজরদারি? গতকাল ৬০০ জন অনুপ্রবেশকারীকে আটকেছে বিএসএফ। কিন্তু বহু জায়গার অরক্ষিত সীমান্ত দিয়ে যদি অনুপ্রবেশ হয়? কীভাবে সম্ভব হবে আটকানো?












Click it and Unblock the Notifications