একুশে শহর বনাম গ্রামের লড়াই! ছিন্নমূলেরা দেখবে পান্তাভাত খাওয়া শুভেন্দু-দিলীপের ক্ষমতা
একুশে শহর বনাম গ্রামের লড়াই, ছিন্নমূলেরা দেখবে পান্তাভাত খাওয়া শুভেন্দু-দিলীপের ক্ষমতা
২০২১-এর লড়াই শহরের সঙ্গে গ্রামের লড়াই। এ লড়াই করে জিততে হবে। তাই আমরা পান্তভাত খাওয়া নেতারা হাতে হাত মিলিয়েছি। এবার পদ্মফুল ফুটবেই। রবিবার মেদিনীপুরের দাঁতনের সভা থেকেই লড়াই ফিক্সড করে নিলেন শুভেন্দু অধিকারী। ২০২১-এর এই লড়াইয়ে বাংলায় পদ্মফুল ফুটবেই, দৃঢ়প্রতিজ্ঞ শুভেন্দু দিলেন বার্তা।

দিলীপ ঘোষ আর শুভেন্দু অধিকারী এবার হাত মিলিয়েছে
শুভেন্দু বলেন, লালমাটির দেশের দিলীপ ঘোষ আর সমুদ্রের ধারের শুভেন্দু অধিকারী এবার হাত মিলিয়েছে। আর ব্রাত্য থাকবে না গ্রামের মানুষ। গ্রামই এবার হারাব শহরকে। গ্রামের মানুষের সরকার প্রতিষ্ঠা হবে বাংলার বুকে। আমরা প্রমাণ করে দেব বানের জলে ভেসে আসিনি আমরা। আমরা বিদ্যাসাগরের দেশের লোক, আমাদের মাথাতেও বুদ্ধি আছে।

মেদিনীপুরের মানুষকে বিশ্বাসঘাতক বলেছে তৃণমূল!
দিলীপদা আমাকে বলেন, শুভেন্দু তুমি খড়গপুর হারিয়েছো, তোমাকেই জেতাতে হবে। আমি বলেছি, জেতাব। আপনারা আমাদের সঙ্গে থাকলেই আমরা জিতব। এদিন পশ্চিম মেদিনীপুরের মানুষকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, গোটা মেদিনীপুরের মানুষকে বিশ্বাসঘাতক বলেছে তৃণমূল। আপনারা এবার যোগ্য জবাব দেবেন তো!

আমরা বানের জলে ভেসে আসিনি, জবাব শুভেন্দুর
শুভেন্দুর কথায়, তৃণমূল মনে করেছিল আমরা বানের জলে ভেসে এসেছি, তাই না। এবার তার জবাব দেব। তৃণমূলে সব কিছু কলকাতার। ২২ জনের ১১ জন সাংসদ কলকাতা ও শহর এলাকার। কলকাতার ৩-৪টে লোকের হাতেই হাতে সব মন্ত্রিত্ব। তৃণমূলের যা কিছু অধিকাংশ কলকাতার। আমরা গ্রামের লোকেরা কি বানের জলে ভেসে এসেছি। এবার এই লড়াই বুঝে নেওয়ার পালা

ভিতরে ছিলাম, ঘেন্না ধরে গিয়েছে! কটাক্ষ শুভেন্দুর
শুভেন্দু বলেন, আমি ভিতরে ছিলাম, ঘেন্না ধরে গিয়েছে। এই দলটা যেভাবে চলেছে, সরকার যেভাবে চলেছে, তা কহতব্য নয়। সমস্ত কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলোকে কীভাবে নাম পাল্টানো হয়েছে। তৃণমূলকে ছিন্নমূল বলে কটাক্ষ করে শুভেন্দু বলেন, সবুজ সাথীতে ভাঙা সাইকেল দিয়েছে। এর মধ্যেও হয়তো ভাতিজা ভেট রয়েছে।

একুশে শহরকে হারাবে গ্রাম, চ্যালেঞ্জ শুভেন্দুর
শুভেন্দু বলেন, তৃণমূলের একজন সাংসদ গোটা মেদিনীপুরকে বিশ্বাসঘাতক বলেছেন। এই মেদিনীরপুরে বিদ্যাসাগর-ক্ষুদিরাম-মাতঙ্গিনীদের জন্ম। এরপরও মেদিনীপুরকে বিশ্বাসঘাতক বলে অপমান করেছে। এবার জবাব দিতে হবে একুশে। আমরা গ্রামের মানুষ বলে অপমান সহ্য করব না। এবার শহরকে হারাবে গ্রাম।












Click it and Unblock the Notifications