৩৩৪২ পঞ্চায়েতে মহিলা কর্মিসম্মেলনের লক্ষ্যমাত্রা! তৃণমূলের পাখির চোখ মহিলা ভোটব্যাঙ্ক
মহিলা ভোটব্যাঙ্ক করায়ত্ত করতে ঝাঁপাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। পঞ্চায়েত ভোট যখন দুয়ারে কড়া নাড়ছে, তখন জোড়া কর্মসূচি নিয়ে তৃণমূল প্রচারে নামার পরিকল্পনা করেছে। একটি ‘চলো গ্রাম যাই’। আর অন্যটি ৩৩৪২টি বুথে কর্মি সম্মেলন।
মহিলা ভোটব্যাঙ্ক করায়ত্ত করতে ঝাঁপাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। পঞ্চায়েত ভোট যখন দুয়ারে কড়া নাড়ছে, তখন জোড়া কর্মসূচি নিয়ে তৃণমূল প্রচারে নামার পরিকল্পনা করেছে। একটি 'চলো গ্রাম যাই'। আর অন্যটি ৩৩৪২টি বুথে কর্মি সম্মেলন। প্রথমটির লক্ষ্য জনসংযোগ, দ্বিতীয়টি বুথ সংগঠনকে শক্তিশালী করা। আর দুই কর্মসূচিরই সাধারণ লক্ষ্য হল মহিলা ভোট।

গ্রামের ভোটে সাফল্য পেতে মহিলা ভোট ব্যাঙ্কে নজর দিয়েছে তৃণমূল। তাই 'চলো গ্রামে যাই' কর্মসূচির মাধ্যমে মহিলাদের সঙ্গে জনসংযোগ স্থাপন করতে চাইছে। এই কর্মসূচিতে তৃণমূল কংগ্রেস মূলত মহিলা নেতৃত্বকে দিয়ে এই প্রচার পর্বে নামতে চলেছে। বাড়ি বাড়ি জনসংযোগে যাবেন তৃণমূলের মহিলা কর্মীরা।
এই জনসংযোগ কর্মসূচিতে বুথস্তরের মহিলা কর্মীরা প্রতিটি বাড়ি পরিদর্শনে যাবেন, মহিলাদের সঙ্গে কথা বলবেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মহিলাদের আর্থ সমাজিক প্রতিষ্ঠার জন্য যে সমস্ত প্রকল্প নিয়েছেন, যেমন- কন্যাশ্রী, রূপশ্রী, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, বিধবা ভাতা, এই সমস্ত সুবিধা তাঁরা পাচ্ছেন কি না, তা জানার চেষ্টা করবেন। যদি তাঁরা না পেয়ে থাকেন তার বন্দোবস্ত করে দেবেন।
এছাড়া রাজ্যে মোট ৩ হাজার ৩৪২টি পঞ্চায়েত রয়েছে। এই সবকটি পঞ্চায়েতেই মহিলা তৃণমূল কংগ্রেস 'পঞ্চায়েতি সভা' করার পরিকল্পনা নিয়েছে। অর্থাৎ মহিলা কর্মী-সম্মেলন করে বুথ সংগঠনকে আরও মহিলাদের উপস্থিতি বাড়াতে চাইছে। বুথের সংগঠনের মহিলার সংখ্যা বাড়িয়ে বিজেপিকে মাত দিতেচাইছে। প্রতিটি বাড়ির মহিলাদের টার্গেট করা হচ্ছে। মহিলা নেতৃত্বর মাধ্যমে গ্রামের সমস্ত মহিলাদের দলীয় সভায় নিয়ে এসে সংগঠন বাড়ানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে।
রাজ্যে প্রায় ৪৯ শতাংশ মহিলা রয়েছে। ফলে মহিলা মন জয়ে বিশেষ প্রচারের পরিকল্পনা নিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। মহিলা ভোট করায়ত্ত করতে পারলে তৃণমূলকে আর সাফল্যের ব্যাপারে চিন্তা করতে হবে না। সে জন্য মহিলাদের দলে টানতে এই জোড়া কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। সেইমতো মহিলা ভোটকে পাখির চোখ করে পঞ্চায়েতের প্রচারে নামতে চলেছে তৃণমূল।
একদিকে ১ নভেম্বর থেকে ২৫ দিন করে তিনটি ধাপে আড়াই মাস ধরে চলবে 'চলো গ্রামে যাই' শীর্ষক জনসংযোগ কর্মসূচি। অন্যদিকে প্রতিটি পঞ্চায়েতে মহিলা কর্মী সম্মেলন করবে তৃণমূল কংগ্রেস। বাংলার একটা বড় অংশের মহিলারা মমতাকে সমর্থমন করেন। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার চালুর পর এই সমর্থন আরও বাড়বে বলে তৃণমূল আশাবাদী। তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেন, সমান্তরালভাবে দুটি কর্মসূচি চলবে।












Click it and Unblock the Notifications