অফিসে ছুটি নেই, মাত্র ২ দিনের ছুটিতে বেড়িয়ে আসুন বুংকুলুং
অফিসে ছুটি পাচ্ছেন না। হাতে ২ দিনের ছুটিতে বেড়িয়ে আসুন মিরিকের কাছে অফবিট ডেস্টিনেশন বুংকুলুং। মিরিকের একেবারেই কাছে কিন্তু এখানে খুব কমই পর্যটকরা আসেন। এমনই একটা জায়গা বুংকুলুং। চা-বাগানের মাঝে নিরিবিলি একটা জায়গা। খুব বেশি পর্যটকের ভিড় নেই এখানেষ।
বুংকুলুং এমন নাম কেউ প্রায় শোনেনি। এমনই একটা জায়গা বুংকুলুং। পাহাড়ের কোলে লুকিয়ে রয়েছে একটা অফবিট কেন্দ্রটি। খুব বেশি পর্যটকের ভিড় হয় না এখানে। একটা ইকো কটেজ রয়েছে যেটি ছবির মতো সুন্দর। গাছপালার ভিড়ে। প্রচুর গাছপালার মাঝে লুকিয়ে রয়েছে একটা ছোট্ট জায়গা।

মিরিকের কাছে কিন্তু মিরিক পর্যন্ত যেতে হবে না। েসকারণে এনজেপি থেকে গাড়ি বুক করে নেওয়াই ভাল। অফবিট লোকেশন বলে গাড়িভাড়া একটু বেশিই লাগে। এনজেপি থেকে ৫০ কিলোমিটার দূরে রয়েছে এই বংকুলুং। এখানে শেয়ারে যেতে হলে এনজেপি থেকে মিরিকের গাড়িতে বুধিয়া নামতে হবে। তারপরে আলাদা গাড়িতে যেতে হবে বুংকুলুং। বুধিয়ার মঞ্জু পার্ক থেকে ৮ কিলোমিটার দূরে রয়েছে এই বুংকুলুং।

বুংকুলুং পাহাড়ি গ্রাম হলেও এখান থেকে কিন্তু কাঞ্জনজঙ্ঘা দেখা যায় না। এখানে সবুজ পাহাড়। তার সঙ্গে চা-বাগান। মিরিকের কাছে হওয়ায় এখানে চা-বাগানের ভিড় বেশি। সেকারণে সকাল বেলা ব্রেকফাস্ট সেরে পায়ে পায়ে ঘুরে নিতেই পারেন চা-বাগানের আনাচে কানাচে। বেশ অন্যরকম একটা অভিজ্ঞতা হবে। চা-শ্রমিকদের কাজ দেখতে পাবেন। পূর্ণিমার রাতে এই চা বাগানগুলো আরও মোহময়ী হয়ে ওঠে।

বুংকুলুং শব্দটি লেপচা শব্দ। এর অর্থ অর্থ ফলিং স্টোন। সেকারণে বুংকুলুংর মাটি একেবারেই পাথুরে। বুংকুলং দিয়ে বয়ে গিয়েছে বালাসন নদী। পাহাড়ের উপত্যকার মাঝে বয়ে চলেছে এই বালাসন নদী। এই নদীর সঙ্গে বসে আসা পাথর আম মাটি থেকেই বুংকুলুং জায়গাটি তৈরি হয়েছে। সেকারণে এখানকার চারপাশ এতো সবুজ দেখায়।
বুংকুলংয়ে একটা দিন কাটিয়ে চলে যেতে পারবেন দার্জিলিং, কালিম্পং, কার্শিয়াংয়ে। যেখানে যেতে ইচ্ছে করবে। একেবারে চা-বাগানের মধ্য দিয়ে গাড়ি যাবে দার্জিলিংয়ের পথে। তারপরে টয়ট্রেনের রেললাইনকে সঙ্গে নিয়ে ধাপে ধাপে গাড়ি উঠে যাবে দার্জিলিংয়ের পথে। আবার দার্জিলিং দেখে ফেরার পথেও বুংকুলুং হয়ে যেতে পারেন।












Click it and Unblock the Notifications