মমতা কেন চাকরি দিতে চান না? বিস্ফোরক দাবি শুভেন্দুর, তাঁর গলায় জ্যোতি বসুর প্রশংসা
শুভেন্দু অধিকারীর মুখে শোনা গেল জ্যোতি বসু সম্পর্কে প্রশংসা। পাশাপাশি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারকে আক্রমণ করলেন স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিমায়। কেন মুখ্যমন্ত্রী চাকরি দিতে চান না? সেই কথাও পরিষ্কার করলেন শুভেন্দু।
শুক্রবার পূর্ব মেদিনীপুর জেলার রামনগরে দলীয় বুথ কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর মুখে রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর প্রশংসা শোনা গেল।

১৯৯৫ সালে জ্যোতি বসু কাঁথির নির্বাচনে ভোট লুট করেননি। ২০২২ সালের ভোটে মমতা সরকার সেটা করেছে। পুরসভা ও পঞ্চায়েতে ভোট হয়নি। ফের দাবি করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। এর শাস্তি তৃণমূলকে পেতেই হবে। এমনই দাবি তাঁর।
শুভেন্দুর কথায়, যদি কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা সরে যেতে পারে, ছত্রিশগড়ে বিপুল জয় হতে পারে, তেলেঙ্গানাতে আটটি আসনে জয় হতে পারে, রাজস্থানে নরেন্দ্র মোদীকে ভোট দিতে পারে, তাহলে কেন পশ্চিমবঙ্গে সম্ভব হবে না? কাঁথির ছেলে হিসেবে কথা দিলাম, এখানে বিজেপি সরকার হবে।
চাকরি দিতে চান না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ? এই প্রসঙ্গে মারাত্মক কথা বললেন শুভেন্দু। তাঁর কথায়, আমি মন্ত্রিত্ব থাকাকালীন আমাকে বলেছিলেন, একটা চাকরি দিতে ২৫ হাজার বেতন দিতে হবে। ওই ২৫ হাজার টাকায় মাত্র চারটে ভোট পাব। কিন্তু ওই টাকাকে ৫০০ করে পরিবার পিছু দিলে তাতে ২০০ ভোট পাব। মমতা চাকরি দিতে চায় না।
সংখ্যালঘুদের প্রসঙ্গেও বক্তব্য রেখেছেন শুভেন্দু। দুর্নীতির সঙ্গে তারা আর থাকবে না। সাধারণ লক্ষ লক্ষ মুসলিম গরিব হয়েছেন। গত ১২.৫ বছরে শওকত মোল্লা, জাহাঙ্গির, শাহজাহান শেখের মতো মুসলিম গুন্ডারা গোটা রাজ্যকে লুট করে বড়লোক হয়েছে। তাই সংখ্যালঘুরা বুঝেছে, আর ওদের সঙ্গে থাকবে না।
বিজেপি সরকার রাজ্যে আসুক। শিবরাজ সিং চৌহানের মতো পশ্চিমবঙ্গে 'লাডলি বহেন' প্রকল্প চালু হবে। রাজস্থানের মতো ৪৫০ টাকায় ক্যাশ দেওয়া হবে। পশ্চিমবঙ্গের ৩০ লক্ষ খালি পদ চাকরি দিয়ে পূরণ করা হবে। এই দাবিও করেছেন তিনি।
বর্তমান রাজ্য সরকারে ৬ লক্ষ চাকরির পদ আর রাখেনি। রাজ্যে বিজেপি সরকার হলে সেইসব চাকরির পদ ফিরিয়ে আনা হবে। ৫০ লক্ষ পরিযায়ী শ্রমিককে রাজ্যে ফেরানো হবে। এমনই দাবি শুভেন্দুর।












Click it and Unblock the Notifications