সামনেই আসছে শিবরাত্রি, বেড়িয়ে আসুন কলকাতার কাছে রহস্যে ঘেরা এই শিব মন্দির থেকে
কলকাতার কাছেই রয়েছে জটার দেউল নামে রহস্যে ঘেরা এই শিব মন্দির
মাঘ মাস প্রায় শেষের পথে। তবে এখনও কাটেনি শীত। এখনও বেড়ানোর মনোরম পরিবেশ রয়েছে। কনকনে ঠান্ডাও নেই আবার রোদের প্রখর তেজ নেই সেই। এখনও বেড়ানোর অনেক সুযোগ রয়েছে। কলকাতার কাছেই রয়েছে অনেক অজানা ডেস্টিনেশন। তার মধ্যে অন্যতম জটার দেউল। শোনা যায় এখানকার শিবমন্দির নাকি খুবই জাগ্রত।

ঘরের কাছেই বেড়ানো
শীতের পড়ন্ত বেলা এখন। যাই যাই করেও যাচ্ছে না শীত। এই অবস্থায় বেড়ানোর একটা দারুন সময়। আর কয়েকদিনের মধ্যে স্কুেলর পরীক্ষাও সব শেষ হয়ে যাবে। ব্যাস আর চিন্তা নেই ব্যাগ গুছিয়ে বেড়িয়ে পড়ুন। কলকাতার কাছেই রয়েছে অনেক অজানা সব বেড়ানোর জায়গা। অনেকেই জানেন না সেখানকার কথা। অনেকে আবার জানেন কিন্তু যাওয়ার সময় হয়ে ওঠেনি। এবার আর দেরি না করে এক দিনের জন্য বেড়িয়ে আসুন সেখান থেকে।

জটার দেউল
কলকাতার কাছেই রয়েছে এই পর্যটন কেন্দ্রটি। দক্ষিণ ২৪ পরগনার মথুরাপুরে। সেখানে রয়েছে একটি জাগ্রত শিব মন্দির। যার নাম জটার দেউল। অনেকেই হয়তো শুনেছেন। আবার অনেকে জানেন না। একদিনের মধ্যেই সেখান থেকে ঘুরে আসা যায়। রাত্রি বাসের প্রয়োজনও নেই। শিয়ালদহ স্টেশন থেকে অসংখ্য ট্রেন রয়েছে। আবার গাড়িতে সড়ক পথেও আসা যায়। মথুরাপুর স্টেশন থেকে রায়দিঘি বাস স্টপে অটো বা টোটোয় করে চলে আসুন। সেখান থেকে বাসে করে মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যেই পৌঁছে যাওয়া যাবে জটার দেউলে। আবার অটো করেও আসা যায় এখানে। জায়গাটির নাম পূর্ব জটা। একেবারে মন্দিরের সামনে পর্যন্ত যায় গাড়ি।

কী আছে জটার দেউলে
জটার দেউল। অর্থাৎফ শিব মন্দির। শিবের জটার নামে এই মন্দিরের নাম হয়েছে জটার দেউল। এখানে শিবরাত্রি এবং চড়কে ধুমধাম করে পুজো হয়। মেলা বসে। এখানকার শিবের নাম দেব দেউল শিব মন্দির। কোন এক সময়ে নাকি আদি গঙ্গার মধ্যে ছিল মন্দিরটি। ৯৭৫ খ্রীষ্টপূর্বাব্দে মন্দিরটি তৈরি হয়েছিল। এটি তৈরি করেছিলে বিক্রমপুরের চন্দ্র বংশের রাজা জয় চন্দ্র এটি তৈরি করেছিলেন। এই মন্দিরের ৫০০ মিটারের মধ্যে কোনও খনন কাজ করা যাবে না বলে নির্দেশিকা জারি করেছে প্রত্ন তত্ব বিভাগ।

মন্দিরের বিশেষ উৎসব
শিবরাত্রিতে মেলা তো বসেই এছাড়াও একটা বিশেষ উৎসবের আয়োজন করে থাকে মন্দির কর্তৃপক্ষ। যাকে বলা হয় ঘোড় দৌড়। এখানে ঘোড় দৌড় প্রতিযোগিতা হয়। এই মন্দিরের রহস্য অনেক রয়েেছ। গ্রামবাসীরা দাবি করেন এই মন্দিরের ভেতরে কখনও আলো জ্বালানো যায় না। যতবারই নাকি চেষ্টা করা হয়েছে আলো জ্বালানোর সেটা থাকেনি। হয় বাল্প ফিউজ হয়ে গিয়েছে। না হয় বিদ্যুৎ সংযোগ পাওয়া যায় নি।
ছবি সৌ:অনির্বাণ চক্রবর্তী/ইউটিউব












Click it and Unblock the Notifications