Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

ক্যালেন্ডার গার্লস সিনেমা রিভিউ : শুধুই শরীর প্রদর্শন, মুগ্ধ হওয়ার অবকাশই নেই!

মধুর ভাণ্ডারকারের ক্যালেন্ডার গার্লস নিয়ে সেভাবে যে উন্মাদনা তৈরি হয়েছিল তা নয়। কিন্তু পেজ থ্রি, ফ্যাশন খ্যাত ডিরেক্টর যে খুব নিরাশ করবেন না সে ভরসা কারও কারও ছিল। কিন্তু সে ভরসাও এ ছবি দেখার পর হয়তো ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে গেল।

এই ছবি নিয়ে মধুর আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন আপাতভাবে এটি শুধু শরীর প্রদর্শনের ছবি বলে মনে হলেও তা নয়, শরীর ছাড়াও এছবিতে আরও অনেক কিছু রয়েছে। কিন্তু মধুরবাবু, দুর্ভাগ্য যে ছবিটি দেখার পর আপনার দাবি ভুয়া বলেই মনে হয়েছে।

ক্যালেন্ডার গার্লস সিনেমা রিভিউ : শুধুই শরীর প্রদর্শন, মুগ্ধ হওয়ার অবকাশই নেই!

পেজ থ্রি, ফ্যাশন ছবি বানানোর পর মধুর ভাণ্ডারকরকে নিয়ে যে ক্রেজ তৈরি হয়েছিল, তা ট্রাফিক সিগন্যাল, হিরোইন ছবির পর থেকেই কমতে শুরু করেছিল, আর মধুরের এই ক্যালেন্ডার গার্লেরা তা পুরোপুরি নষ্ট করে দিয়েছে। এছবি বি গ্রেড ছবির কাছাকাছি কোনও বিভাগে পড়লেও পড়তে পারে, তার বেশি নয়।

ছবির পটভূমিকা

এবার আসা যাক ছবির পটভূমিকায়। এই ক্যালেন্ডার কন্যাদের বাছাই বিষয়টি সিনেমা শুরুর ১০ মিনিট জুড়ে ছিল। তারপরেই ৩ মাস এগিয়ে গিয়ে এই মডেলরা তাদের জীবনে কে কী করছেন তার ফিরিস্তি।

হায়দ্রাবাদের নন্দিতা (আকাক্ষা পুরী) এক বড়লোকের প্রেমে পড়ে কেরিয়ারের সর্বনাস করে ছাড়ল। সেই ক্লিশে রক্ষণশীল মানসিকতা। দ্বিতীয়জন পাকিস্তানের নাজনিন (অবনী মোদী) শেষেমেষ এককর্ট সার্ভিসই নিজের পেশা হিসাবে বেছে নিয়েছিলেন দর্শকদের দুর্বোধ্য কোনও কারণের জন্য। তৃতীয় ক্যালেন্ডার কন্যা গোয়ার শ্যারণ (কিয়ারা দত্ত) যিনি বাস্তবেও ক্যালেন্ডার গার্ল একমাত্র যাঁকে এই ছবিতে ইতিবাচক জীবনযাপন করতে দেখা যাবে।

ক্যালেন্ডার গার্ল হওয়ার পর কোনও একজনকে দিয়ে বলিউডে স্ট্রাগল না করালে চলবে না, তাই রোহতকের ময়ূরী (রুহি সিং), কলকাতার পরোমা (শতরুপা পাইন) ক্রিকেট এবং গ্ল্যামার দুনিয়া অন্ধকার দিকটা দেখিয়েছেন। এই নিয়েই খিচুরি একটি গল্প।

ক্যালেন্ডার গার্লস সিনেমা রিভিউ : শুধুই শরীর প্রদর্শন, মুগ্ধ হওয়ার অবকাশই নেই!

অভিনেতা-অভিনেত্রীদের পারফরম্যান্স
একে ছবির গল্প চরম মাপের বিরক্ত করছে, তার উপর তথাকথিত গ্ল্যামারাস ক্যালেন্ডার কন্যাদের মৃতপ্রায় নিশ্প্রভ ভাবভঙ্গী যেন ভিতর থেকে ধাক্কা দিচ্ছিল চেয়ার ছেড়ে উঠে সিনেমা হলের বাইরে বেরিয়ে যাওয়ার জন্য। কিন্তু লেখার তাগিদে প্রায় আড়াই ঘন্টার এই থার্ড ডিগ্রি অত্যাচার সহ্য করতে হয়েছে।

এই ছবিতে প্রসিদ্ধ ফ্যাশন ফটোগ্রাফারের চরিত্রে অভিনয় করেছেন রোহিত রায়। ঠিক যেমনটা ফ্যাশন ছবিতে করেছিলেন। আর একটা ছোট্ট চরিত্রে অভিনয় করেছেন সুহেল শেঠ। এঁরা দুজন অন্তত এই ছবিতে খুব কম পরিমান হলেও অক্সিজেন সরবরাহ করতে পেরেছেন।

ক্যালেন্ডার গার্লস সিনেমা রিভিউ : শুধুই শরীর প্রদর্শন, মুগ্ধ হওয়ার অবকাশই নেই!

ছবির ভাল মন্দ
ছবির ভাল তো সেভাবে মনে পড়ছে না, আগে খামতি গুলি লিখে নিই। এই ছবির সবচেয়ে বড় ভল হচ্ছে চিত্রনাট্য। সেই এক মধুর ভান্ডারকরের গতে ধরা ছবি। ফ্যাশন, পেজ থ্রি, হিরোইন, সব মিলেমিশে একাকার। ছিটেফোঁটা নতুনত্ব নেই। পরের দৃশ্যে কী হতে চলেছে আপনি প্রথমবার ছবিটি দেখলেও তা বলে দিতে পারবেন। ছবির ক্লাইমেক্স বলে কিছুই নেই।

এই ছবিতে নারী শরীরকে হাতিয়ার করে দর্শক ভোলানোর চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু তাতেও অভিনেত্রীদের মধ্যে লাস্য, হটনেস বড়ই কম, তাই কিছু কিছু জায়গা জোর করে চাপানে বড়ই অপেশাদার লেগেছে। ক্যামেরার কাজও বেশ অগোছালো। তবে এই ছবিকে কোনওমতে বাঁচিয়ে রাখায় শ্রেয় যায় এই ছবির এডিটিং বিভাগকে।

এই ছবি হলে দেখতে গিয়ে টাকা নষ্ট করার কোনও মানে হয়না বলেই আমার মত। তবে যদি কেউ শুধু বিকিনি বেব দের দেখতে যেতে চান যেতে পারেন। এর বাইরে বিশেষ কিছু প্রত্যাশা নিয়ে হলে ঢুকবেন না, ১০০ শতাংশই নিরাশ হয়ে ফিরতে হবে।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+