বিজেপিতে সুখ মিলল কই! তবে কি তৃণমূলে ফেরার ভাবনা, স্পষ্ট ইঙ্গিত শোভনের
তৃণমূলে আটমাস ‘একঘরে’ ছিলেন শোভন চট্টোপাধ্যায়। মন্ত্রিত্বহারা হয়ে, মেয়র পদ খুইয়ে তিনি হয়ে গিয়েছিলেন একেবারেই সাটামাটা একজন বিধায়ক বা কাউন্সিলর।
তৃণমূলে আটমাস 'একঘরে' ছিলেন শোভন চট্টোপাধ্যায়। মন্ত্রিত্বহারা হয়ে, মেয়র পদ খুইয়ে তিনি হয়ে গিয়েছিলেন একেবারেই সাটামাটা একজন বিধায়ক বা কাউন্সিলর। সেই অবস্থা থেকে তৃণমূল আগ্রহী হলেও আর পিছনে ফিরে তাকাননি শোভন। বৈশাখীকে নিয়ে নতুন বাসা বাঁধতে চেয়েছিলেন বিজেপিতে। সেখানে এসেও 'সুখ' মিলল না।

বিজেপিতেও বিষাদের সুর!
তাই বিজেপিতেও বিষাদের সুর বেজে গিয়েছে শোভন-বৈশাখীকে নিয়ে। এক মাসও হল না, ইস্তফা জল্পনার পারদ চড়ছে হু-হু করে। আগুনে ঘৃতাহুতি দিয়েছে সম্প্রতি বিজেপি নেতা জয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটা মন্তব্য। তাঁর মন্তব্যের পাল্টা দিতে গিয়েই শোভনকে মুখোমুখি হতে হল সেই অপ্রিয় প্রশ্নের।

তৃণমূলে ফেরার কথা ভাবছেন?
তাহলে কি তৃণমূলে ফেরার কথা ভাবছেন শোভন চট্টোপাধ্যায়। শোভন নির্দ্বিধায় জানালেন তাঁর ভাবনা বা পরিকল্পনার কথা। তিনি বলেন, ওইরকম ভাবনা-চিন্তার জায়গাই নেই। আমি ভাবছিও না ওই ধরনের কিছু। তাই অযথা মন্তব্য করে বিড়ম্বনা বাড়াবো না।

আর অপমান সহ্য হচ্ছে না!
এরপরই তিনি বলেন, বিজেপিতে যোগদানের পর থেকেই বিতর্ক শুরু হয়েছে। সমানে অপমানিত হতে হচ্ছে। তাই আমাদের ইচ্ছা কথা জানিয়ে দিয়েছিলাম। আবারও দলকে জানিয়েছি। দল কী সিদ্ধান্ত নেয় দেখি। দল সিদ্ধান্ত নিক বা আমরা ব্যক্তিগতভাবে সিদ্ধান্ত নিই- আমরা দু-একদিনেই তা জানিয়ে দেব।

ধৈর্য্যর বাঁধ ভেঙে যাচ্ছে
শোভন ও বৈশাখী উভয়েই বলেন, অনেক অপমান সহ্য করে বিজেপিতে নিজেদের মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছিলাম। কিন্তু বারবার যে ধরনের অসম্মানসূচক কথাবার্তা বলা হচ্ছে আমাদের নিয়ে, তাতে ধৈর্য্যর বাঁধ ভেঙে যাচ্ছে। বৈশাখীও বলেন, আমরা শীঘ্রই এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেব।

‘নিজের দলেই আমরা অসম্মানিত’
এদিন জয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যের সমালোচনা করে বৈশাখী বলেন, নিজের দলেই আমরা অসম্মানিত। আমরা তো ভেবেছিলাম বিরোধীরা আমাদের বিরুদ্ধে এ ধরনের কুৎসা করবে। বরং দেখেছি, তাঁরা অনেক শিষ্টাচার দেখিয়েছেন। এখন তো দেখছি এই দলেই অশিষ্ট লোকজন বেশি। এরপর আমরা বিরোধীদের বিপক্ষে কথা বলব কী করে!












Click it and Unblock the Notifications