RG Kar Incident: সিবিআই হেফাজতে অভিজিৎ, বাড়িতে কলকাতা পুলিশ! শুভেন্দুর মারাত্মক অভিযোগ
RG Kar Incident: আরজি কর হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসকের খুন ও ধর্ষণের মামলায় কাল অবধি সিবিআই হেফাজতে অভিজিৎ মণ্ডল। টালা থানার প্রাক্তন ওসি।
ঘটনার খবর পেয়ে দেরিতে পৌঁছনো, এফআইআর রুজুতেও দেরি, তথ্যপ্রমাণ লোপাটের মতো অভিযোগ রয়েছে। বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের অংশীদার হিসেবে অভিজিৎকে আদালতে চিহ্নিত করেছে সিবিআই।

আরজি করের ঘটনাটিকে লঘু করে দেখানো ও ধামাচাপা দেওয়ার পরিকল্পনায় আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের সঙ্গে টালা থানার প্রাক্তন ওসির ভালোরকম বোঝাপড়া ছিল বলে জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা। তাঁদের মুখোমুখি জেরাও হতে পারে।
এই আবহে আজ হঠাৎই সার্ভে পার্কে অভিজিতের বাড়িতে হাজির হন কলকাতা পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্তারা। ২১/৩ সেকেন্ড স্ট্রিটে দেবযানী এনক্লেভ বহুতলেই থাকেন অভিজিৎ মণ্ডল ও তাঁর পরিবার। অভিজিতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (চতুর্থ) ভি সলোমান নেসা কুমার, ডেপুটি কমিশনার অব পুলিশ (ইস্ট ডিভিশন) আরিশ বিলাল ও ডেপুটি কমিশনার (এসএসডি) বিদিশা কলিতা।
ভি সলোমন নেসা কুমার বলেন, অভিজিৎ মণ্ডলের পরিবারের সঙ্গে কথা বলতে আমরা এসেছি। তাঁর স্ত্রী সঙ্গীতা মণ্ডল ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেছি। কলকাতা পুলিশ একটা পরিবার, অভিজিৎ মণ্ডল সেই পরিবারের সদস্য। আমরা তাঁদের পাশে আছি। এই পরিস্থিতিতে অভিজিতের পরিবারকে সবরকম সহযোগিতা করা হবে।
তিনি আরও বলেন, টালা থানার তৎকালীন ওসির দোষ নেই। যে অপরাধ হয়েছে তা স্পর্শকাতর। তিনি যা করেছেন সঠিক কাজই করেছেন। যথাসময়েই স্পটে পৌঁছেছেন। ওখানে চিকিৎসক-সহ অন্যান্য যাঁরা ছিলেন তাঁদের অনুরোধ মেনেই কাজ করেছেন। নিজের কর্তব্য তিনি দায়িত্বের সঙ্গে পালন করেছেন। তবু যা হয়েছে ফোর্সের সদস্য হিসেবে খারাপ লাগছে।
অভিজিতের স্ত্রী বলেন, আমার স্বামী দিন-রাত এক করে কাজ করেছেন। সেই সময় বাড়িতেও আসতে পারেননি। আমারও দুই মেয়ে রয়েছে। আমরাও এই ঘটনায় ন্যায়বিচার চাই। তা সুনিশ্চিত করতেই আমার স্বামী নিজের সেরাটা দিয়েছেন।
কলকাতা পুলিশ এই সময় পাশে থাকায় আশ্বস্ত অভিজিতের পরিবার। সঙ্গীতা মণ্ডল দাবি করেন অভিজিৎ সিবিআইয়ের তদন্তেও সহযোগিতা করেছেন। শরীর ভালো না থাকা সত্ত্বেও জিজ্ঞাসাবাদে হাজিরা দিয়েছেন। সিবিআই ফোন করে পরিবারকে গ্রেফতারির কথা বলেছিল। যদিও সিবিআইয়ের কাছে অ্য়ারেস্ট মোমোর জন্য বারবার অনুরোধ জানালেও তা দিতে ঘন্টা তিনেক ধরে অপেক্ষা করানো হয় বলে অভিযোগ।
এদিকে, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, সিবিআই হেফাজতে থাকা টালা থানার প্রাক্তন ওসি। তাঁর বাড়িতে কেন গেলেন কলকাতা পুলিশের আধিকারিকরা? তথ্যপ্রমাণ থাকলে তা লোপাটের জন্যই গিয়েছেন কিনা দেখুক সিবিআই। কেন না, অভিজিতের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। কলকাতা পুলিশ পরিবারকে দিয়ে তাঁকে বার্তা দিতে পারে যেন তিনি নগরপাল বিনীত গোয়েলের নাম না বলে দেন।












Click it and Unblock the Notifications