চাঁদে পাড়ি দেবে ভারত, চন্দ্রযান ৩-এর উৎক্ষেপণের তারিখ নির্ধারণ করে ফেলল ইসরো
আবারও চাঁদের পাড়ি দিয়ে চলেছে ভারত। চন্দ্রযান ৩-এর উৎক্ষেপণের প্রস্তুতি চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে। এমনকী উৎক্ষেপণের তারিখ পর্যন্ত চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে। এবার সবদিক আঁটোসাঁটো করে ইসরো কোমর বেঁধেছে চন্দ্র মিশনকে সাফল্যের ঠিকানায় পৌঁছে দিতে।
ভারতের চন্দ্রযান থ্রি মিশনে সবচেয়ে ভারী ভেহিকেল লঞ্চ করতে চলেছে। একে ভেহিকেল মার্ক-থ্রি বা জিএসএলভি এমকে থ্রি-ও বলা হচ্ছে। ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো ভারতের চন্দ্র মিশনে চন্দ্রযান-৩ উৎক্ষেপণের প্রস্তুতির চূড়ান্ত করে ফেলেছে।

ইতিমধ্যে এই চন্দ্রযান থ্রি মহাকাশযানটি ইউআর রাও স্যাটেলাইট সেন্টারে পেলোডের চূড়ান্ত সমাবেশ করা হয়েছে। চন্দ্রযান-৩ মিশনটি চন্দ্রের রেগোলিথের তাপ, ভৌত বৈশিষ্ট্য, চন্দ্র ভূকম্পন, চন্দ্র পৃষ্ঠের প্লাজমা পরিবেশ এবং চাঁদে অবতরণ স্থানের আশেপাশে মৌলিক গঠন নিয়ে গবেষণায় বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি বহন করে নিয়ে যাবে।
ইসরো জানিয়েছে, আগামী জুলাই মাসে চন্দ্রযান-৩ মহাকাশযানটি উৎক্ষেপণ করা হবে। আমরা জুলাইয়ের প্রথম বা দ্বিতীয় সপ্তাহে তা উৎক্ষেপমের প্রস্তুতি চূড়ান্ত করেছি। তবে চূড়ান্ত তারিখ সম্বন্ধে এখনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছে ইসরো কর্তৃপক্ষ।
তারা আরো জানিয়েছে, এই বছরের মার্চ মাসে চন্দ্রযান-৩ মহাকাশযান সফলভাবে প্রয়োজনীয় পরীক্ষাগুলি সম্পন্ন করেছে। এর ফলে এই মহাকাশযানটির উৎক্ষেপণে কোনো বাধা নেই। এখন শুধু উৎক্ষপণের অপেক্ষা।

চন্দ্রযান-৩ মহাকাশযানের চাঁদে পাড়ি ইসরোর চন্দ্র মিশনের অংশ। শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান মহাকাশ কেন্দ্র থেকে ভারতের সবচেয়ে ভারী মহাকাশযান চাঁদে পাড়ি দেবে। এই মহাকাশযান তিনটি সিস্টেমের সমন্বয়। তা হল- প্রপালশন, ল্যান্ডার এবং রোভার।
ইতিমধ্যে চাঁদ নিয়ে নাসা তাদের আর্টমিস মিশন শুরু করেছে। আর্টেমস ওয়ান মিশন সেরে চন্দ্রযান ওরিয়ন ইতিমধ্যেই ফিরে এসেছে পৃথিবীতে। এবার চাঁদে আর্টেমিস টু মিশন শুরু করবে নাসা। এই মিশনে তারা চাঁদের কক্ষপথে পাঠাবে চার মহাকাশচারীকে। এ যাত্রায় তাঁরা চাঁদে নামবেন না।

এরপর আর্টেমিস থ্রি মিশনে তাঁরা চাঁদে নামবেন। তা হবে ১৯৭২ সালের পর পর প্রথম চাঁদে মানব অভিযান। অ্যাপোলো মিশনের পথ ধরে আর্টেমিস মিশনে ফের চাঁদের মাটিতে পা রাখবেন পৃথিবীর নভশ্চররা। সেদিনের অপেক্ষায় এখন প্রহর গুণছেন নাসা নভশ্চর ও মহাকাশ বিজ্ঞানীরা।
চাঁদ নিয়ে অবস্য উৎসাহের শেষ নেই নাসা ব্যাতিত অন্যান্য মহাকাশ গবেষণা সংস্থারও। মার্কিন সংস্থা নাসার পাশাপাশি চাঁদে পাড়ি দেবে চিনও। এসাও তাদের মতো করে চেষ্টা করছে। জাপানি সংস্থা থেকে শুরু করে বেসরকারি বহু সংস্থাও চাঁদে পাড়ি দিতে মুখিয়ে রয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications