মমতাকে সুপ্রিম ধাক্কা মোদীর! পাহাড়ে বাহিনী বিতর্কে সিলমোহর কেন্দ্রের সিদ্ধান্তে
মোর্চা সুপ্রিমো বিমল গুরুংকে ধরতে পাহাড়ে অভিযানে নেমে দার্জিলিং পুলিশের সাব ইন্সপেক্টর অমিতাভ মালিকের মৃত্যু হয়। তারপরই পাহাড় থেকে বাহিনী সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে কেন্দ্র।
পাহাড়ে বাহিনী বিতর্কে হাইকোর্টে ধাক্কা খেয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকার। সেখানে সাময়িক স্বস্তি মিলল মোদী সরকারের। সুপ্রিম কোর্ট কার্যত সিলমোহর দিল কেন্দ্রের সিদ্ধান্তকেই। কলকাতা হাইকোর্টের রায় খারিজ করে দিয়ে দেশের শীর্ষ আদালত জানিয়ে দিল, পাহাড় থেকে সাত কোম্পানি বাহিনী সরিয়ে নিতে পারবে কেন্দ্র।

শুক্রবার অন্তর্বর্তী রায়ে সুপ্রিম কোর্ট স্থগিতাদেশ দেয় হাইকোর্টের শুনানির উপরও। ২৭ নভেম্বর এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। সেদিনই রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারকে হলফনামা দায়ের করে বক্তব্য পেশ করতে বলা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট জানায়, কেন্দ্রীয় সরকার সাত কোম্পানি বাহিনী সরিয়ে নিতে পারে। তবে বাকি আট কোম্পানি সেনা মোতায়েন থাকবে পাহাড়ে।
কেন্দ্রীয় সরকার পাহাড় থেকে সাত কোম্পানি সেনা সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্তের পরই রাজ্যের সঙ্গে সংঘাত চরমে ওঠে। কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা পর্যন্ত হয়। সেই মামলায় কেন্দ্রীয় সরকারের সিদ্ধান্তের ঘোর সমালোচনা করে হাইকোর্ট। সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শীর্ষ আদালতে যায় কেন্দ্রীয় সরকার। শীর্ষ আদালত কেন্দ্রীয় সরকারকে পাহাড়ে বাহিনী প্রত্যাহার নিয়ে সাময়িক স্বস্তি দেয়।

মোর্চা সুপ্রিমো বিমল গুরুংকে ধরতে পাহাড়ে অভিযানে নেমে দার্জিলিং পুলিশের সাব ইন্সপেক্টর অমিতাভ মালিকের মৃত্যু হয়। তারপরই পাহাড় থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনী সরিয়ে নেওয়ার কথা ঘোষণা করে দেয় মোদী সরকার। কেন্দ্র পাহাড় থেকে বাহিনী সরিয়ে নেওয়ার কথা জানানোর পরই রাজ্যের সঙ্গে সংঘাতের সূত্রপাত। হাইকোর্ট রায় দিয়েছিল, পাহাড় থেকে এখনই ১৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী সরানো যাবে না।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তকে হঠকারী বলে বর্ণনা করেন। সুপ্রিম কোর্টের শুনানি কেন্দ্রের সিদ্ধান্তের পক্ষে যাওয়ায় বিজেপি শিবির উল্লসিত। বিজেপি মনে করে, পাহাড়ের পরিস্থিতি মোকাবিলা রাজ্যকেই করতে হবে। কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্যের হিংসা দমনের জন্য নয়। এটা রাজ্য সরকারের দায়িত্ব।












Click it and Unblock the Notifications