Panchayat Election 2023: শুভেন্দু ধাক্কা খেলেন কলকাতা হাইকোর্টে, গতিবিধি নিয়ন্ত্রণে কমিশনের নির্দেশই বহাল
Panchayat Election 2023: শুভেন্দু অধিকারী পঞ্চায়েত ভোটের আগের দিন ধাক্কা খেলেন কলকাতা হাইকোর্টে। নির্বাচন পর্ব না মেটা পর্যন্ত তাঁর গতিবিধি সীমাবদ্ধ রাখতে হবে নিজের ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের এলাকাতেই।
ফলে কাল শুভেন্দু অধিকারী নন্দীগ্রাম ১ নম্বর ব্লক নন্দনায়কবাড়ের বাইরে যেতে পারবেন না। কমিশনের নির্দেশে কাঁথি থানার নোটিশকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতের দ্বারস্থ হন শুভেন্দু। যদিও তাঁর আর্জি খারিজ করে দেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা।

বিচারপতি সিনহা শুনানির শেষে জানান, কমিশনের নির্দেশ মেনে কাল এলাকা ছেড়ে বেরোতে পারবেন না শুভেন্দু অধিকারী। তিনি যেখানকার ভোটার, সেখানেই ভোটের দিন তাঁকে থাকতে হবে। শুভেন্দুর আইনজীবী বলেন, বিরোধী দলনেতার অনেক কাজ থাকে। কোনও কর্মী মার খেলে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে।
যদিও এই যুক্তিকে মান্যতা দেয়নি আদালত। রাজ্য নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী বলেন, এই নির্দেশিকা সব রাজনৈতিক নেতাদের জন্য প্রযোজ্য। প্রার্থীর ঘোরাফেরায় কোনও বাধা নেই। কিন্তু অন্য কোনও রাজনৈতিক নেতা যাতে ভোটের দিন এলাকার বাইরে না যেতে পারেন অবাধ নির্বাচন করানোর জন্যই তাঁদের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনেরও এমন নিয়ম আছে।

শুভেন্দু অধিকারী আজ সকালেই বলেছিলেন, আমি নন্দীগ্রামের ভোটার। আমাকে যদি কোনও চিঠি দিয়ে বার্তা দিতে হয় তাহলে নন্দীগ্রামের ওসি দেবেন। কিন্তু এখানে নোটিশ পাঠিয়েছেন কাঁথি থানার আইসি অমলেন্দু বিশ্বাস। জেলা পুলিশ সুপার কে অমরনাথের নির্দেশে তিনি এই চিঠি দিয়েছেন, এটি অবৈধ। চিঠির ভাষারও সমালোচনা করেন শুভেন্দু।

বিচারপতি এদিন জানতে চান, কেন কাঁথি থানা এই নোটিশটি দিল? জবাবে রাজ্য সরকারের আইনজীবী আদালতকে জানান, শুভেন্দু অধিকারী যেহেতু কাঁথিতেই বেশিরভাগ সময় থাকেন সে কারণে কাঁথি থানার আইসিসি নোটিশটি দিয়েছেন। যদিও শেষ অবধি কমিশনের নির্দেশ শুভেন্দুকে মেনে চলার নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট।
শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন, ভোট দিয়ে তিনি বিভিন্ন এলাকায় ঘুরবেন। যদিও আদালতের নির্দেশের পর এবার নিজের দফতরে বসেই নির্বাচনের দিকে নজর রাখতে হবে শুভেন্দুকে। যদিও ইতিমধ্যেই প্রার্থী ও এজেন্টদের তিনি প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিয়ে বলে জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা। মানুষ এবার প্রতিরোধ করবেন বলেও জানান শুভেন্দু।
বহিরাগত কেউ ঢুকলে বাড়ি ফিরতে পারবেন না বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শুভেন্দু। কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনেও তিনি খুশি। এ ছাড়া নদীপথে কেউ যাতে নন্দীগ্রামে ঢুকতে না পারে সেজন্য তৃণমূলে ভোট দেওয়া মানুষজনও এবার নদীপথ সিল করে রেখেছেন বলে দাবি শুভেন্দুর।
শুভেন্দুর কথায়, মানুষ জানতে চাইছিলেন স্ট্রংরুমে নিরাপত্তা থাকবে কিনা। স্ট্রংরুমে এক কোম্পানি করে ৮০ জন জওয়ান থাকবেন যা যথেষ্ট। পূর্ব মেদিনীপুর জেলাকে স্পর্শকাতর ঘোষণা করা হয়েছে। স্পর্শকাতর ও অতি স্পর্শকাতর বুথগুলিতে পর্যাপ্ত বাহিনী থাকবে বলেও জানান শুভেন্দু।












Click it and Unblock the Notifications