পাঁচ বছরে সোনার বাংলা তৈরি না হলে বদলে দেবেন, রাজ্যবাসীকে আবেদন রাজীবের
পাঁচ বছরে সোনার বাংলা তৈরি না হলে বদলে দেবেন, রাজ্যবাসীকে আবেদন রাজীবের
পাঁচটা বছর দিন। সোনার বাংলা তৈরি করব। না পারলে বদলে দেবেন। রাজ্যবাসীর উদ্দেশ্যে এমনটাই বার্তা দিলেন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি একাধিক ইস্যুতে নাম না করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তোপ দাগলেন তিনি। আজ মঙ্গলবার বারুইপুরের সভাতে যোগ দেন প্রাক্তন এই তৃণমূলের মন্ত্রী। আর সেখান থেকেই নাম না করে মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে কার্যত একের পর এক প্রশ্নবাণ ছোঁড়েন রাজীব। একই সঙ্গে সভা থেকেই রাজ্যকে 'সোনার বাংলা' তৈরির শপথ নেন রাজীব। বলেন, আমরা মানুষের সঙ্গে কাজ করতে চাই। চোখে মুখে স্বপ্ন রয়েছে কাজ করার। আর সেই স্বপ্ন ফেরি করেই মানুষের দরজায় দরজায় ফেরি করার কথা বলেন রাজীব। আর সেই স্বপ্ন কিভাবে বাস্তব হবে সেই পথের দিশাও এদিন দেখিয়েছেন রাজীব। বলেন, তাঁর সঙ্গে অমিত শাহের কথা হিয়েছে। বাংলায় বিজেপি ক্ষমতায় আসলে ঢালাও উন্নয়ন হবে। কেন্দ্র এবং রাজ্যে একটি দলেরই সরকার তৈরি হলে কেন্দ্র এবং রাজ্য একজোট হয়ে কাজ করবে। পাশাপাশি বাংলার জন্যে স্পেশাল আর্থিক প্যাকেজও অমিত শাহ দেবেন বলে তাঁকে জানিয়েছে বলে এদিন ফের একবার দাবি করেন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়।

কেন্দ্রের সঙ্গে শুধু ঝগড়া করেছেন মমতা
গত পাঁচ বছর ধরে শুধু কেন্দ্রের সঙ্গে ঝগড়া করেছেন উনি। ছোট বেলায় বামপন্থীদের মুখে শুনতাম কেন্দ্র খারাপ। ঠিক সেপথেই হেঁটেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, কেন্দ্র এটা করেনি, ওটা করেনি...। কেন্দ্রের সঙ্গে এত ঝগড়া করে কি হবে? মাঝেমধ্যে এই বিষয়টি নিয়ে দলের ভিতরেও আলোচনা হয় এদিন তা কিছুটা ইঙ্গিত দেন রাজীব। বলেন, মাঝেমধ্যে আমরা আলোচনা করতাম কি হবে কেন্দ্রের সঙ্গে এত ঝগড়া করে। কৃষক সম্মাননিধি প্রকল্প বাংলায় আনতেই দিল না। ঝগড়া করে কেন্দ্রের সাহায্য না নিয়ে বাংলাকে বঞ্চিত করলেন তিনি। এমনই একগুচ্ছ প্রকল্পও মুখ্যমন্ত্রী শুধুমাত্র কেন্দ্রের সঙ্গে ঝগড়া করে তা বাংলাতে নিয়ে আসতে দেননি। তাতে ক্ষতি হল সাধারন মানুষেরই। বাংলায় বেকার সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। কারন এখানে কোনও শিল্প তৈরি হয়নি। আর তা হয়নি বলেই বেকারের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে বলে দাবি তাঁর।

মুখ্যমন্ত্রীর কথায় বাঙালি আর বহিরাগত!
মুখ্যমন্ত্রী খালি বলছেন বাঙালি আর বহিরাগত! মঞ্চের দিকে আঙ্গুল দেখিয়ে রাজীব বলেন, আমি বাঙালি, মুকুলদা বাঙালি। আমরা বাঙালি, তাহলে উনি কার কথা বলছেন। এখানেই মুখ্যমন্ত্রীকে কার্যত সাবধান করে রাজীব বলেন, সাম্প্রদায়িকতার চেয়েও বেশি বড় আগুন জ্বালাচ্ছেন। রাজ্য পুড়ে ছাড়খাড় হয়ে যাবে। আপনি কাজ দিতে পারছেন না, তাই যুবসমাজ বাইরে চলে যাচ্ছে। ভিন রাজ্যে গিয়ে বহু বেকার যুবক-যুবতীরা কাজ করছেন। তাঁদের বিপদ বাড়াবেন না।

রাজীবের পাশাপাশি মমতাকে আক্রমণ করেন শুভেন্দুও
রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সঙ্গে বারুইপুরে এদিনের সভায় উপস্থিত ছিলেন শুভেন্দু অধিকারীও। সেই সভা থেকেই মুখ্যমন্ত্রীকে নাম না করে আক্রমণ করেন। একই সঙ্গে ফের একবার তোলাবাজ ভাইপো বলে অভিষেককে আক্রমণ শুভেন্দুর। তিনি বলেন, ভাইপো মধু খেয়েছে. আমরা শ্রমিক মৌমাছি, বারুইপুরে বললেন শুভেন্দু ভাইপো রানি মৌমাছি, মধু খেয়ে গিয়েছে। আমরা তো স্রমিক মৌমাছি। আপনার ছোট বাড়ি থেকে কী হল সবাই দেখছে। নাম না করে এভাবেই আক্রমণ শানান তিনি।












Click it and Unblock the Notifications