Cabinet Meeting: বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনে জোর রাজ্যের, মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিরাট সিদ্ধান্ত
Cabinet Meeting: রাজ্যে বিদ্য়ুৎ কেন্দ্র স্থাপনে জোর দিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। আজ দুর্গাপুজোর আগে শেষ মন্ত্রিসভার বৈঠকে নেওয়া হলো বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত।
বৈঠকের পর বিদ্য়ুৎমন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস জানিয়েছেন, মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘিতে ৬৬০ মেগাওয়াটের সুপারক্রিটিকাল বিদ্য়ুৎ কেন্দ্র স্থাপনের অনুমোদন দিয়েছে রাজ্য মন্ত্রিসভা। আরও পাঁচটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তাব গৃহীতও হয়েছে।

ডিভিসির বিরুদ্ধে না জানিয়ে জল ছাড়ার অভিযোগ তুলে সম্প্রতি তাদের সঙ্গে সব সম্পর্ক ছিন্ন করার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী পাল্টা বলেন, মুখ্যমন্ত্রী যা বলেছেন তা করে দেখান। ডিভিসির সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করলে রাজ্যের ৮ জেলায় অন্ধকার নেমে আসবে।
রাজ্যে পালাবদলের পর কেটে গিয়েছে ১৩ বছর। তৃতীয় টার্মে মমতার নেতৃত্বাধীন সরকার কাটিয়ে ফেলেছে প্রায় সাড়ে তিন বছর। বিরোধীদের অভিযোগ, রাজ্য়ে বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের বিষয়টি গুরুত্ব দেয়নি তৃণমূল সরকার। এই আবহে আজকের মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনে জোর দেওয়ার বিষয়টি তাৎপর্যপূর্ণ।
অরূপ বিশ্বাস বলেন, সাগরদিঘিতে আমরা ৬৬০ মেগাওয়াটের নতুন সুপার ক্রিটিকাল পাওয়ার প্লান্ট গড়ছি। পূর্ব ভারতে আর কোথাও এমন বিদ্যুৎ কেন্দ্র নেই। এমনকী ন্যাশনাল থার্মাল পাওয়ার কর্পোরেশন কিংবা ডিভসিরও এমন বিদ্যুৎ কেন্দ্র নেই।
অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি সহযোগে সুপারক্রিটিকাল পাওয়ার প্লান্টের কাজ ৯৫ শতাংশ হয়ে গিয়েছে বলেও জানান বিদ্যুৎমন্ত্রী। তিনি বলেন, কম কয়লায় অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হবে। মার্চ মাসের মধ্যেই এই বিদ্য়ুৎ কেন্দ্রটি পুরোপুরিভাবে প্রস্তুত হয়ে যাবে বলে দাবি অরূপের।
পিপিপি মডেলে আরও বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনেও রাজ্য সরকার কাজ শুরু করে দিয়েছে বলে জানান অরূপ। তার মধ্যে একটি ১৬০০ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎ কেন্দ্র। চারটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র গড়ার ব্যাপারে কাগজপত্র তৈরি বলেও জানিয়েছেন বিদ্যুৎমন্ত্রী। খুব শীঘ্রই গ্লোবাল টেন্ডার প্রকাশ হবে। তবে কোথায় কোথায় বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলি হবে তা এদিন জানাননি অরূপ।
উল্লেখ্য, রাজ্য সরকারের বিদ্যুৎ কেন্দ্র রয়েছে সাগরদিঘি, বক্রেশ্বর, কোলাঘাট, ব্যান্ডেল ও দুর্গাপুরে। জানা গিয়েছে, পশ্চিম বর্ধমানের জামুড়িয়ায় শ্যাম শেল অ্যান্ড পাওয়ার লিমিটেডকে ইস্পাত ও বিদ্যুৎ কেন্দ্র গড়ার অনুমোদন দিয়েছে। এ জন্য প্রয়োজনীয় জমির বিষয়টিও চূড়ান্ত হয়েছে।
মন্ত্রিসভার বৈঠকে সকলকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, দুর্গাপুজোর সময়েও বন্যা পরিস্থিতির দিকে নজর রেখে দুর্গতদের পাশে থাকার জন্য। উত্তরবঙ্গের বন্যা কবলিত এলাকাগুলির পাশাপাশি নেপাল জল ছাড়ার ফলে যে আরও প্লাবন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, সে কথা মাথায় রেখে ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হয়েছে ইতিমধ্যেই। মুখ্য সচিব মনোজ পন্থ জানিয়েছেন, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদহ ও মুর্শিদাবাদ জেলাকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications