Travel: বর্ষার দিনে কলকাতার কাছাকাছি কোথাও যেতে চাইছেন, ঘুরে আসুন এই নতুন ঠিকানায়
বর্ষা রুদ্র রূপ দেখাচ্ছে পাহাড়ে। এই বর্ষায় তাই পাহা়ড় এড়িয়ে চলাই ভাল। কিন্তু বর্ষাতেও তো বেড়াতে যেতে ইচ্ছে করে। কোথায় যাবেন অনেকেই ভেবে পান না। যদিও কলকাতার কাছাকাছি বেড়ানোর জায়গার অভাব নেই। কিন্তু দিঘা-মন্দিরমনি বর্ষাকালে যেতে অনেকেই পছন্দ করেন না। এতোটাই ভিড় থাকে সেখানে বর্ষা। হোটেল পাওয়া মুশকিল। এই ভিড়ে ঠাসা সমুদ্র সৈকত এড়িয়ে এই সময় বেড়িয়ে আসুন কলকাতার কাছে এমন একটি জায়গায় যেখানে রয়েছে অসম্ভব সুন্দর প্রকৃতি।
কখনো বৃষ্টি কখনও রোদের খেলা দেখতে দেখতে বেড়িয়ে পড়ুন। হাতে দু-একদিন ছুটি থাকলেই হল। কলকাতার কাছে ওড়িশাতেই রয়েছে সেই জায়গা। ট্রেনে চলে আসুন বারকুল সেখান থেকে গাড়িতে চলে আসুন ঘোড়াহাদা। আবার ব্যক্তিগত গাডিতেও আসতে পারেন।

ওড়িশার প্রাচীণ জায়গাগুলির মধ্যে একটি হল ঘোড়াহাদা। চিলকা, বারকুল হয়ে ভেটনই হয়ে পৌঁছে যান ঘোড়াহাদা। চিলকায় ওয়াটার অ্যাক্টিভিটিও করতে পারেন। চিলকা হ্রদের মাঝে কালীজয়ী মন্দির ঘুরে নিতে পারেন। আবার সেসব দেখে নিয়ে চলে আসুন ভেটনাই। এই ভেটনাই আবার কৃষ্ণসার হরিণের জন্য বিখ্যাত। ভেটনইয়ে রাস্তার ধারেই দেখা যায় কৃষ্ণসার হরিণের। কথিত আছে গ্রামটি একটা সময়ে নাকি রুক্ষ-শুষ্ক ছিল। চাষবাস হতই না। কিন্তু হঠাৎই গ্রামে দেখা যায় একজোড়া কৃষ্ণসার হরিণকে। তারপরেই গোটা গ্রাম সুফলা হয়ে ওঠে। অর্থাৎ চাষবাস ভাল করে হতে শুরু করে।
এখানে কষ্ণসার হরিণ দেখার পরে চলে আসুন ঘোড়াহাদায়। এখানে ওড়িশা সরকারের পান্থ নিবাস রয়েছে। অসাধারণ এই ঘোড়াহাদা জলাধার। বর্ষায় আরও সুন্দর হয়ে ওঠে জায়গাটি। তিনদিকে পাহাড়ে ঘেরা জলাধারটিতে সূর্যাস্ত অসাধারণ লাগে দেখতে। সকাল সকাল এখানে নৌকা করে জেলেরা মাছ ধরতে থাকেন। এই জলাধারে নাকি প্রচুর কুমীরও রয়েছে।
এই জলাধারের কাছেই রয়ছে শিবের মন্দির। পাহাড়ের উপরে রয়েছে সেই মন্দির। অনেকগুলি সিঁড়ি ভেঙে সেখানে পৌঁছতে হয়। শ্রাবণ মাসে এখানে পুণ্যার্থীদের ভিড় থাকে। এখান থেকে চারপাশের ভিউ অসাধারণ। এই মন্দির দর্শন করে দেখে আসুন জলপ্রপাত। এই ঝরনায় যাওয়ার রাস্তা অসাধারণ। চারপাশে আদিবাসী গ্রাম। বর্ষাকালে আরও সবুজ হয়ে ওঠে চারপাশ। কাজেই আর দেরি না করে বেড়িয়ে পড়ুন।












Click it and Unblock the Notifications