রবীন্দ্রনাথ-বঙ্কিমকে অসম্মান! সুকান্তকে তীব্র কটাক্ষে বিঁধল তৃণমূল
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ছবি পায়ের কাছে রাখার অভিযোগ উঠল কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ড. সুকান্ত মজুমদারের বিরুদ্ধে। যে কারণে তাঁকে তীব্র কটাক্ষ করল তৃণমূল কংগ্রেস।
সম্প্রতি মালদহের চাঁচল কলেজে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ নরেন্দ্র মোদী, অমিত শাহের সঙ্গে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছবি পুড়িয়েছে বলে দাবি করে একটি ভিডিও পোস্ট করেছিলেন সুকান্ত। সেই সংক্রান্ত প্রতিবাদ সভাতেই এবার নিজেই বিতর্কে জড়ালেন সুকান্ত।

মালদহের ওই ঘটনায় অভিযুক্তকে বহিষ্কারের পাশাপাশি চাঁচল কলেজের টিএমসিপি ইউনিট ভেঙে দিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছে তৃণমূল। গ্রেফতার করা হয় নাসিমুল হক ওরফে সোয়েলকে। বছর চব্বিশের সোয়েল ওই কলেজের প্রাক্তনী। কলেজ থেকে পাশ করে যাওয়ার পরেও টিএমসিপি ইউনিটের সদস্য ছিলেন।
গতকাল নৈহাটির সাহেব কলোনি থেকে গৌরীপুর পর্যন্ত বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা আয়োজন করেছিল বিজেপির ব্যারাকপুর সাংগঠনিক জেলা। বাঙালির আত্মা, বিশ্ববন্দিত কবিগুরুকে মালদার চাঁচলে তৃণমূলের অপমানের প্রতিবাদে এবং রাজ্য পুলিশের দ্বারা বিজেপি কর্মীদের উপর মিথ্যে মামলা ও বেআইনি গ্রেফতারের প্রতিবাদে। সেই প্রতিবাদ সভায় মঞ্চের সামনে নীচে রাখা ছিল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ছবি। ফলে সুকান্ত যখন বক্তব্য পেশ করছিলেন তখন কার্যত তাঁর পায়ের কাছে ছিল রবি ঠাকুরের ছবি।
এই ছবি পোস্ট করে তৃণমূল কংগ্রেসের ফেসবুকে লেখা হয়- "বিজেপিকে বাংলা-বিরোধী কি আর সাধে বলে! কোটি কোটি বাঙালি যাঁকে হৃদয় মাঝে রাখে, সেই প্রাণের কবি, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছবিকে নিজের পদতলে রাখার মতো গর্হিত অপরাধ করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার।
ঔদ্ধত্য দেখানোর একটা সীমা আছে সুকান্তবাবু! দিল্লির বাবুদের মন পেতে বাঙালির সম্মান, বাঙালির মর্যাদাকে ধুলুণ্ঠিত করার অধিকার আপনাকে কে দিল? সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ছবিকেও অপমান করছেন আপনারা। বাংলার মানুষ এই ঔদ্ধত্যকে ক্ষমা করবে না। যোগ্য জবাব পাবে এই বাংলা-বিরোধীরা!" তৃণমূল কংগ্রেস মুখপাত্র কুণাল ঘোষ ফেসবুকে লেখেন,"বলছি, সুকান্তবাবুর পায়ের কাছে ওটি কার ছবি? সূত্র দিল। সত্যতা যাচাই সম্ভব হয়নি।"












Click it and Unblock the Notifications