ঢপবাজি নিয়ে মজাদার কিছু জোকস
উনি আমার আপনজন
আলোকচিত্র সাংবাদিক হরিপদ মহাসড়ক ধরে ছুটে যাচ্ছিলেন। হঠাৎ দেখলেন, পথিমধ্যে এক জায়গায় ভয়ানক দুর্ঘটনা ঘটেছে। জানা গেল, হতাহতের ঘটনাও ঘটেছে। করিৎকর্মা হরিপদ ভাবলেন, দুর্ঘটনাস্থল থেকে চটজলদি কিছু ছবি না তুললেই নয়।
ক্যামেরা হাতে এগিয়ে গেলেন তিনি। এদিকে লোকজন ভিড় করে দাঁড়িয়ে আছে। হরিপদ ছবি তুলবেন কি, ঘটনাস্থলের কাছাকাছি যাওয়াই দায়।
ফন্দি আঁটলেন হরিপদ।
উঁচু গলায় বলতে শুরু করলেন, ‘দেখি ভাই, আমাকে একটু সামনে যেতে দেন। যিনি মারা গেছেন, তিনি আমার অত্যন্ত আপনজন...একটু সামনে যেতে দিন।'
হরিপদকে জায়গা করে দিল লোকজন।
হরিপদ সামনে গিয়ে দেখলেন, দুটো ছাগল মরে পড়ে আছে!

এটা ফেসবুক নয়
পাঁচ ফুট লম্বা একটি ছেলে গেছে পাত্রী দেখতে। পাত্রীর বাবা ছেলেকে জিজ্ঞেস করলেন, বাবা, তুমি কতটুকু লম্বা?
পাঁচ ফুট ১০ ইঞ্চি।
ছেলের মা পাশেই বসেছিলেন। তিনি ছেলেকে বললেন, বাছাধন, এটা ফেসবুক নয়।
রবীন্দ্র সংগীত সম্পর্কে কী জানেন?
এক লোক অনেক চাপাবাজি করে। তো সে সঙ্গীত নিয়েও চাপাবাজি করছে। সে এই সঙ্গীত লিখেছে সেই সঙ্গীতের সুর দিয়েছে ইত্যাদি ইত্যাদি।
তো তার বন্ধু তাকে জিজ্ঞেস করলো, তুমি রবীন্দ্রসঙ্গীতের বিষয়ে কি জানো?
জবাবে সে বললো, কতো রবীন্দ্র সংগীত লিখলাম আর তুমি বলো কি জানি!?
ও বিড়িই খায়
নিম্ন মধ্যবিত্তের পাড়ায় হঠাৎ এক বিত্তশালী পরিবার বাড়ি বানিয়ে বসবাস করতে এল । প্রত্যোক কথায় কাজে টাকার গরম দেখিয়ে দেখিয়ে তারা প্রতিবেশীদের সকাল - সন্ধ্যা কেবলই বিরক্ত করত । কোন এক দুপুর বেলায় মেয়েদের মজলিসের বড়লোক গিন্নি আসর জাকিয়ে বসে গল্প শুরু করেন-
- আমার স্বামীর ভাইয়ের কেবল পাইপ টানতে চার জন লোক লাগে ।
- সে কি শুধু পাইপ খাওয়াতেই চারজন মানূষ খাটে?
- হ্যাঁ , একজন পাইপটা পরিস্কার করে, একজন তামাক ভরে তাতে , আরেকজন পাইপটি ধরিয়ে দেয়।
- এত গেক তিন জন । আরেকজন কি করে
- আরেকজন পাইপটি টানে। ওর আবার পাইপ খাওয়া সহ্য হয় না কিনা। ও তাই বরাবরের মত বিড়িই খায়।
গরম চা খাই
১ম ধপবাজঃ আমি এত গরম চা খাই যে, কেটলি থেকে সোজা মুখে ঢেলে দিই!
২য় ধপবাজঃ কি বলিস! আমি তো চা-পাতা, জল, দুধ, চিনি মুখে দিয়ে গ্যাসের উপর বসে পড়ি!












Click it and Unblock the Notifications