সুবীরেশ মজুমদারের নির্দেশেই পরীক্ষার্থীদের মার্কশিটে নম্বর বদল! আদালতে বিস্ফোরক CBI
সুবীরেশ মজুমদারের নির্দেশেই পরীক্ষার্থীদের মার্কশিটে নম্বর বদল! আদালতে বিস্ফোরক CBI
প্রার্থীদের নম্বর বদল হয়েছে সুবীরেশ মজুমদারের কথাতেই! এমনকি তাঁর নির্দেশেই পরীক্ষার্থীদের মার্কশিটে নম্বর বদল হয়েছে বলেও চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্জের। নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে নেমে ইতিমধ্যে একাধিক সরকারি আধিকারিককে গ্রেফতার করা হয়েছে। আর সেই দুর্নীতি মামলাতেই গত কয়েকদিন আগেই সুবীরেশ মজুমদারকে গ্রেফতার করে সিবিআই। আজ সোমবার তাঁকে আদালতে তোলা হলে প্রাক্তন এই শিক্ষাকর্তার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ তদন্তকারীদের। যা নিয়ে নতুন করে অস্বস্তি বাড়ছে।

তদন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্তরে রয়েছে
জেল হেফাজত শেষে আজ সুবীরেশ মজুমদারকে আদালতে তোলা হয়। সেখানে জামিনের আবেদন জানান তিনি। যদিও সিবিআইয়ের তরফে সেই জামিনের আবেদন পালটা খারিজের আবেদন জানানো হয়। তদন্তকারী সংস্থা আইনজীবী মারফৎ জানান, এই মুহূর্তে তদন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্তরে রয়েছে। ফলে সুবীরেশ জামিন পেলে তদন্তে সমস্যা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এমনকি প্রভাবিত হতে পারে বলেও শুনানিতে সওয়াল আইনজীবীর। শুধু তাই নয়, ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত সিবিআইয়ের।

১৯ অক্টোবর পর্যন্ত জেল হেফাজত
এছাড়াও আরও বেশ কিছু নথি মিলেছে বলেও এদিন শুনানিতে জানান কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। আর সেই সমস্ত তথ্যের ভিত্তিতে সুবীরেশ মজুমদারকে জেরা করা হবে বলেও জানানো হয়। এই বিষয়ে কেস ডায়েরিতে সব আছে বলেও আদালতকে জানায় সিবিআই। অন্যদিকে হপাল্টা জামিনের আবেদন জানান সুবীরেশের আইনজীবী। সওয়ালে তিনি জানান, তাঁর মক্কেলের শরীর ভালো নেই। এবং শিক্ষকমহলেও একটা জায়গা রয়েছে। সবদিক ভেবেই সুবীরেশের জামিনের জন্যে আদালত জানান আইনজীবী। এমনকি জেলের খাবার নিয়েও আদালতে জেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানান সুবীরেশ মজুমদার। দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত যদিও তাঁর জামিনের আবেদন খারিজ করে দেয়। আগামী ১৯ অক্টোবর পর্যন্ত জেল হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ

এসএসসির চেয়ারম্যান হিসাবে কাজ করেছেন সুবীরেশ
বলে রাখা প্রয়োজন, তৃণমূল জামানার একটা বড় সময়ে এসএসসির চেয়ারম্যান হিসাবে কাজ করেছেন সুবীরেশ ভট্টাচার্য। ২০১৪ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত এসএসসি-র চেয়ারম্যান হিসাবে কাজ করেছেন তিনি। আর ওই সময়েই নিয়োগ নিয়ে যাবতীয় দুর্নীতির তথ্য সামনে আসছে। এমনকি কিংপিন শান্তিপ্রসাদ সিনহা ওই সময় এসএসসি অফিসে বসেই ভুয়ো নিয়োগ পত্র দিত বলেও তদন্তে উঠে এসেছে। যদিও সুবীরেশবাবুর দাবি, তাঁর আমলে কোনও কেলেঙ্কারি হয়নি। তবে পদ্ধতিগত ত্রুটি ছিল বলে দাবি করেছিলেন তিনি। কিন্ত্য তাঁর বিরুদ্ধে বেশ কিছু অভিযোগ সামনে এসেছে বলেও সিবিআই স্যত্রে জানা যাচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications