আম্ফানের জেরে রাজ্যে ফেরা হবে না পরিযায়ীদের! শ্রমিক স্পেশাল ট্রেন বন্ধের আবেদন জানাল নবান্ন

আম্ফানের তাণ্ডবে কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলা কার্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। বিভিন্ন জেলায় পুনর্বাসন প্রক্রিয়া চলছে। এহেন পরিস্থিতিতে ২৬ মে পর্যন্ত শ্রমিক স্পেশাল ট্রেন না চালানোর অনুরোধ করল রাজ্য। এই আবেদন জানিয়ে রেলবোর্ডের চেয়ারম্যানকে চিঠি দিয়েছেন মুখ্যসচিব রাজীব সিনহা।

আম্ফানের জেরে বাতিল করা হয়েছিল ট্রেন

আম্ফানের জেরে বাতিল করা হয়েছিল ট্রেন

আম্ফানের মোকাবিলায় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়ে বাতিল করা হয়েছিল হাওড়া-নিউ দিল্লি স্পেশাল এক্সপ্রেস। লকডাউন চলাকালীন এমনিতেই রেল পরিষেবা বন্ধ। একান্ত জরুরি কাজের ভিত্তিতে মানুষের যাতায়াতের জন্য রেলের তরফে শুরু করা হয়েছিল হাওড়া- নিউ দিল্লি এক্সপ্রেস। তবে বন্ধ রাখা হয়েছিলল সেই ট্রেনের যাত্রাও।

বাতিল হয়েছিল একাধিক শ্রমিক স্পেশাল

বাতিল হয়েছিল একাধিক শ্রমিক স্পেশাল

এদিকে আম্ফান আসার পূর্বাভাস পাওয়ার পরেই সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নিয়ে বাংলা ও ওড়িশার সমস্ত শ্রমিক স্পেশাল ট্রেন বাতিল করা হয়েছিল। ঝড়ের দাপটে ট্রেন উল্টে গিয়ে যাতে বড় কোনও দুর্ঘটনায় না পড়তে হয়, সে কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল রাজ্যের তরফে।

 কলকাতার প্রায় সব জায়গায় ভেঙে পড়েছে গাছ

কলকাতার প্রায় সব জায়গায় ভেঙে পড়েছে গাছ

ঘূর্ণিঝড় আমফানের জেরে কলকাতার প্রায় সব জায়গায় ভেঙে পড়েছে গাছ ও বিদ্যুতের খুঁটি। দু'দিন ধরে সেগুলি সরানোর কাজ করছে কলকাতা পুলিশ ও পৌরনিগম। কিন্তু, এখনও সেই কাজ সম্পূর্ণ হয়নি। ফলে, বেশিরভাগ রাস্তাই বন্ধ। আর তার জেরে ল্যাবরেটরিতে যেতে পারেননি বেশিরভাগ টেকিনিশিয়ান। ফলে, গত দু'দিনে রাজ্যে কোরোনার নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা অর্ধেক হয়ে গিয়েছে।

বুধবার রাজ্যে প্রবেশ করে আম্ফান

বুধবার রাজ্যে প্রবেশ করে আম্ফান

বুধবার দুপুর আড়াইটের সময় রাজ্যে প্রবেশ করে আম্ফান৷ পুরোপুরি প্রবেশ করতে সময় লেগে যায় তিন থেকে চার ঘণ্টা৷ স্থলভাগে প্রবেশের আগে থেকেই নিজের ভয়াবহতার জানান দিচ্ছিল আমফান ৷ সকাল থেকেই শুরু হয়েছিল ঝড়-বৃষ্টি ৷ সারাদিন ধরেই কলকাতা সহ রাজ্যজুড়ে চলে আমফানের দাপট ৷ বিকেল থেকেই নানা জায়গায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় ঝড়ের দাপটে৷ একাধিক জায়গায় ছিঁড়ে পড়ে বৈদ্যুতিক তার।

শহরের নানা জায়গা জলমগ্ন হয়ে পড়ে

শহরের নানা জায়গা জলমগ্ন হয়ে পড়ে

সেদিন রাত থেকেই শহরের নানা জায়গা জলমগ্ন হয়ে পড়ে৷ সকাল হলেও একাধিক জায়গায়জল নামেনি৷ আকাশ পরিষ্কার হতেই হাঁটুজল পেরিয়ে এলাকা পরিদর্শনে বেরিয়ে পড়েছেন অনেকে৷ গাছ উপড়ে বন্ধ হয়ে যায় চিত্তরঞ্জন অ্যাভিনিউ, গণেশচন্দ্র অ্যাভিনিউ, বেন্টিঙ্ক স্ট্রিট, বিটি রোডের একাংশ৷ সেই রাস্তা সাফাইয়ের কাজ এখনও চলছে। বারাসত, যাদবপুর সহ একাধিক জায়গায় চলছে বিদ্যুতের দাবিতে বিক্ষোভ।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+