Mangerjung: সিঙ্কোনা জঙ্গলের ফাঁকে উঁকি দেয় কাঞ্চনজঙ্ঘা, বেড়িয়ে আসুন পাহাড়ের এই আনকোরা ছোট্ট গ্রামে
এখনও তেমন ভাবে পর্যটকদের পা পড়েনি এখানে। তকাই একেবারে আনকোড়া বললে ভুল হবে না। কালিম্পংয়ের কাছেই রয়েছে একটি ছোট্ট অনামী গ্রাম মাঙ্গারজুং। গ্রামে গুটি কয়েক বাড়ি। কিন্তু একবার এখানে পা রাখতে আর ফিরতে ইচ্ছে করবে না।
ফুলে ফেল ভরা। রাস্তার দুপাশে পর্যন্ত ফুলে ছড়ানো। এতোটাই সুন্দর এখানকার পরিবেশ। চারিদিকে সিঙ্কোনা গাছের জঙ্গল। আর তার মাঝে কাঞ্চনজঙ্ঘা। যাতে দেখার জন্য হই হই করে সকলে পাহাড়ে আসা। সেই কাঞ্জনজঙ্ঘা দেখতে এখানে কোনও ভিউ পয়েন্টে যেতে হয় না। যেখানে দাঁড়াবেন সেখান থেকেই দেখা মেলে তার।

গ্রামে অরগানিক সবজির চাষ। পরিশুদ্ধ বাতাস। একদিকে কাঞ্জনজঙ্ঘা আর তিস্তার বাঁক। হোম স্টের সামনেই বসে থাকুন ঘণ্টার পর ঘণ্টা সেখানেই কেটে যাবে। কাছেই রয়েছে তিস্তা ভিউ পয়েন্ট। অসাধারণ সেই ভিউ পয়েন্ট। আকাশ পরিষ্কার থাকলে এই ভিউ পয়েন্ট হার মানাবে টাইগার হিলকেও। একেবারে ৩৬০ ডিগ্রি ভিউ দেখা যায় এখানে।
এই ভিউ পয়েন্ট থেকে সূর্যাস্ত এবং সূর্যোদয় পুরোটাই দেখা যায়। এখান থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘার পুরো রেঞ্জ দেখা যায়। কালিম্পং-রামধুরা হয়ে এখানে আসা যায়। কালিম্পং থেকে এখানকার দূরত্ব ২০ কিলোমিটার। চারপাশে রয়েছে অনেক বেড়ানোর জায়গা। ইচ্ছে গাঁও, সিলারি গাঁও, বারমিক সহ একাধিক জায়গা রয়েছে। সেগুলিও দেখে নিতে পারেন। আকাশ পরিষ্কার থাকলে দার্জিলিং আর সিকিম একই সঙ্গে দেখা যায়। রাতের দৃশ্য অসাধারণ লাগে।

কাজেই এবার পুজোয় বা ২ তিন দিনের ছুটিতে বেড়িয়ে যান এমনই একটি অফবিট জায়গায়। তবে এখানে আগে থেকে হোম স্টে বুক করে রাখা ভাল। কারণ এতোটাই ছোট এই গ্রাম যে একটি বা দুটি হোমস্টে রয়েছে। সেগুলি অধিকাংশ সময়েই ভর্তি থাকে। তাই আগে থেকে বুক করে যাওয়া ভাল।












Click it and Unblock the Notifications