সাদ্দামের ঘরে খাট সরাতেই হতবাক পুলিশ, মাটির নীচের সুড়ঙ্গ গিয়েছে মাতলার খালে
এ যেন পরতে পরতে রহস্য। কুলতলির গ্রামে দুষ্কৃতী ধরতে গিয়ে আটকানো হয় পুলিশকে। পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর অভিযোগও উঠেছে। বিশাল পুলিশ বাহিনী গ্রামের ওই বাড়িতে ঢুকতেই সামনে এল চাঞ্চল্যকর ছবি৷
ঘরের ভিতর তল্লাশির সময় খাট সরায় পুলিশ৷ তারপরেই চোখ কপালে ওঠে তদন্তকারীদের। এ কী করে সম্ভব ? ঘরের মধ্যে দিয়েই নেমে গিয়েছে রাস্তা। উপরে ঢাকনা সরাতেই অন্ধকার রাস্তার হদিশ পেয়েছে পুলিশ। তাহলে কি সাদ্দাম লস্কর এই পথেই পালিয়ে গেল?

সাদ্দাম হোসেন নকল সোনার বদলে ১২ লক্ষ টাকা হাতিয়েছে বলে অভিযোগ। সোনার মূর্তি দেখিয়ে টাকা হাতানোর অভিযোগও সামনে আসছে। একাধিক অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ কুলতলির পয়তরাহাট গ্রামে গিয়েছিল। সেখানে প্রথমে মহিলারা পুলিশকে ঘিরে রাখে। অভিযুক্ত সাদ্দাম লস্করকেও ছাড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হয়৷ পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর অভিযোগও ওঠে।
পরে বিশাল পুলিশ বাহিনী গ্রামে পৌঁছায়। সাদ্দাম লস্করের বাড়ি পৌঁছে শুরু হয় তল্লাশি। তখনই খাটের নীচের মেঝের অংশে ওই সুড়ঙ্গের হদিশ পাওয়া যায়। আর সেখানেই রহস্য ঘনীভূত হয়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার এই এলাকায় একটি খাল আছে। সেই খাল আবার গিয়ে পড়েছে মাতলা নদীতে।
সাদ্দাম লস্করের ঘরের ভিতর থেকে সুড়ঙ্গ কাটা হয়েছে। সেই সুড়ঙ্গ গিয়ে পড়েছে সোজা সেই খালের মুখে। তাহলে কি চোরাই মাল নিয়ে এই পথে যাতায়াত চলত? আর পুলিশের হাত ছাড়িতে পালানোর সময় এই পথই বেছে নিয়েছে সাদ্দাম? পুলিশ যে তথ্য দিয়েছে, তাতে এই সুড়ঙ্গের দৈর্ঘ্য ২০ ফুটের বেশি। লোকচক্ষুর আড়ালে এই সুড়ঙ্গ কবে বানানো হল? একজনের পক্ষে তো এই কাজ করা সম্ভব নয়৷ কত জন এই বিষয়ের সঙ্গে জড়িয়ে আছে? সেই প্রশ্ন উঠেছে।
সাদ্দাম নকল সোনার কারবার করে৷ তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ সামনে এসেছে৷ তার খোঁজে চিরুনি তল্লাশি চলছে এলাকায়।












Click it and Unblock the Notifications