বাংলাদেশের পরিস্থিতি পাকিস্তান-আফগানিস্তানের মতো! আদিবাসী-সংখ্যালঘুদের পরিস্থিতি নিয়ে বিস্ফোরক পালিয়ে আসাদের
বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি খুব খারাপ। যাঁরা আওয়ামি লিগ অর্থাৎ শেখ হাসিনার দল করতো, তাঁরা কেউ ঠিক নেই। এর সঙ্গে আদিবাসী ও সংখ্যালঘুদের ওপর কী নির্যাতন হচ্ছে তা চোখে না দেখলে বোঝা যাবে না। এমনটাই প্রতিক্রিয়া সীমান্ত পেরিয়ে এদেশে আসা সেখানকার নাগরিকদের।
মালদহের মোহদিপুর সীমান্তে দাঁড়িয়ে এক বাংলাদেশি নাগরিক জানিয়েছেন, খড়ের বাড়ি হোক কিংবা পাকা বাড়ি, পেট্রোল দিয়ে জ্বালিয়ে শেষ করে দিচ্ছে বিএনপি ও জামাত। এটাই বর্তমান বাংলাদেশের চিত্র বলে মন্তব্য করেছেন ওই ব্যক্তি।

তিনি আরও বলেছেন, হিন্দু বাড়ি হোক কিংবা মুসলিম বাড়ি আওয়ামি লিগ করলেই জামাত-বিএনপির লোকেরা আক্রমণ করছে। ওই ব্যক্তি বলেছেন, দেশটা পাকিস্তান হয়ে গিয়েছে, এখন বাংলাদেশ তো আর নাই। সোমবার থেকে বাংলাদেশ আর নেই, এখন পাকিস্তান-আফগানিস্থান হয়ে গিয়েছে।
এটা ছাত্র আন্দোলনের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। ছাত্ররা অন্য দলের কাছে বিক্রি হয়ে গিয়েছে বলেও মন্তব্য করেছেন ওই ব্যক্তি। শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন সব দাবি মেনে আইনমন্ত্রী এবং তথ্যমন্ত্রীর মাধ্যমে কারাবন্দীদের জন্য জরুরি বোর্ড বসিয়ে তাদেরকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। তারপরও কোনও কিছু হয়নি। তারা অন্য দলের পৃষ্ঠপোষকতায় এই সব কিছু করেছে। নাম করেছে ছাত্র আন্দোলন। আসলে পাশে রয়েছে অন্য কিছু। স্কুল কলেজ খুলছে নামেই খুলছে। খুলছে ঠিকই শিক্ষক গেলেও ছাত্র নেই। ভয়ে-আতঙ্কে আওয়ামি লিগ পরিবারের ছেলে-মেয়েরা স্কুল-কলেজ যেতে পারছে না।
মালদার মোহদিপুর সীমান্তে দাঁড়িয়ে জানালেন আওয়ামি লিগ সমর্থক মহম্মদ হেলালউদ্দিন অভিযোগ করেছেন, তাঁর নিজের তিনটে পুকুরের মাছ লুট করে নিয়ে গেছে দু-আড়াইশো দুষ্কৃতী। তিনি আওয়ামি লিগের সদস্য, এটাই তাঁর অপরাধ। বর্তমানে তিনি চিকিৎসার ন্য ভারতে এসেছেন বলে জানিয়েছেন।
বাংলাদেশ ফেরত সুশান্ত সরকার জানিয়েছেন, তিনি চাঁপাই নবাবগঞ্জ থেকে এসেছেন। তিনি চাঁপাই নবাবগঞ্জে ঘুরেছেন কিন্তু অন্য কোথাও যেতে পারেননি। সেই কারণে ফিরে এসেছেন। বাংলাদেশের অবস্থা খুবই খারাপ। ওই জন্যই ভয়ে চলে এসেছেন।
সুশান্ত সরকার জানিয়েছেন, তিনি বাংলাদেশে গিয়েছিলাম, সেখানে আমার আত্মীয় বিয়ে বাড়ি ছিল। ১১ অগাস্ট বিয়ে ছিল। িন্তু চলে আসতে বাধ্য হয়েছেন। সেখানে আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে নেই। যেখানে সেখানে ভাঙচুর-মারামারি-আগুন ধরিয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটছে। হিন্দুদের দোকানপাটে ভাঙচুর-লুট-আগুন লাগানোর ঘটনা ঘটছে বেশি। তিনি বলেছেন, জীবনে বেঁচে থাকলে অনেক বিয়ে খেতে পারবেন।












Click it and Unblock the Notifications