মনেস্ট্রির প্রার্থনা শুনতে শুনতেই রুমে বসেই দেখুন কাঞ্চনজঙ্ঘা, বনৌষধির চাষ দেখতে পাবেন এই গ্রামে
পূর্ব সিকিম। খুব বেশি পর্যটক সমাগম হয় না এখানে। অথচ অসাধারণ সুন্দর সব জায়গা রয়েছে এই পূর্ব িসকিমে। এমনই একটি অফবিট জায়গা ইয়াকতেন। এখান থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা যেন ছোঁয়া যায়। অপূর্ব এর প্রাকৃতিক শোভা। অথচ ভিড় নেই। পর্যটকদের কোলাহল নেই নিরিবিলির একটা জায়গা।

ইয়াকতেন
পূর্ব সিকিমের অজানা একটা জায়গা ইয়াকতেন। এখানে খুব বেশি হোম স্টে নেই। হোটেল তো নেই বললেই চলে। ইয়াকতেনের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অসাধারণ। এখানে হোমস্টের ঘরে বসেই দেখা যায় কাঞ্চনজঙ্ঘা। আবার মনেস্চ্রির প্রার্থনা শোনা যায় পথে চলতে। ইয়াকতেন থেকে গ্যাংটক দেখা যায়। লোয়ার ইয়াকতেন থেকে অসাধারণ দেখায় কাঞ্চনজঙ্ঘা।

জঙ্গলের অ্যাডভেঞ্চার
একদিকে যেমন কাঞ্চনজঙ্ঘার সৌন্দর্য অন্যদিকে তেমনই জঙ্গল। ইয়াকতেনে রয়েছে প্রাচীন এক জঙ্গল রয়েছে। এখানে প্রজাপতি থেকে পাখি এমনকী লেপার্ডের দেখা মেেল এই জঙ্গলে। এই জঙ্গলের একটি বিশেষত্ব হল এখানে প্রচুর বনৌষধি রয়েছে। সেই বনৌষধি এখানে সংরক্ষণ করা হয়ে থাকে। এমনকী ভেষজ গাছের চাষও করা হয় এখানে। তার জন্য অনেক গবেষকরা এখানে আসেন।

ঝাণ্ডিদারা ভিউ পয়েন্ট
এখানেই কাছেই রয়েছে ঝাণ্ডিদারা ভিউ পয়েন্ট। সেখা্ন থেকে পাকইয়াং এয়ারপোর্ট দেখা যায়। এখানে প্রতিটি বাড়িতেই রয়েছে বাগান। তাতে বিরল প্রজাতির সব অর্কিড রয়েছে। এখানে এলে রডোডেনড্রনও দেখা যায়। এপ্রিম মে মাস রডোডেনড্রন দেখার সবচেয়ে ভাল সময়। এখানে একটি গুহাও রয়েছে। রাতের সৌন্দর্য আরও সুন্দর। ইয়াকতেন থেকে রাতের গ্যাংটক দেখলে চোখ ধাঁধিয়ে যাবে।

কাঞ্চনজঙ্ঘায় সূর্যোদয়
ইয়াকতেন থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘার সর্যোদয় মন ভরিয়ে দেবে। এখান থেকে গাছও কিনে নিয়ে যেতে পারেন বাড়ির জন্য। গ্যাংটক থেকেও ইয়াকতেনে আসা যায়। গাড়ি ভাড়ে দেড় হাজার টাকা মত পড়বে। অসাধারণ জায়গা। গ্যাংটকে না থেকে ইয়াকতেনে থেকে বেড়িয়ে নিতে পারেন চারপাশের এলাকা। এখান থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখার সবচেয়ে ভাল সময় এপ্রিল থেকে নভেম্বর মাস।
ছবি সৌ:ফেসবুক












Click it and Unblock the Notifications